ক্রাইম রিপোর্টার, বাংলাদেশ
ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলাধীন মরিচারচর টানমলামরী গ্রামের শিপন হত্যা মামলার বাদী আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রে জানা যায়, গত ৩১/০৫/২০২৬ ইং, রোজ রবিবার, প্রায় দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে শিপনের ওপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় পার্শ্ববর্তী চর আলগী আটাপাড়া গ্রামের প্রতিপক্ষ মৃত শামছুল ইসলামের ছেলে মোঃ আশিকুর রহমান আশিকসহ তার লোকজন। এ সময় শিপনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
আহত ব্যক্তিদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কবল থেকে তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক আহত শিপনকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিজ বাড়িতে এনে দাফন-কাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোঃ রমজান আলী বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতিপক্ষ মোঃ আনোয়ারুল হাসান খান (সেলিম)সহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়। ঈশ্বরগঞ্জ থানার মামলা নং-৭।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা তথ্য সংগ্রহের জন্য সরেজমিনে গেলে গ্রামবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঈদের দিন বিকেলে আপন ভাই ও বোন বালুঘাটে ঘুরতে যান। এ সময় আশিকুর রহমান আশিক তার দলবল নিয়ে মেয়েটিকে অশালীন ভাষায় কথাবার্তা বলেন। বিষয়টির প্রতিবাদ করলে মেয়েটির ভাইকে মারধর করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বর্তমানে মামলার বাদী ও তার পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন।
Reporter Name 












