
চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ইটভাটায় মাটি কাটা বন্ধের নির্দেশনার পরও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অবাধে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে সাতবাড়ীয়া ও দক্ষিণ হারলাসহ একাধিক এলাকায় রাতের আঁধারে মাটি কাটা ও পরিবহন চলতে দেখা গেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে সরেজমিনে সাতবাড়ীয়া ব্রিক ফিল্ড (এসবিএম)-এ গিয়ে দেখা যায়, মূল ফটক বন্ধ রাখা হলেও কৌশলে পেছনের রাস্তা দিয়ে মাটিভর্তি ডাম্পার প্রবেশ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্দেশনা উপেক্ষা করে একটি সিন্ডিকেট বেপরোয়া ভাবে মাটি কাটা ও বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে এসবিএম’র নৈশপ্রহরী জানান, “আমরা মাটি নিচ্ছি না। মাটি কাটার সিন্ডিকেট জোর করে আমাদের ফিল্ডে মাটি ফেলে যাচ্ছে। অন্যদিকে, এসবিএম’র মালিক আসহাব মিয়ার ছেলে মোবাইল ফোনে বলেন, “আজ থেকে মাটি কাটা সম্পূর্ণ বন্ধ। আমাদের ফিল্ডে কোনো মাটি নেওয়া হচ্ছে না।” তবে পরবর্তীতে নৈশপ্রহরীর বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র উঠে আসে, যেখানে বলা হয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জোরপূর্বক মাটি ফেলা হচ্ছে।এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকরা একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিছুটা তৎপরতা দেখিয়েছে। থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াছ খান জানান, রাতে অভিযান চালিয়ে ২টি ডাম্পার গাড়ী জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। জব্দকৃত গাড়ি দুটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বুঝিয়ে দিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে । তিনি বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় চন্দনাইশের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জসীম উদ্দীন আহমেদ মাটি কাটা বন্ধে যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সে অনুযায়ী আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” উল্লেখ্য, এর আগে একই দিনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম ১৪ সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জসীম উদ্দীন আহমেদ ইটভাটা মালিকদের চলতি বছরের জন্য মাটি কাটা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেন। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়ে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
Reporter Name 



























