
রিপোর্টার মোনতাহেরুল হক আমিন – বাঁশখালী প্রতিনিধি।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদানকারী ব্যক্তিদের সম্মাননা জানিয়েছে বাঁশখালী প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন।
২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল, সমাজের অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুঃসময়ে যাঁরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া এবং অন্যদেরও মানবকল্যাণমূলক কাজে উৎসাহিত করা।
বাঁশখালী প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সমন্বয়ক মাওলানা ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল হক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব কামরুল ইসলাম হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল, অ্যাডভোকেট শওকত ওসমান, আমিন মুহাম্মাদ আব্দুল মান্নান চৌধুরী, রোকসানা আক্তার, মাওলানা মুজিবুর রহমান এমএ, আলহাজ্ব ফরহানউদ্দিন আল রাজী, ওমর ফারুক, কামাল উদ্দিন, মাহাবুল আলম সিকদার, তারেকুল ইসলাম, মাওলানা রাশেদুল ইসলাম নোমান এবং সাংবাদিক আব্দুল মতলব কালু।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মানুষের বিপদের সময়ে পাশে দাঁড়ানো, অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য যাঁরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি অন্যদেরও মানবসেবায় এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় তাঁর মানবিকতা এবং অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতায়। সমাজের বিত্তবান, প্রবাসী ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা সম্মিলিতভাবে এগিয়ে এলে অসহায় পরিবারগুলোর দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব। মানবিক কাজের স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মকেও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, বাঁশখালী প্রবাসী মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে মানবিক কর্মকাণ্ডকে আরও উৎসাহিত করবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা, সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
মানবতার কল্যাণে যাঁরা নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের সম্মান জানানো এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই ইতিবাচক ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
Reporter Name 



























