Dhaka ০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকট ছাড়িয়েছে মানবিকতার গণ্ডি, যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিদেশে পালানোর আশঙ্কা, যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও সুরক্ষা সংবিধানে নিশ্চিত করা হবে চাঁদা না পেয়ে পিস্তল তাক, পরে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি বুড়িচংয়ের কংশনগর বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি,দুই রেস্টুরেন্টকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা খুলনায় তিন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারকে বিদায় সংবর্ধনা মসজিদের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির শিমু হত্যা মামলায় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সাক্ষ্য, আত্মপক্ষ শুনানি ২৬ অক্টোবর
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

চীন-ভারত-জাপান-কোরিয়ায় বাড়ছে রপ্তানি, এশিয়ায় নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৪০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ Time View

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি বড় বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনে বাংলাদেশ ২২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ২০ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ফলে এক বছরে চীনের বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দক্ষিণ কোরিয়াতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। অর্থাৎ রপ্তানি বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।

ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে ৫১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৪৮ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার ডলার।

জাপানের বাজারেও বেড়েছে রপ্তানি

জাপানের বাজারেও সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশটিতে বাংলাদেশ ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এশিয়ার এসব বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ইপিবির হিসাবে, জুলাই-সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

আরও পড়ুনঃ   ৬ দিন বন্ধ ১৯ ব্যাংকের কার্ড, এটিএম ও অনলাইন লেনদেন

চীন-ভারতে বড় সম্ভাবনা দেখছে ইপিবি

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বাসসকে বলেন, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ক্রেতাদের চাহিদা, নতুন পণ্য এবং সম্ভাবনাময় বাজার বিবেচনায় নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

চীনকে বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশটির বিশাল ভোক্তা বাজারে নতুন নতুন বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা তৈরির সুযোগ রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রেও ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

চীনের বাজারে পণ্য বহুমুখীকরণে ইপিবি গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে হাসান আরিফ বলেন, দেশটির বিশাল ভোক্তা বাজার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক মেলায় বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ

ইপিবির সহযোগিতায় কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালের ১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় অংশ নিয়েছে। এসব আয়োজনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ভারতের বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা কমাতে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

তৈরি পোশাকের বাইরে বাড়ছে সম্ভাবনা

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, ওষুধ এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

একইভাবে জাপানের বাজারেও এসব পণ্যের পাশাপাশি হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান হাসান আরিফ।

তিনি বলেন, এশিয়ার বাজারগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে পণ্যের মান নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট দেশের বিধিবিধান ও মানদণ্ড মেনে চলা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

বহুমুখীকরণে রপ্তানিকারকদের সহযোগিতা

রপ্তানি বাজার ও পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি বাণিজ্য মেলা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানো, বাজার অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের সহযোগিতা করছে বলেও জানান ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুনঃ  এশিয়ার বড় বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি

এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে ধারাবাহিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য প্রচলিত বাজারের বাইরে নতুন ক্রেতা ও পণ্যের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

চীন-ভারত-জাপান-কোরিয়ায় বাড়ছে রপ্তানি, এশিয়ায় নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের

সময়: ০৭:৪০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে চীন, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ কয়েকটি বড় বাজারে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি দেশের বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনে বাংলাদেশ ২২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ২০ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ফলে এক বছরে চীনের বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

দক্ষিণ কোরিয়াতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটিতে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১২ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। অর্থাৎ রপ্তানি বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।

ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দেশটিতে ৫১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে রপ্তানি হয়েছিল ৪৮ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার ডলার।

জাপানের বাজারেও বেড়েছে রপ্তানি

জাপানের বাজারেও সামান্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশটিতে বাংলাদেশ ৩৯ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের একই সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩৯ কোটি ৬১ লাখ ১০ হাজার ডলার।

এশিয়ার এসব বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ইপিবির হিসাবে, জুলাই-সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ১ হাজার ২৩১ কোটি ডলার।

আরও পড়ুনঃ  আইএমএফের শর্ত আর না মানার কথা জানালেন অর্থমন্ত্রী

চীন-ভারতে বড় সম্ভাবনা দেখছে ইপিবি

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বাসসকে বলেন, এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ক্রেতাদের চাহিদা, নতুন পণ্য এবং সম্ভাবনাময় বাজার বিবেচনায় নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

চীনকে বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশটির বিশাল ভোক্তা বাজারে নতুন নতুন বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা তৈরির সুযোগ রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রেও ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

চীনের বাজারে পণ্য বহুমুখীকরণে ইপিবি গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে হাসান আরিফ বলেন, দেশটির বিশাল ভোক্তা বাজার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের সামনে নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক মেলায় বাড়ছে ব্যবসায়িক যোগাযোগ

ইপিবির সহযোগিতায় কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালের ১০ম চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপো এবং ৩০তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় অংশ নিয়েছে। এসব আয়োজনে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বাজারের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ভারতের বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর ক্ষেত্রে শুল্ক ও অশুল্ক বাধাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান। তবে এসব প্রতিবন্ধকতা কমাতে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

তৈরি পোশাকের বাইরে বাড়ছে সম্ভাবনা

দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়াজাত পণ্য, জুতা, পাটজাত পণ্য, গৃহসজ্জার বস্ত্র, ওষুধ এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

একইভাবে জাপানের বাজারেও এসব পণ্যের পাশাপাশি হালকা প্রকৌশল পণ্য রপ্তানি সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান হাসান আরিফ।

তিনি বলেন, এশিয়ার বাজারগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে পণ্যের মান নিশ্চিত করা, সংশ্লিষ্ট দেশের বিধিবিধান ও মানদণ্ড মেনে চলা, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং বাজারের চাহিদা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা জরুরি।

বহুমুখীকরণে রপ্তানিকারকদের সহযোগিতা

রপ্তানি বাজার ও পণ্যের বহুমুখীকরণে ইপিবি বাণিজ্য মেলা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল পাঠানো, বাজার অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন প্রচারমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের সহযোগিতা করছে বলেও জানান ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুনঃ  এশিয়ার বড় বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি

এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে ধারাবাহিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের জন্য প্রচলিত বাজারের বাইরে নতুন ক্রেতা ও পণ্যের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।