
গোকুল চন্দ্র রায়, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ছয়টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোশারফ হোসেন ওরফে মশিউর (৩৮) নামে চোর চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বীরগঞ্জ সার্কেল) শাওন কুমার সরকার।
গ্রেপ্তার মোশারফ হোসেন উপজেলার ৪নং পাল্টাপুর ইউনিয়নের বাছারগ্রাম এলাকার মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বীরগঞ্জ থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার জয়ন্তিয়া ঘাটপাড় এলাকার একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালায়।
সেখানে বৈধ কাগজপত্র বা লাইসেন্সবিহীন ছয়টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা এই মোটরসাইকেলগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ছয় লাখ ৩০ হাজার টাকা। মোটরসাইকেল কেনাবেচার আড়ালে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির তথ্য পেয়ে বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মোশারফ হোসেন ওরফে মশিউরকে আটক করা হলেও তার সঙ্গে থাকা দুই থেকে তিনজন চোর সদস্য পালিয়ে যায়।
পরে আটক মোশারফকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ছয়টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাওন কুমার সরকার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফ মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তার দেওয়া তথ্যমতে, দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার শাহপাড়া গ্রামের নেফাউরের ছেলে মোঃ গোলাপ (৪৫)সহ আরও দুই থেকে তিনজন সহযোগী এ চক্রের সঙ্গে জড়িত। তারা আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে কৌশলে মোটরসাইকেল চুরি করে কম দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
চোর চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং চুরির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য মোটরসাইকেল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার মোশারফকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মোঃ আক্তারুজ্জামান সরকার, বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম, এসআই জাহাঙ্গীর বাদশা রনি, এসআই দেবাশীষ চন্দ্র বর্মনসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
Reporter Name 






















