
মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর
মনজুর আলমকে নগর শাখার আহ্বায়ক করা এবং পরে দলের পক্ষ থেকে সিটি মেয়র হিসাবে মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে চট্টগ্রামে মনজুরের বাসভবনে গিয়ে তাকে এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ।
এর ওপর ভরসা করেই বৃহস্পতিবার এনসিপি চট্টগ্রামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত মনজুরকে ছাড়াই এনসিপিকে শেষ করতে হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অনুষ্ঠানের আগে এনসিপির পক্ষ থেকে মনজুর আলমের সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তাদের যন্ত্রণায় (বিরক্ত) মনজুর আলম দুইদিন ধরে যোগাযোগ বন্ধ রাখেন।
প্রথমে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকেন। একপর্যায়ে উত্তর কাট্টলীর বাসা থেকেই তিনি সরে যান।
পরে পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার লোকজন বাসায় গিয়েও তাকে খুঁজে পায়নি এবং তার অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মনজুর আলমকে ছাড়াই এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠান শেষ হয়।
শুক্রবার বিকালেও মনজুর আলমের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার পরিবারের এক সদস্য জানান, ‘মনজুর আলম এনসিপির (বিরক্তি) যন্ত্রণায় ফোন বন্ধ রেখেছেন। বাসা থেকেও সরেছিলেন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তো কেউ কাউকে কোনো দলে ভেড়াতে পারে না।’
তিনি দাবি করেন, ‘একটি পক্ষ মনজুর আলমকে এনসিপিতে ঠেলে দিতে চায়, তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়।’
Reporter Name 





















