
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে দুই পক্ষের বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন রবিউল ইসলাম নামের এক যুবক। অভিযোগ উঠেছে, সারপুকুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রইসবাগ কেরামতিয়া দাখিল মাদ্রাসার অফিস সহকারী মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। এতে রবিউল গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে সারপুকুর ইউনিয়নের টেপারবাজার এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিজানুর রহমান মিজানের সঙ্গে একই এলাকার আতোয়ার রহমানের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় যুবক রবিউল ইসলাম এগিয়ে এসে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন এবং বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করেন।
তবে অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পরদিন ১৫ মে একই ইউনিয়নের লকডাউন বাজার এলাকায় রবিউলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল লোহার রড, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা করে। এতে রবিউলের একটি পা দুই স্থানে ভেঙে যায়, অপর পায়েও গুরুতর আঘাত লাগে। এছাড়া তার বাম হাতেও গুরুতর জখম হয়।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় রবিউলের পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগের বিষয়ে মিজানুর রহমান মিজান হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, “রবিউল দৌড়ে পালানোর সময় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন।”
তবে তার এই বক্তব্য নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অনেকে বলছেন, একটি বিরোধ মীমাংসা করতে গিয়ে যদি কাউকে এমন নির্মম পরিণতির শিকার হতে হয়, তবে তা সমাজের জন্য উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।
Reporter Name 




























