Dhaka ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ জাহাজভাঙা শিল্পে নিরাপত্তাহীনতা রয়ে গেছে ‘শিক্ষার জয়যাত্রা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠিত, সহযোগিতায় জাস ফাউন্ডেশন শহীদ জিয়াউর রহমানের গুণাবলীর সঙ্গে মানসিক সংযোগ স্থাপন করতে হবে শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্বে এক অনন্য পথিকৃৎ: হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান চট্টগ্রামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের দালালের হাতে জিন্মি 🌙 মানব জীবন পত্রিকার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🌙 সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান সমাজ ও মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে “ইসলামিক সেবক সম্মাননা” পেলেন মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

কালুরঘাট-এ ইতিহাস সংরক্ষণে নতুন পরিকল্পনা: বেতার কেন্দ্র ও জিয়াউর রহমান স্মৃতি ঘিরে আধুনিক জাদুঘর

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৮০ Time View

 

মোঃ শহিদুল ইসলাম,
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

স্বাধীনতার ইতিহাস বহনকারী চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের আওতায় বেতার কেন্দ্র এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জাদুঘরকে একীভূত ব্যবস্থাপনায় আনার চিন্তার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মঙ্গলবার কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুধু অতীতের স্মৃতি নয়—এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার উৎস। তাই এসব ঐতিহাসিক স্থাপনাকে সময়োপযোগী রূপে সংরক্ষণ করা অপরিহার্য।

মন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে গণঅভ্যুত্থান এবং নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম বিকশিত হয়েছে। সেই দীর্ঘ পথচলার চূড়ান্ত রূপ ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৫ মার্চের ভয়াল রাতের পর দেশের মানুষ যখন দিশেহারা, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই স্বাধীনতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে, যা মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি ও সাহস যোগায়। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা সময়ের দাবি।

সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী জানান, কালুরঘাটকে ঘিরে একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধকালীন সম্প্রচারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, দলিলপত্র ও প্রামাণ্য উপকরণ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি গবেষণা ও দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক প্রদর্শন ব্যবস্থাও রাখা হবে। প্রয়োজনে জিয়াউর রহমানের একটি ভাস্কর্য নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, এমন একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা প্রথমে বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে পরে জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারেন। এতে করে ইতিহাসের ধারাবাহিকতা আরও সহজে অনুধাবন করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সংঘটিত জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড যেমন বেদনাদায়ক স্মৃতি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান জাতীয় গৌরবের অংশ। এই দুই দিককে যথাযথভাবে উপস্থাপনের জন্য কাজ চলছে।

পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

চট্টগ্রামের রাজনীতিতে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব: বাস্তবতা, প্রত্যাশা ও সাংগঠনিক সমীকরণ

কালুরঘাট-এ ইতিহাস সংরক্ষণে নতুন পরিকল্পনা: বেতার কেন্দ্র ও জিয়াউর রহমান স্মৃতি ঘিরে আধুনিক জাদুঘর

সময়: ১০:৪০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

 

মোঃ শহিদুল ইসলাম,
বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

স্বাধীনতার ইতিহাস বহনকারী চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের আওতায় বেতার কেন্দ্র এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জাদুঘরকে একীভূত ব্যবস্থাপনায় আনার চিন্তার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

মঙ্গলবার কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুধু অতীতের স্মৃতি নয়—এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার উৎস। তাই এসব ঐতিহাসিক স্থাপনাকে সময়োপযোগী রূপে সংরক্ষণ করা অপরিহার্য।

মন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে গণঅভ্যুত্থান এবং নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম বিকশিত হয়েছে। সেই দীর্ঘ পথচলার চূড়ান্ত রূপ ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২৫ মার্চের ভয়াল রাতের পর দেশের মানুষ যখন দিশেহারা, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই স্বাধীনতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে, যা মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি ও সাহস যোগায়। এই ঐতিহাসিক ঘটনাকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা সময়ের দাবি।

সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী জানান, কালুরঘাটকে ঘিরে একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধকালীন সম্প্রচারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, দলিলপত্র ও প্রামাণ্য উপকরণ সংরক্ষণ করা হবে। পাশাপাশি গবেষণা ও দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক প্রদর্শন ব্যবস্থাও রাখা হবে। প্রয়োজনে জিয়াউর রহমানের একটি ভাস্কর্য নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, এমন একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা প্রথমে বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে পরে জাদুঘরে প্রবেশ করতে পারেন। এতে করে ইতিহাসের ধারাবাহিকতা আরও সহজে অনুধাবন করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সংঘটিত জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড যেমন বেদনাদায়ক স্মৃতি, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান জাতীয় গৌরবের অংশ। এই দুই দিককে যথাযথভাবে উপস্থাপনের জন্য কাজ চলছে।

পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।