Dhaka ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চাঁদপুরে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ শারীরিক প্রতিবন্ধী ফাহিম, সন্ধান চায় পরিবার ডিমলায় ফ্যামিলি কার্ড বিষয় প্রেস কনফারেন্স সভা সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বাবার লাশ দাফনে বাধা পাইকগাছায় কন্যাশিশু দিবস পালিত, বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ কালীগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদযাপিত বুড়িচংয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত সাভারে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ, সমাধান কোথায়? জিপার ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি কিশোর বাবুর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ধর্মপাশায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য কাজলের রহস্যজনক মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন বুড়িচংয়ে জাতীয় কন্যাশিশু দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ সাপাহারে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

পীরগাছায় অন্যের লাইসেন্স নম্বর ব্যবহার করে দলিল রেজিস্ট্রির অভিযোগ আবেদুলের বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রংপুরের পীরগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অন্য দলিল লেখকের লাইসেন্স নম্বর ব্যবহার করে জমি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ উঠেছে দলিল লেখক মো. আবেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আদালতে জমি নিয়ে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিতর্কিত সম্পত্তি পুনরায় রেজিস্ট্রি করার অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. আব্দুস সোবহান।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, পীরগাছা উপজেলার অভিরাম গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে মো. আব্দুস সোবহান ১৯৯১ সালে ৫৫৭৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ৫.৫০ শতক জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, জমিটির বিক্রেতা মো. জহুরুল ইসলাম ১৯৮৯ সালেই একই জমি তাঁর স্ত্রী মোছা. গুলশানারা বেগমের নামে হেবা দলিল করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন আব্দুস সোবহান। তাঁর দায়ের করা ৩১৮/২৫ নম্বর মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ৪৯৭৮ নম্বর দলিলের মাধ্যমে বিতর্কিত জমিটি পুনরায় রেজিস্ট্রি করা হয়। এ ঘটনায় দলিল লেখক মো. আবেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অন্যের লাইসেন্স নম্বর ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ অনুযায়ী, আবেদুল ইসলামের নিজস্ব লাইসেন্স নম্বর ৯৫ হলেও সংশ্লিষ্ট দলিল সম্পাদনের কাজে আজিজ মুহুরী নামের অপর এক দলিল লেখকের ৬৬ নম্বর লাইসেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লাইসেন্স রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট দলিলের নথি যাচাই করে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ভুক্তভোগী মো. আব্দুস সোবহান অভিযোগ করেন, আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিতর্কিত জমি পুনরায় রেজিস্ট্রি হওয়ায় তিনি সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে লাইসেন্স ও দলিল-সংক্রান্ত অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  রংপুরে চার খুনে খেজুর, শসা ও সিগারেটে দুই আসামির ডিএনএ মিল

এ বিষয়ে অভিযুক্ত দলিল লেখক মো. আবেদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অন্যদিকে, পীরগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট দলিল ও লাইসেন্সের রেকর্ড পরীক্ষা এবং বিচারাধীন মামলার নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চাঁদপুরে ৫ দিন ধরে নিখোঁজ শারীরিক প্রতিবন্ধী ফাহিম, সন্ধান চায় পরিবার

পীরগাছায় অন্যের লাইসেন্স নম্বর ব্যবহার করে দলিল রেজিস্ট্রির অভিযোগ আবেদুলের বিরুদ্ধে

সময়: ১১:০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি:

রংপুরের পীরগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অন্য দলিল লেখকের লাইসেন্স নম্বর ব্যবহার করে জমি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ উঠেছে দলিল লেখক মো. আবেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আদালতে জমি নিয়ে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিতর্কিত সম্পত্তি পুনরায় রেজিস্ট্রি করার অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. আব্দুস সোবহান।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, পীরগাছা উপজেলার অভিরাম গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুছের ছেলে মো. আব্দুস সোবহান ১৯৯১ সালে ৫৫৭৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ৫.৫০ শতক জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, জমিটির বিক্রেতা মো. জহুরুল ইসলাম ১৯৮৯ সালেই একই জমি তাঁর স্ত্রী মোছা. গুলশানারা বেগমের নামে হেবা দলিল করে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন আব্দুস সোবহান। তাঁর দায়ের করা ৩১৮/২৫ নম্বর মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ৪৯৭৮ নম্বর দলিলের মাধ্যমে বিতর্কিত জমিটি পুনরায় রেজিস্ট্রি করা হয়। এ ঘটনায় দলিল লেখক মো. আবেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অন্যের লাইসেন্স নম্বর ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ অনুযায়ী, আবেদুল ইসলামের নিজস্ব লাইসেন্স নম্বর ৯৫ হলেও সংশ্লিষ্ট দলিল সম্পাদনের কাজে আজিজ মুহুরী নামের অপর এক দলিল লেখকের ৬৬ নম্বর লাইসেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। তবে লাইসেন্স রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট দলিলের নথি যাচাই করে অভিযোগটির সত্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ভুক্তভোগী মো. আব্দুস সোবহান অভিযোগ করেন, আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় বিতর্কিত জমি পুনরায় রেজিস্ট্রি হওয়ায় তিনি সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে লাইসেন্স ও দলিল-সংক্রান্ত অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ  সুনামগঞ্জ সীমান্তে মাদক ব্যবসার অভিযোগে নারী আটক

এ বিষয়ে অভিযুক্ত দলিল লেখক মো. আবেদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অন্যদিকে, পীরগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট দলিল ও লাইসেন্সের রেকর্ড পরীক্ষা এবং বিচারাধীন মামলার নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।