Dhaka ০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও ‘স্বাভাবিক’ ছিলেন লিন্ডসে গ্রাহাম, শেষ ফোনালাপের স্মৃতিচারণ করলেন ট্রাম্ আবু নায়িন তাসকিন বৃত্তি পেয়েছে,ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায় চরভদ্রাসনে খাল খননের শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধে অনিয়মের অভিযোগ, উত্তেজনা বোয়ালখালী পৌরসভাস্থ দুশত বছরের বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংসের পথে! “তারাকান্দায় ভাতিজার হাতে চাচা খুন” আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে চুরি, থানায় অভিযোগ বাঁশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২ অবৈধ ট্রলিং বোট, ১৪ জাল জব্দ; আটক ৩৭ জেলে কালিগঞ্জ সদর এম খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন বুড়িচংয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, ৭ কর্মীকে সম্মাননা কৃষক বাবার অসাধারণ সাফল্য
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় নদী খননের বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত: পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসনীয় উপজেলা প্রশাসন

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা


খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নে নদী খননের একটি প্রধান বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আজ সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে খর্নিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রানাই গ্রামের মেরি ভাটা সংলগ্ন এলাকায় এই আকস্মিক বাঁধ ভাঙার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদী খনন কাজের অংশ হিসেবে তৈরি করা বড় বেড়িবাঁধটি হঠাৎ ভেঙে যাওয়ায় তীব্র বেগে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। বাঁধ ভাঙার ফলে মুহূর্তের মধ্যে এলাকার বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের কাঁচা ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। হঠাৎ এই বিপর্যয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও চাষীরা।

সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ:
বাঁধ ভাঙার পরপরই চরম সংকটে পড়া গ্রামবাসী দ্রুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী কালবিলম্ব না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দুর্গত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন এবং পানির তীব্র চাপ কমাতে নদীর মূল বাঁধ কাটার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। একই সাথে ভাঙন কবলিত স্থানটি সুনির্দিষ্টভাবে পরিদর্শন করে দ্রুত বাঁধটি বেঁধে দেওয়ার (মেরামত) তৎপরতা শুরু করেন।

ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে কৃষি ও মৎস্য খাত:
নোনা ও নদীর পানি হু হু করে লোকালয়ে প্রবেশ করায় এলাকার কৃষি ও মৎস্য খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, “হঠাৎ বাঁধ ভেঙে পানি ঢোকায় খর্নিয়া এলাকার কয়েকশত একর জমির সবজি ও উঠতি ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আমরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করার কাজ শুরু করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে সরকারি প্রণোদনাসহ পরবর্তী চাষাবাদের জন্য সব ধরনের কারিগরি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  নরসিংদীর শিবপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুঃ আব্দুর রহিম

সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে এলাকার মৎস্য খাত। পানি দ্রুত বিল সিংগার দিকে ধাবিত হওয়ায় হাজার হাজার মৎস্য ঘের এখন চরম হুমকির সম্মুখীন। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “বাঁধ ভাঙার ফলে রানাই ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত মাছের ঘের ও ভেড়ি ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে, যার ফলে চাষীদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিল সিংগার দিকে পানি ছড়াতে থাকায় সেখানকার বিশাল মৎস্য জোনও এখন ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং ঘেরের চারপাশে নেট বা পাটা দিয়ে মাছ যেন ভেসে না যায়, সে বিষয়ে চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।”

প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তৎপরতা:
এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, “খর্নিয়ার রানাই এলাকায় বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করি। সেনাবাহিনী অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, “নদী খনন কাজের সময় পানির অতিরিক্ত চাপ বা কোনো টেকনিক্যাল কারণে বাঁধটিতে ভাঙন দেখা দেয়। সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় নদীর মূল বাঁধ কাটার মাধ্যমে পানির তীব্রতা কমানোর চেষ্টা চলছে। ভাঙন কবলিত স্থানটি আমরা পরিদর্শন করেছি এবং অতি দ্রুত বাঁধটি স্থায়ীভাবে মেরামতের জন্য জিওব্যাগ ডাম্পিং ও মাটি কাটার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম নিয়োজিত করা হয়েছে।”

জনগণের কৃতজ্ঞতা:
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করে এত বড় বিপর্যয় আসায় তারা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন সত্য, তবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই জাদুকরী ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আরও বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। সেনাবাহিনীর এমন জনকল্যাণমূলক ও তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খর্নিয়াবাসী ও সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  বোয়ালখালী পৌরসভাস্থ দুশত বছরের বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংসের পথে!

 

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও ‘স্বাভাবিক’ ছিলেন লিন্ডসে গ্রাহাম, শেষ ফোনালাপের স্মৃতিচারণ করলেন ট্রাম্

ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় নদী খননের বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত: পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসনীয় উপজেলা প্রশাসন

সময়: ০৮:৪৩:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা


খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নে নদী খননের একটি প্রধান বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। আজ সকাল আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে খর্নিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রানাই গ্রামের মেরি ভাটা সংলগ্ন এলাকায় এই আকস্মিক বাঁধ ভাঙার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নদী খনন কাজের অংশ হিসেবে তৈরি করা বড় বেড়িবাঁধটি হঠাৎ ভেঙে যাওয়ায় তীব্র বেগে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। বাঁধ ভাঙার ফলে মুহূর্তের মধ্যে এলাকার বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের কাঁচা ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে। হঠাৎ এই বিপর্যয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও চাষীরা।

সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ:
বাঁধ ভাঙার পরপরই চরম সংকটে পড়া গ্রামবাসী দ্রুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী কালবিলম্ব না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দুর্গত মানুষের পাশে এসে দাঁড়ায়।

ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন এবং পানির তীব্র চাপ কমাতে নদীর মূল বাঁধ কাটার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। একই সাথে ভাঙন কবলিত স্থানটি সুনির্দিষ্টভাবে পরিদর্শন করে দ্রুত বাঁধটি বেঁধে দেওয়ার (মেরামত) তৎপরতা শুরু করেন।

ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে কৃষি ও মৎস্য খাত:
নোনা ও নদীর পানি হু হু করে লোকালয়ে প্রবেশ করায় এলাকার কৃষি ও মৎস্য খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, “হঠাৎ বাঁধ ভেঙে পানি ঢোকায় খর্নিয়া এলাকার কয়েকশত একর জমির সবজি ও উঠতি ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আমরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করার কাজ শুরু করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে সরকারি প্রণোদনাসহ পরবর্তী চাষাবাদের জন্য সব ধরনের কারিগরি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।”

আরও পড়ুনঃ  বেপরোয়া গতিতে প্রাণহানির ঘটনায় মামলা: র‍্যাব-৮ এর অভিযানে পলাতক আসামি গ্রেপ্তার, কাউখালী থানায় হস্তান্তর

সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে এলাকার মৎস্য খাত। পানি দ্রুত বিল সিংগার দিকে ধাবিত হওয়ায় হাজার হাজার মৎস্য ঘের এখন চরম হুমকির সম্মুখীন। এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলেন, “বাঁধ ভাঙার ফলে রানাই ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত মাছের ঘের ও ভেড়ি ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে, যার ফলে চাষীদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিল সিংগার দিকে পানি ছড়াতে থাকায় সেখানকার বিশাল মৎস্য জোনও এখন ঝুঁকিতে রয়েছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং ঘেরের চারপাশে নেট বা পাটা দিয়ে মাছ যেন ভেসে না যায়, সে বিষয়ে চাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।”

প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তৎপরতা:
এ ব্যাপারে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, “খর্নিয়ার রানাই এলাকায় বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করি। সেনাবাহিনী অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, “নদী খনন কাজের সময় পানির অতিরিক্ত চাপ বা কোনো টেকনিক্যাল কারণে বাঁধটিতে ভাঙন দেখা দেয়। সেনাবাহিনী ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় নদীর মূল বাঁধ কাটার মাধ্যমে পানির তীব্রতা কমানোর চেষ্টা চলছে। ভাঙন কবলিত স্থানটি আমরা পরিদর্শন করেছি এবং অতি দ্রুত বাঁধটি স্থায়ীভাবে মেরামতের জন্য জিওব্যাগ ডাম্পিং ও মাটি কাটার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম নিয়োজিত করা হয়েছে।”

জনগণের কৃতজ্ঞতা:
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ করে এত বড় বিপর্যয় আসায় তারা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন সত্য, তবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই জাদুকরী ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আরও বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে। সেনাবাহিনীর এমন জনকল্যাণমূলক ও তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খর্নিয়াবাসী ও সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেল রাঙ্গামাটির ফারুয়া বাজার, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ