Dhaka ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়কে সৌরবিদ্যুৎ, বছরে সাশ্রয় ৪৮ লাখ টাকা নকল সিগারেটে সাড়ে ৭২ কোটি ভ্যাট ফাঁকি, গোয়েন্দা জালে ভারগো টোব্যাকো পবিত্র মক্কা নগরীতে হামলা চালানো হলে সোচ্চার হওয়া ঈমানি দায়িত্ব ৫০তম পর্বে মোশাররফ-জুঁই-হাসানদের ‘এক পাতিলের সংসার’ কলেজে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ১১৪ ভেন্যুতে পুলিশের প্রশিক্ষণ শুরু বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদের রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়কে সৌরবিদ্যুৎ, বছরে সাশ্রয় ৪৮ লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ Time View

পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের ৯ দশমিক ০৬ কিলোমিটার উড়াল সড়কে ৫৮৬টি সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। এসব বাতি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন) মো. মাসুদ রানা শিকদারের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় ৯ দশমিক ০৬ কিলোমিটার উড়াল সড়কের দুই পাশে আধুনিক প্রযুক্তির ৫৮৬টি সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। এসব বাতি সৌরশক্তি বা সোলার সিস্টেমে উৎপাদিত বিদ্যুতের মাধ্যমে জ্বলবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা বাতি জ্বালানো হলে এসব সোলার সিস্টেম থেকে প্রতিদিন ১ হাজার ১৭২ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এতে মাসে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৩৩ টাকা এবং বছরে ৪৮ লাখ ৩৫ হাজার ২০৩ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে বছরে ৪ লাখ ২১ হাজার ৯২০ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি নির্দেশনার সফল বাস্তবায়ন এই প্রকল্পে দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পটি চালু হলে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

বুধবার প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত ও সুচারুভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন সেতু বিভাগের সচিব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করে ২০২৬ সালের মধ্যে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা নিতেও প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  ছয় মাসে সরকারি খাদ্য মজুত বেড়েছে প্রায় দেড় লাখ টন

পরিদর্শনের সময় সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, প্রকল্প পরিচালক ওহিদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন) আঞ্জুমান আরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন

পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়কে সৌরবিদ্যুৎ, বছরে সাশ্রয় ৪৮ লাখ টাকা

সময়: ০৭:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের ৯ দশমিক ০৬ কিলোমিটার উড়াল সড়কে ৫৮৬টি সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। এসব বাতি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ৪৮ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন) মো. মাসুদ রানা শিকদারের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় ৯ দশমিক ০৬ কিলোমিটার উড়াল সড়কের দুই পাশে আধুনিক প্রযুক্তির ৫৮৬টি সড়কবাতি স্থাপন করা হয়েছে। এসব বাতি সৌরশক্তি বা সোলার সিস্টেমে উৎপাদিত বিদ্যুতের মাধ্যমে জ্বলবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা বাতি জ্বালানো হলে এসব সোলার সিস্টেম থেকে প্রতিদিন ১ হাজার ১৭২ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এতে মাসে ৪ লাখ ২ হাজার ৯৩৩ টাকা এবং বছরে ৪৮ লাখ ৩৫ হাজার ২০৩ টাকা বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে বছরে ৪ লাখ ২১ হাজার ৯২০ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি নির্দেশনার সফল বাস্তবায়ন এই প্রকল্পে দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর সেতু পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ ও দোতলা রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পটি চালু হলে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে।

বুধবার প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত ও সুচারুভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন সেতু বিভাগের সচিব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করে ২০২৬ সালের মধ্যে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা নিতেও প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  দুর্নীতি-অনিয়ম প্রমাণ হলে দায়িত্ব ছাড়ব: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

পরিদর্শনের সময় সরকারের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, প্রকল্প পরিচালক ওহিদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিনাত ফৌজিয়া, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভ্যালুয়েশন) আঞ্জুমান আরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।