
জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালীন মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি এবং অধিবেশন কক্ষের ভেতরে ছোট ছোট গ্রুপে আলোচনা ও শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় যেকোনো কাজের চেয়ে সংসদ অধিবেশন বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি অন্য সব কার্যক্রমের ওপর প্রাধান্য পেতে হবে।
স্পিকার বলেন, মন্ত্রীরা রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ত থাকার অজুহাতে সংসদ এড়িয়ে যেতে পারেন না। সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শোনা এবং প্রয়োজনে যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য তাদের নিয়মিতভাবে অধিবেশনে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার শুরুতে এসব বিষয় উঠে আসে। আলোচনায় চিফ হুইপ, জনপ্রশাসন মন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।
অধিবেশনের শুরুতে রাজশাহী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান একটি নোটিশে জানান, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও টেলিফোন ডিরেক্টরি দ্রুত সরবরাহ করা জরুরি। তিনি জানান, শপথের পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ ডিরেক্টরি প্রকাশ হয়নি।
এর জবাবে স্পিকার জানান, জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে টেলিফোন সহায়িকা ২০২৬ প্রস্তুতের কাজ চলছে। কিছু সদস্যের তথ্য এখনো না পাওয়ায় সামান্য বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত তথ্য জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।
চিফ হুইপ বলেন, মন্ত্রণালয়গুলোর সঠিক যোগাযোগ নম্বর না থাকায় সংসদ সদস্যদের কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে। তিনি একটি সমন্বিত ডিরেক্টরি তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করেন যে, সকল গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন নম্বরসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ডিরেক্টরি দ্রুত প্রস্তুত করে সংসদ সদস্যদের সরবরাহ করা হবে।
পয়েন্ট অব অর্ডারে পটুয়াখালী–২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা, কয়েকজন সংসদ সদস্যের আইনি বিষয়সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি করেন। তবে চিফ হুইপ এসব বিষয়কে অপ্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে বলেন, এতে সংসদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে।
Reporter Name 






















