সরোয়ারের,
বিশেষ প্রতিনিধি:
কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা কারবারকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছে কথিত সরোয়ার সিন্ডিকেট। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র নানা অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে কিছু ব্যক্তি নিজেদের প্রভাবশালী হিসেবে উপস্থাপন করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এর সুযোগ নিয়ে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানে একের পর এক ইয়াবা উদ্ধার এবং মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করা হলেও, কথিত গডফাদারদের বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সীমান্ত এলাকায় মাদক নির্মূলে শুধু বাহক বা খুচরা কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই হবে না; বরং মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী, অর্থদাতা ও প্রভাবশালীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে কেউ যেন ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারির দাবি জানান তারা।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সরোয়ারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
Reporter Name 
























