Dhaka ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
২০০ শয্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রস্তাব,ক্ষোভে ফুঁসছে রংপুর বিভাগ রংপুরে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে নিহত ২, আহত ৩ শ্রমিক নরসিংদীর শিবপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস র‍্যালি ও আলোচনা সভা বিশ্বম্ভরপুরে নানা আয়োজনে শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন” নতুন ভিসি অবরুদ্ধ, চুয়েটের ২১ দিনের ছাত্র আন্দোলনের নতুন সংকট গলাচিপায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত গলাচিপায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সান্তাহারে কলেজ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির হুমকি- ইউএনও ও থানায় অভিযোগ!! সরিষাবাড়িতে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র ্যালি মহহড়া ও আলোচনা সভা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

তারেক রহমান: শিক্ষাজীবন থেকে জাতীয় রাজনীতির নেতৃত্বে দীর্ঘ পথচলা

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:২০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৪২ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি:


তারেক রহমান (জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৬৮, ঢাকা) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত। দেশের রাজনীতিতে তিনি যেমন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের জন্য পরিচিত, তেমনি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, আইনি মামলা এবং দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারনেও  আলোচনায় ছিলেন।

প্রাথমিক জীবন ও পরিবার

তারেক রহমান ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার মাতা বেগম খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। তার একমাত্র ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

শিক্ষাজীবন

তারেক রহমানের শিক্ষাজীবনের শুরু বিএএফ শাহীন কলেজে। পরে তিনি সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে। এরপর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।

উচ্চমাধ্যমিকের পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। পরে বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়ন শুরু করেন এবং স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা সম্পন্ন করেননি।

রাজনৈতিক জীবন

তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি দেশব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চালান, যা তাকে বিএনপির তরুণ নেতাদের মধ্যে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরে চার খুনে খেজুর, শসা ও সিগারেটে দুই আসামির ডিএনএ মিল

২০০২ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সারাদেশে সাংগঠনিক সফর শুরু করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, কর্মীসভা এবং সাংগঠনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে তিনি দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেন। এই সময়ে তিনি বিএনপির তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

২০০৯ সালে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে দলের নীতিনির্ধারণ, নির্বাচন পরিচালনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দলকে নতুন নেতৃত্বের অধীনে পরিচালনা করেন।

গ্রেপ্তার, মামলা ও প্রবাসজীবন

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমানকে দুর্নীতিসহ একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। কারাবন্দি অবস্থায় তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এবং পরে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ২০০৮ সালে জামিনে মুক্তি লাভের পর উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে যান। এরপর দীর্ঘ সময় লন্ডনে অবস্থান করলেও তিনি সেখান থেকে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচার, ঘুষ গ্রহণ এবং অন্যান্য অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা হয়। বিএনপি এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে। পরবর্তী সময়ে আদালতের বিভিন্ন রায় ও আদেশের মাধ্যমে তার আইনি অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।

রাজনৈতিক দর্শন

তারেক রহমান গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করে থাকেন। তিনি প্রশাসনিক সংস্কার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার এবং যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া তিনি দলীয় কাঠামো আধুনিকায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব বিকাশের পক্ষেও মত প্রকাশ করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবন

তারেক রহমান ডা. জোবাইদা রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তাদের এক কন্যা, জাইমা রহমান। পারিবারিক জীবনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে শফিকুর রহমানের বৈঠক
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

২০০ শয্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থানান্তরের প্রস্তাব,ক্ষোভে ফুঁসছে রংপুর বিভাগ

তারেক রহমান: শিক্ষাজীবন থেকে জাতীয় রাজনীতির নেতৃত্বে দীর্ঘ পথচলা

সময়: ১২:২০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি:


তারেক রহমান (জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৬৮, ঢাকা) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত। দেশের রাজনীতিতে তিনি যেমন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের জন্য পরিচিত, তেমনি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, আইনি মামলা এবং দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কারনেও  আলোচনায় ছিলেন।

প্রাথমিক জীবন ও পরিবার

তারেক রহমান ১৯৬৮ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার এবং পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার মাতা বেগম খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। তার একমাত্র ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

শিক্ষাজীবন

তারেক রহমানের শিক্ষাজীবনের শুরু বিএএফ শাহীন কলেজে। পরে তিনি সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে। এরপর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন।

উচ্চমাধ্যমিকের পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। পরে বিভাগ পরিবর্তন করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে অধ্যয়ন শুরু করেন এবং স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা সম্পন্ন করেননি।

রাজনৈতিক জীবন

তারেক রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই। ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি দেশব্যাপী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা চালান, যা তাকে বিএনপির তরুণ নেতাদের মধ্যে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরে চার খুনে খেজুর, শসা ও সিগারেটে দুই আসামির ডিএনএ মিল

২০০২ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সারাদেশে সাংগঠনিক সফর শুরু করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, কর্মীসভা এবং সাংগঠনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে তিনি দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেন। এই সময়ে তিনি বিএনপির তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

২০০৯ সালে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে দলের নীতিনির্ধারণ, নির্বাচন পরিচালনা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দলকে নতুন নেতৃত্বের অধীনে পরিচালনা করেন।

গ্রেপ্তার, মামলা ও প্রবাসজীবন

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমানকে দুর্নীতিসহ একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। কারাবন্দি অবস্থায় তার ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এবং পরে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ২০০৮ সালে জামিনে মুক্তি লাভের পর উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে যান। এরপর দীর্ঘ সময় লন্ডনে অবস্থান করলেও তিনি সেখান থেকে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করেন।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচার, ঘুষ গ্রহণ এবং অন্যান্য অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলা হয়। বিএনপি এসব মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে। পরবর্তী সময়ে আদালতের বিভিন্ন রায় ও আদেশের মাধ্যমে তার আইনি অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।

রাজনৈতিক দর্শন

তারেক রহমান গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান করে থাকেন। তিনি প্রশাসনিক সংস্কার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার এবং যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া তিনি দলীয় কাঠামো আধুনিকায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব বিকাশের পক্ষেও মত প্রকাশ করেছেন।

ব্যক্তিগত জীবন

তারেক রহমান ডা. জোবাইদা রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ। তাদের এক কন্যা, জাইমা রহমান। পারিবারিক জীবনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  রাজপথ থেকে কারাগার, আবারও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান জাহাঙ্গীর আলম পিন্টু