Dhaka ০৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটে মাটি ছাড়া মিরপুরে মাদক কারবারিকে ছাড়াতে গিয়ে আটক ৫ জনকে মুচলেকায় মুক্তি পাইকুরাটি ও সেলবরষ ইউনিয়নে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এমপি কামরুল কালিয়াকৈরে গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে ৩ জনের মৃত্যু শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের পক্ষে আমরা নই : কুড়িগ্রামে ত্রাণমন্ত্রী নরসিংদীতে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক-বাজেট সভা অনুষ্ঠিত সাংবাদিকতার অধিকার রক্ষায় নতুন দিগন্ত: সরকারি নিবন্ধন পাওয়ায় ‘জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটি’র আনন্দ আয়োজন নবীগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় প্রবাসীর বাড়ির নির্মাণকাজে বাধা, বিএনপি নেতা সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা বালিয়াডাঙ্গীতে কৃষি উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে “পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬” অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বুড়িচংয়ে অনুমোদনহীন পশুর হাট, বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • ১১ Time View

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:


বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের লাটুয়ার বাজারে সরকারি অনুমোদন ও দরপত্র ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে পশুর হাট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধভাবে হাটটি নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কংশনগর, নিমসার, কাবিলা ও ময়নামতি বাজারের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় লাটুয়ার বাজারটি বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি চক্র কোনো ধরনের সরকারি ইজারা বা অনুমোদন ছাড়াই প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার গরু-ছাগলের হাট বসিয়ে আসছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে প্রতিটি গরু থেকে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা এবং ছাগল থেকে ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে। অথচ এসব আদায়ের কোনো সরকারি অনুমোদন নেই।

একাধিক স্থানীয় সূত্র জানায়, বাজার এলাকায় গরু-ছাগল বাঁধার জন্য খুঁটি স্থাপন এবং সাইনবোর্ড টানিয়ে দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি গরু এবং দেড় শতাধিক ছাগল কেনাবেচার জন্য আনা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী ও খামারি জানান, বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে চললেও এটি সরকারি তালিকাভুক্ত বা ইজারাভুক্ত কোনো বাজার নয়। তবে কিছু ব্যক্তি এটিকে বৈধ দাবি করে নিয়মিত খাজনা আদায় করছেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, “বাজারটি ক্যালেন্ডারভুক্ত নয়, তাই এটি সরকারি স্বীকৃত বাজার নয়। আমরা একাধিকবার সরেজমিনে গিয়ে এটি বন্ধ রাখতে বলেছি।”

এ বিষয়ে তানভীর হোসেন বলেন, “সরকারিভাবে এই বাজারটিকে ইজারা দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি কিছু লোকজন এখানে অবৈধভাবে বাজার বসিয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বাজারটি বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  সাপাহারে আরসিসি সড়ক নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন : এমপি মোস্তাফিজুর রহমান

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থাপনা আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটে মাটি ছাড়া

বুড়িচংয়ে অনুমোদনহীন পশুর হাট, বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

সময়: ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:


বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের লাটুয়ার বাজারে সরকারি অনুমোদন ও দরপত্র ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে পশুর হাট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি প্রভাবশালী চক্র রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধভাবে হাটটি নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কংশনগর, নিমসার, কাবিলা ও ময়নামতি বাজারের মাঝামাঝি অবস্থানে হওয়ায় লাটুয়ার বাজারটি বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি চক্র কোনো ধরনের সরকারি ইজারা বা অনুমোদন ছাড়াই প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার গরু-ছাগলের হাট বসিয়ে আসছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে প্রতিটি গরু থেকে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা এবং ছাগল থেকে ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত খাজনা আদায় করা হচ্ছে। অথচ এসব আদায়ের কোনো সরকারি অনুমোদন নেই।

একাধিক স্থানীয় সূত্র জানায়, বাজার এলাকায় গরু-ছাগল বাঁধার জন্য খুঁটি স্থাপন এবং সাইনবোর্ড টানিয়ে দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ীদের আকৃষ্ট করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি গরু এবং দেড় শতাধিক ছাগল কেনাবেচার জন্য আনা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী ও খামারি জানান, বাজারটি দীর্ঘদিন ধরে চললেও এটি সরকারি তালিকাভুক্ত বা ইজারাভুক্ত কোনো বাজার নয়। তবে কিছু ব্যক্তি এটিকে বৈধ দাবি করে নিয়মিত খাজনা আদায় করছেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, “বাজারটি ক্যালেন্ডারভুক্ত নয়, তাই এটি সরকারি স্বীকৃত বাজার নয়। আমরা একাধিকবার সরেজমিনে গিয়ে এটি বন্ধ রাখতে বলেছি।”

এ বিষয়ে তানভীর হোসেন বলেন, “সরকারিভাবে এই বাজারটিকে ইজারা দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি কিছু লোকজন এখানে অবৈধভাবে বাজার বসিয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বাজারটি বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  চুয়েটের প্রকৌশলী মকবুল হোসেনের ইশারায় সাংবাদিক পরিবার ভিটে মাটি ছাড়া

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নিলে সরকারি রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থাপনা আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।