Dhaka ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
পালিত হল,এক হাঁটু জল ও কাদায় দাঁড়িয়ে একুশে জুলাইয়ের শহীদ দিবস এবং লড়াইয়ের শপথ চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কিট প্যারেড, কল্যাণ ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত কেন্দুয়ায় ওড়না পেঁচিয়ে এক যুবতী মেয়ে মৃত্যু। রথযাত্রার মঙ্গল শোভাযাত্রায় বীর সনাতনী সংঘের বর্ণাঢ্য অংশগ্রহণ নরসিংদীর দুই হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা গ্রামীণফোনের সাবেক শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ার সাবেক এমপিপুত্র রাসেল সহযোগীসহ গ্রেপ্তার ‎ চরভদ্রাসনে খাল কাটা কর্মসূচিতে ‘ভূতুড়ে শ্রমিক’ অভিযোগ, তদন্তের দাবি বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকে পার্কিং নিশ্চিত করতে সিডিএর কড়া হুশিয়ারি বদলগাছীতে জমি দখলের পায়তারা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনায় ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ১৯ Time View

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ হাসপাতাল গড়ে তুলতে উৎসস্থলেই বর্জ্য পৃথকীকরণের কোনো বিকল্প নেই। হাসপাতালের সাধারণ বর্জ্য, চিকিৎসা বর্জ্য, কাঁচ ও প্লাস্টিকজাত বর্জ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি যেমন কমে, তেমনি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন হস্তান্তরকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন আহমেদসহ চমেকের ও এপিক হেলথকেয়ারের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে এপিক হেলথকেয়ার সহযোগিতা প্রদান করেছে।

 

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। হাসপাতালগুলোতে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বর্জ্য পৃথকীকরণের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে রোগী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাধারণ মানুষ সবাই উপকৃত হবেন।

 

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই শুধু বিন বিতরণই নয়, এগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

বিতরণকৃত ২০০টি বিন চারটি পৃথক শ্রেণিতে বিভক্ত। এর মধ্যে দৈনন্দিন ময়লা ও খাদ্য বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য একটি ধরনের বিন, চিকিৎসা বর্জ্যের জন্য পৃথক একটি বিন, কাঁচজাত বর্জ্যের জন্য একটি বিন এবং প্লাস্টিক ও পলিথিনজাত বর্জ্যের জন্য পৃথক আরেকটি বিন রয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎসস্থলেই বর্জ্য আলাদা করে পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

আরও পড়ুনঃ  খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে ফের খানাখন্দ: নোংরা পানিতে ভিজছে পথচারী, সওজের দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

 

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও টেকসই নগরীতে পরিণত করা সম্ভব। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, মানবিক ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এই হাসপাতাল বৃহত্তর চট্টগ্রামের লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার প্রধান কেন্দ্র। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী ও স্বজনের চাপ সামলাতে গিয়ে হাসপাতালকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সেবামনস্ক মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

 

এরপর মেয়র হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিট পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের চিকিৎসার বিষয়ে তদারকি করেন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

পালিত হল,এক হাঁটু জল ও কাদায় দাঁড়িয়ে একুশে জুলাইয়ের শহীদ দিবস এবং লড়াইয়ের শপথ

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সময়: ০৯:৫০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ হাসপাতাল গড়ে তুলতে উৎসস্থলেই বর্জ্য পৃথকীকরণের কোনো বিকল্প নেই। হাসপাতালের সাধারণ বর্জ্য, চিকিৎসা বর্জ্য, কাঁচ ও প্লাস্টিকজাত বর্জ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি যেমন কমে, তেমনি পরিবেশও সুরক্ষিত থাকে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন হস্তান্তরকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন আহমেদসহ চমেকের ও এপিক হেলথকেয়ারের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ২০০টি বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে এপিক হেলথকেয়ার সহযোগিতা প্রদান করেছে।

 

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। হাসপাতালগুলোতে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বর্জ্য পৃথকীকরণের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে রোগী, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাধারণ মানুষ সবাই উপকৃত হবেন।

 

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা না করলে তা জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। তাই শুধু বিন বিতরণই নয়, এগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

বিতরণকৃত ২০০টি বিন চারটি পৃথক শ্রেণিতে বিভক্ত। এর মধ্যে দৈনন্দিন ময়লা ও খাদ্য বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য একটি ধরনের বিন, চিকিৎসা বর্জ্যের জন্য পৃথক একটি বিন, কাঁচজাত বর্জ্যের জন্য একটি বিন এবং প্লাস্টিক ও পলিথিনজাত বর্জ্যের জন্য পৃথক আরেকটি বিন রয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎসস্থলেই বর্জ্য আলাদা করে পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

আরও পড়ুনঃ  লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের আতঙ্কের নাম সোহেল সাইদুর সিন্ডিকেট । ১৮/ ৭/ ২০২৬

 

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরীর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ধাপে ধাপে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুস্থ ও টেকসই নগরীতে পরিণত করা সম্ভব। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, মানবিক ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এই হাসপাতাল বৃহত্তর চট্টগ্রামের লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার প্রধান কেন্দ্র। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক রোগী ও স্বজনের চাপ সামলাতে গিয়ে হাসপাতালকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও সেবামনস্ক মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

 

এরপর মেয়র হাসপাতালের ডেঙ্গু ইউনিট পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের চিকিৎসার বিষয়ে তদারকি করেন।