Dhaka ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মাছচাষিদের দিল প্রশিক্ষণ নরসিংদীর শিবপুরে গাছের চারা রোপণ করেন মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি ও অধিকার রক্ষায় মিডিয়া অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়া পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দনাইশ থানা অফিসার ইনচার্জ এর সাথে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কালিগঞ্জের মহসিন আলীর মৃত্যু, এলাকায় শোক বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সাফল্যে অভিনন্দন দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের উদ্যোগে রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আনন্দ মিছিলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে উপস্থিত জসিম হাওলাদারের তীব্র গরমে বেড়েছে তালের শাঁসের চাহিদা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পহেলা বৈশাখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৬ Time View

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ:


“মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’

প্রিয় দেশবাসী,
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

বাঙালির জাতীয় ঐতিহ্যের প্রধান উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিন নতুনের বার্তা নিয়ে দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতা ভুলে সবাই জেগে ওঠে আনন্দে।ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতির এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এটি এখন বৈশ্বিক বাঙালির প্রাণের উৎসব। পরাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি সরকার বাঙালিকে শেকড়চ্যুত করার কৌশল হিসেবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বাধা দিয়েছিল। বাধা দিয়েছিল বাংলা ভাষার প্রধান লেখক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনেও। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ হয়ে ওঠে বাঙালির জাতীয় জাগরণ ও বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা এখন বিশ্ব-ঐতিহ্যের অংশ। আওয়ামী লীগ সরকারের চেষ্টায় ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমাদের সরকার চাকরিজীবীদের ‘বৈশাখী ভাতা’চালু করে। আমরা দেখছি, স্বাধীনতাবিরোধী ও অসাংবিধানিক সরকার বাঙালির এই উৎসবকে ধ্বংস করতে তৎপর ছিল, যা এখনও চলমান। তারা মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। তৎকালীন বাংলার নতুন ফসল ঘরে তোলার সূত্র ধরে আবহমান কাল ধরে গড়ে ওঠা লোকজ ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে কৃষিভিত্তিক সমাজের অর্থ বর্ষ গণনাই কালক্রমে নতুন বছরের উৎসব হয়ে ওঠে। চীন, ইরাননহ দেশে দেশে নতুন বছরের উৎসবই দেশের প্রধান উৎসব হয়ে আছে। বৈশাখী উৎসব এই নৃতাত্ত্বিক ধারারই আরেকটি স্মারক। ধর্মকে পুঁজি করে এই উৎসবকে বাধাদান ভেদবুদ্ধিরই নামান্তর।

প্রিয় দেশবাসী,
আমরা বিশ্বাস করি বৈশাখী উৎসব উদযাপনের অগ্রযাত্রায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ফিরবে।
সবাইকে আবারো নববর্ষের শুভেচ্ছা।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

আরও পড়ুনঃ  বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টির জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণ-সমাবেশ ও বিক্ষোভ
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ব্র্যাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ মানিকগঞ্জের শিবালয়ে মাছচাষিদের দিল প্রশিক্ষণ

পহেলা বৈশাখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা

সময়: ০৭:১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

 

হাকিকুল ইসলাম খোকন, বাপসনিউজ:


“মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’

প্রিয় দেশবাসী,
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

বাঙালির জাতীয় ঐতিহ্যের প্রধান উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিন নতুনের বার্তা নিয়ে দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতা ভুলে সবাই জেগে ওঠে আনন্দে।ফসলি সন হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতির এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এটি এখন বৈশ্বিক বাঙালির প্রাণের উৎসব। পরাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি সরকার বাঙালিকে শেকড়চ্যুত করার কৌশল হিসেবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বাধা দিয়েছিল। বাধা দিয়েছিল বাংলা ভাষার প্রধান লেখক বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনেও। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ হয়ে ওঠে বাঙালির জাতীয় জাগরণ ও বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা এখন বিশ্ব-ঐতিহ্যের অংশ। আওয়ামী লীগ সরকারের চেষ্টায় ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমাদের সরকার চাকরিজীবীদের ‘বৈশাখী ভাতা’চালু করে। আমরা দেখছি, স্বাধীনতাবিরোধী ও অসাংবিধানিক সরকার বাঙালির এই উৎসবকে ধ্বংস করতে তৎপর ছিল, যা এখনও চলমান। তারা মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। তৎকালীন বাংলার নতুন ফসল ঘরে তোলার সূত্র ধরে আবহমান কাল ধরে গড়ে ওঠা লোকজ ঐতিহ্যকে অনুসরণ করে কৃষিভিত্তিক সমাজের অর্থ বর্ষ গণনাই কালক্রমে নতুন বছরের উৎসব হয়ে ওঠে। চীন, ইরাননহ দেশে দেশে নতুন বছরের উৎসবই দেশের প্রধান উৎসব হয়ে আছে। বৈশাখী উৎসব এই নৃতাত্ত্বিক ধারারই আরেকটি স্মারক। ধর্মকে পুঁজি করে এই উৎসবকে বাধাদান ভেদবুদ্ধিরই নামান্তর।

প্রিয় দেশবাসী,
আমরা বিশ্বাস করি বৈশাখী উৎসব উদযাপনের অগ্রযাত্রায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ফিরবে।
সবাইকে আবারো নববর্ষের শুভেচ্ছা।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
আঁধার কেটে ভোর হোক
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

আরও পড়ুনঃ  প্রশাসনের দুর্বল উদ্যোগে চরম ভোগান্তিতে মণিরামপুর, যানজটে অতিষ্ঠ উপজেলা সদর