Dhaka ১১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান, হামলার ছবি-ভিডিও ধারণ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশে নিষেধ পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আসছে রোববার, জানা গেল বিলম্বের কারণ দুবাইয়ে ৭৩ বাংলাদেশির সম্পদের তথ্য চাবে দুদক ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা-মস্কো সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ, রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক কক্সবাজারে দীঘির নতুন লুক, ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রশংসা সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০ নিজ বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, ৩ বছরের কন্যাসহ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খুন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বাঘাইছড়িতে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও ভিক্টিম সাপোর্ট বিষয়ক জনসচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত


‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বাংলাদেশ পুলিশ, বাঘাইছড়ি থানার আয়োজনে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিষেবা বিষয়ক জনসচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বাঘাইছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহামুদুল হাসান।

‎এসময় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ খাঁজা।

‎এছাড়াও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নারী নেত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,“জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিক্টিম সাপোর্ট”—যা আমাদের সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শুধু কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, বরং এটি গোটা সমাজ ও জাতির অগ্রযাত্রার অন্তরায়। নারী, শিশু বা পুরুষ—যে কেউ এর শিকার হতে পারে। বিশেষ করে আমাদের নারীরা ও কন্যাশিশুরা প্রায়শই এই সহিংসতার শিকার হয়ে থাকে।

‎এসময় বক্তারা আরো বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতনতা। আমরা যদি পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে পারি, তবে এ ধরনের সহিংসতা অনেকাংশে কমে যাবে। যারা ইতিমধ্যে সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। ভিক্টিমদের সহায়তা, মানসিক সমর্থন, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সর্বোপরি সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ১ বিলিয়ন ডলার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা

বাঘাইছড়িতে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও ভিক্টিম সাপোর্ট বিষয়ক জনসচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

সময়: ০৬:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫


‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধিঃ রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বাংলাদেশ পুলিশ, বাঘাইছড়ি থানার আয়োজনে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিষেবা বিষয়ক জনসচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বাঘাইছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহামুদুল হাসান।

‎এসময় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ খাঁজা।

‎এছাড়াও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নারী নেত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,“জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিক্টিম সাপোর্ট”—যা আমাদের সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শুধু কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, বরং এটি গোটা সমাজ ও জাতির অগ্রযাত্রার অন্তরায়। নারী, শিশু বা পুরুষ—যে কেউ এর শিকার হতে পারে। বিশেষ করে আমাদের নারীরা ও কন্যাশিশুরা প্রায়শই এই সহিংসতার শিকার হয়ে থাকে।

‎এসময় বক্তারা আরো বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতনতা। আমরা যদি পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে পারি, তবে এ ধরনের সহিংসতা অনেকাংশে কমে যাবে। যারা ইতিমধ্যে সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। ভিক্টিমদের সহায়তা, মানসিক সমর্থন, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সর্বোপরি সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা-মস্কো সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ, রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক