Dhaka ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে ১৫৯ অভিযোগের অধিকাংশই ভিত্তিহীন, তদন্তে মিলল সত্যতা চট্টগ্রাম-১০ আসন: গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন ​পোড়াকলোনী ৩ নং গলির রাস্তার ঢালাই কাজের শুভ সমাপ্তি যাদুকাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন: ৬ মাসে ৬৬ মামলা, গ্রেপ্তার ৬০ শহীদদের স্মরণে,– অমর একুশে জুলাই পালিত হলো টিএম টেক্সটাইল পরিদর্শনে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এসপি রাঙ্গাবালীতে অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ও বেহুন্দি জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয় পাঁচবিবির কৃতি সন্তান সেনা সদস্য সার্জেন্ট আরাফাত হোসেন রাজুর দাফন সম্পন্ন পূর্বধলায় চুরি ঘটনা কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ থানার অভিযোগ নবীনগর সেমন্তঘরের ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ,ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর পাশে মানবিক সহানুভূতির হাত:নগদ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল কার্ড দেখানোর হুঁশিয়ার: কুড়িগ্রামে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে ১৫৯ অভিযোগের অধিকাংশই ভিত্তিহীন, তদন্তে মিলল সত্যতা

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৩১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৬ Time View

আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:

 

অনুসন্ধানী সাংবাদিক মোঃ খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে গত ১৭ মাসে দায়ের করা ১৫৯টি অভিযোগের অধিকাংশই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পৃথক তদন্তে অভিযোগগুলোর সিংহভাগের সত্যতা না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শহিদুল ইসলামের করা এসব অভিযোগের বেশিরভাগই তদন্ত শেষে খারিজ বা অসত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিককে পরিকল্পিতভাবে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে।

 

খায়রুল আলম রফিক দাবি করেন, গত ১১ বছরে তিনি দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, অর্থপাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো বিষয়ে প্রায় ৯০০টি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। এসব প্রতিবেদনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন ধারায় ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৪৪টি মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে এবং একটি মামলায় তিনি তিন বছরের সাজা পান। এসব মামলার কারণে তাঁকে ২১ বার গ্রেপ্তার হতে হয় এবং প্রায় এক বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনবার নির্যাতনেরও শিকার হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন,

“আমি সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা করেছি। নানা ধরনের হয়রানি, মামলা ও নির্যাতনের মুখেও সত্য প্রকাশের পথ থেকে সরে আসিনি। প্রতিটি আইনি লড়াই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই করেছি। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করায় পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ধন্যবাদ জানাই।”

 

এদিকে অভিযোগকারী মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও অতীতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি মানহানির মামলায় ২০২৬ সালের ৫ মার্চ পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  চরভদ্রাসনে খাল কাটা কর্মসূচিতে ‘ভূতুড়ে শ্রমিক’ অভিযোগ, তদন্তের দাবি

 

এ ঘটনায় সুশীল সমাজের অনেকের মতে, কোনো ব্যক্তি বা সাংবাদিককে হয়রানির উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন মামলা বা অভিযোগ দায়েরের প্রবণতা আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

 

বর্তমানে মোঃ খায়রুল আলম রফিক দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডি২৪লাইভ-এর বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগ, মামলা ও তদন্ত-সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিচারাধীন বা বিতর্কিত বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে ১৫৯ অভিযোগের অধিকাংশই ভিত্তিহীন, তদন্তে মিলল সত্যতা

সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে ১৫৯ অভিযোগের অধিকাংশই ভিত্তিহীন, তদন্তে মিলল সত্যতা

সময়: ১০:৩১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

আবুল কালাম আজাদ, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:

 

অনুসন্ধানী সাংবাদিক মোঃ খায়রুল আলম রফিকের বিরুদ্ধে গত ১৭ মাসে দায়ের করা ১৫৯টি অভিযোগের অধিকাংশই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পৃথক তদন্তে অভিযোগগুলোর সিংহভাগের সত্যতা না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ শহিদুল ইসলামের করা এসব অভিযোগের বেশিরভাগই তদন্ত শেষে খারিজ বা অসত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিককে পরিকল্পিতভাবে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে।

 

খায়রুল আলম রফিক দাবি করেন, গত ১১ বছরে তিনি দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাস, অর্থপাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো বিষয়ে প্রায় ৯০০টি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। এসব প্রতিবেদনের কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন ধারায় ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে ৪৪টি মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে এবং একটি মামলায় তিনি তিন বছরের সাজা পান। এসব মামলার কারণে তাঁকে ২১ বার গ্রেপ্তার হতে হয় এবং প্রায় এক বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনবার নির্যাতনেরও শিকার হয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

 

তিনি বলেন,

“আমি সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা করেছি। নানা ধরনের হয়রানি, মামলা ও নির্যাতনের মুখেও সত্য প্রকাশের পথ থেকে সরে আসিনি। প্রতিটি আইনি লড়াই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই করেছি। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করায় পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ধন্যবাদ জানাই।”

 

এদিকে অভিযোগকারী মোঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও অতীতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি মানহানির মামলায় ২০২৬ সালের ৫ মার্চ পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  চন্দনাইশ সমিতি-ইউএই এর উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

 

এ ঘটনায় সুশীল সমাজের অনেকের মতে, কোনো ব্যক্তি বা সাংবাদিককে হয়রানির উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন মামলা বা অভিযোগ দায়েরের প্রবণতা আইনের শাসনের পরিপন্থী। তারা বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

 

বর্তমানে মোঃ খায়রুল আলম রফিক দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডি২৪লাইভ-এর বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

এই প্রতিবেদনে বর্ণিত অভিযোগ, মামলা ও তদন্ত-সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ও প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিচারাধীন বা বিতর্কিত বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায়ই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।