
মোশারফ হোসেন জসিম পাঠানঃ
নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলাধীন ধলামূলগাও গ্রামের জমি-জমা ও বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। বর্তমানে গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
সূত্রে জানা যায়, গত ০৪/০৭/২০২৬ ইং তারিখ সকালে পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মৃত হাজী নওয়াব আলীর ছেলে মোঃ দুলাল মিয়া তার লোকজন নিয়ে পরিকল্পিতভাবে জমি দখল করতে গেলে, একই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেন সোহেল বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুলাল গংরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের মহিলা-সহ প্রায় ১০ জন আহত হন।
গ্রামের লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোঃ দুলাল মিয়ার ছেলে মোঃ দিলন মিয়া বাদী হয়ে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে প্রতিপক্ষ মোঃ আনোয়ার হোসেন সোহেলসহ ৭ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগটি থানায় গৃহীত হয়, যার পূর্বধলা থানার মামলা নং ১১/১৮৯।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো গ্রাম ও এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকগণ ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরেজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এরই জের ধরে উল্লেখিত তারিখে এই ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে, মোঃ ইমতিয়াজ মামুন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এতে প্রতিপক্ষ মোঃ দিলন মিয়াসহ ৭ জনকে আসামি করা হয়। পূর্বধলা থানার মামলা নং ১৫/১৯৩।
উভয় পক্ষই আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য থানা পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এখন পর্যন্ত থানা পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের পদক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ।
Reporter Name 
























