বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো,
ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খগারহাটে ১৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার) গভীর রাতে অন্যত্র পাচারের সময় প্রায় ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারবোঝাই চারটি ভ্যানগাড়ি আটকের ঘটনা ঘটেছে। পরে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে সার পরিবহনের সময় খগারহাটের নাইটগার্ড চারটি ভ্যানগাড়ি আটক করেন। এ সময় গাড়ির চালকদের কাছে সারের বৈধ কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানা যায়, সে সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম, নূর হক ও দিলীপসহ তিন ইউপি সদস্য এবং দুই গ্রাম পুলিশ উপস্থিত হন। গাড়িগুলো ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়ার কথা বলা হলেও পরিষদে নেওয়ার পথে ৫৭ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে ভ্যানগাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নাইটগার্ডের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি চারটি খালি ভ্যানগাড়ি আনুমানিক রাত ৪টা ৩০ মিনিটে ডিমলার অভিমুখে রওনা হতে দেখেন। আবার আনুমানিক ৫টা থেকে ৬টার সময় সারবোঝাই ভ্যান আসে। গাড়ির চালকদের জিজ্ঞেস করলে তারা কেউ বলেন, ভাদুর দগা থেকে, কেউ বলেন ডিমলা থেকে, আবার কেউ বলেন স্টুডিয়ামের পাশ থেকে সার নিয়ে এসেছেন।
আটকের পর গাড়িগুলো ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে সেগুলোর অবস্থান ও পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত নাইটগার্ড, গ্রাম পুলিশ, ইউপি সদস্য, গাড়ির চালক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণ করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পূর্বধারণা তৈরি না করে সঠিক তথ্য, স্বচ্ছ তদন্ত ও নিরপেক্ষ যাচাইয়ের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য জনসম্মুখে আসা উচিত।
Reporter Name 

























