Dhaka ১২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন: তরুণ শক্তির কাছে হার মানল অভিজ্ঞতা চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ত্রাণ ও আর্থিক সাহায্য নিয়ে হাজির খুলনার জুলাই কন্যারা ২১ জুলাই মৃত্যুঞ্জয়ী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহের বীরউত্তম এর ৫০তম হত্যাদিবস পালন করবে জাসদ একুশে জুলাই শহীদ দিবসের প্রস্তুতির মুহূর্তে, প্রচন্ড বর্ষণে কলকাতা ভাসালো প্রবাসী কার্ড ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবি নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা আজ সাতক্ষীরায় কানের দুলের লোভে শিশুকে অপহরণ করে হত্যা, ঘাতক মহিলাকে গণধোলাইয়ে হত্যা মাওলানা সাইফুল ইসলামের মুক্তি, মামলা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে পৃথক অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩!! চাঁদা না পেয়ে কাজ বন্ধ ও ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকি মামলা হলেও ব্যবস্থা নিতে অজানা কারণে ব্যর্থ প্রশাসন কুষ্টিয়ায় চারদিন ছাত্রাবাসে আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক-০১
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সিজেকেএসে নির্বাচনী হাওয়া, তফসিলের অপেক্ষায় চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:৪৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮৫ Time View

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর,


দীর্ঘদিনের স্থবিরতা, হতাশা আর মাঠে খেলা না থাকার গুমোট পরিবেশ পেছনে ফেলে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে এখন বইছে নির্বাচনী হাওয়া। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) পুরানো কমিটি ভেঙে দিলে জেলা প্রশাসন সিজেকেএসের নতুন অ্যাডহক কমিটি প্রস্তাব করে।

এরপর থেকেই স্টেডিয়াম অঙ্গনে একটাই আলোচনা-কবে আসছে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনের তফসিল, আর কবে ফিরবে খেলাধুলায় প্রাণচাঞ্চল্য।
গত ১০ মার্চ এনএসসি পূর্বের অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে।

পরে ১৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে সাত সদস্যের নতুন অ্যাডহক কমিটি প্রস্তাব করা হয়। ওই কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব আগামী ৯০ দিনের মধ্যে, অথবা দ্রুততম সময়ে, সিজেকেএস নির্বাচন আয়োজন করা।

একই প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম জেলা ছাড়াও জেলার ১৫ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটিও প্রস্তাব করা হয়।
নতুন এই বাস্তবতায় চট্টগ্রামের ক্রীড়া সংগঠক, ক্লাব প্রতিনিধি ও খেলোয়াড়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।

অনেকের মতে, দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা ও সাংগঠনিক দুর্বলতায় মাঠের খেলাধুলা প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। নিয়মিত প্রতিযোগিতা না থাকায় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সেও পড়েছে প্রভাব। ফলে একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
এনএসসির নিয়ম অনুযায়ী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন আয়োজনের আগে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এরপরই হবে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন। ফলে জেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে কয়েকটি সাংগঠনিক ধাপ শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সদ্য প্রস্তাবিত সিজেকেএস অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য জেলা প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ক্রীড়া সংগঠকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় অ্যাডহক কমিটি গঠন হলেও মাঠের কার্যক্রমে খুব বেশি গতি আসেনি। সেই প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামে সম্ভাব্য নির্বাচনকে ঘিরে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ক্রীড়া সংগঠকদের বিশ্বাস, নির্বাচিত নেতৃত্বই পারে স্থবির ক্রীড়াঙ্গনে গতি ফেরাতে এবং হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্বকাপ জিতে ৬১৬ কোটি টাকার মালিক স্পেন, আর্জেন্টিনার ঘরে ৪০৬ কোটি

অনেক সংগঠক মনে করছেন, শুধু নির্বাচন করলেই হবে না; শক্তিশালী সাব-কমিটি গঠন করে সেখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা সাবেক ক্রীড়াবিদদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলেই পরিকল্পিতভাবে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতারসহ সব খেলায় নতুন প্রাণ ফিরবে।

দীর্ঘদিনের হতাশা পেরিয়ে এখন চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে একটাই প্রশ্ন-তফসিল কবে? আর সেই উত্তরেই লুকিয়ে আছে মাঠে খেলা ফেরার নতুন স্বপ্ন।

এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে স্টেডিয়ামপাড়ায় ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। কেউ কেউ প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আবার অনেকে তফসিল ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও অনেকেই এখনো কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি। তবু সর্বত্রই এখন নির্বাচনী আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদ ঘিরে সবচেয়ে বেশি চর্চা চলছে।

এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগ্রহ দেখিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিজেকেএস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ক্রীড়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, চট্টগ্রাম জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক ফুটবলার এস এম শহিদুল ইসলাম, ক্রীড়া সংগঠক মো. মশিউল আলম

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন: তরুণ শক্তির কাছে হার মানল অভিজ্ঞতা

সিজেকেএসে নির্বাচনী হাওয়া, তফসিলের অপেক্ষায় চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গন

সময়: ১২:৪৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার:
ফটো চিএে, আপোষ জয়ধর,


দীর্ঘদিনের স্থবিরতা, হতাশা আর মাঠে খেলা না থাকার গুমোট পরিবেশ পেছনে ফেলে চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে এখন বইছে নির্বাচনী হাওয়া। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) পুরানো কমিটি ভেঙে দিলে জেলা প্রশাসন সিজেকেএসের নতুন অ্যাডহক কমিটি প্রস্তাব করে।

এরপর থেকেই স্টেডিয়াম অঙ্গনে একটাই আলোচনা-কবে আসছে বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনের তফসিল, আর কবে ফিরবে খেলাধুলায় প্রাণচাঞ্চল্য।
গত ১০ মার্চ এনএসসি পূর্বের অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে।

পরে ১৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে সাত সদস্যের নতুন অ্যাডহক কমিটি প্রস্তাব করা হয়। ওই কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব আগামী ৯০ দিনের মধ্যে, অথবা দ্রুততম সময়ে, সিজেকেএস নির্বাচন আয়োজন করা।

একই প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম জেলা ছাড়াও জেলার ১৫ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটিও প্রস্তাব করা হয়।
নতুন এই বাস্তবতায় চট্টগ্রামের ক্রীড়া সংগঠক, ক্লাব প্রতিনিধি ও খেলোয়াড়দের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।

অনেকের মতে, দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা ও সাংগঠনিক দুর্বলতায় মাঠের খেলাধুলা প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। নিয়মিত প্রতিযোগিতা না থাকায় খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সেও পড়েছে প্রভাব। ফলে একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
এনএসসির নিয়ম অনুযায়ী, জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন আয়োজনের আগে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এরপরই হবে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন। ফলে জেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে কয়েকটি সাংগঠনিক ধাপ শেষ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

জেলা প্রশাসনের সদ্য প্রস্তাবিত সিজেকেএস অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য জেলা প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ক্রীড়া সংগঠকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় অ্যাডহক কমিটি গঠন হলেও মাঠের কার্যক্রমে খুব বেশি গতি আসেনি। সেই প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামে সম্ভাব্য নির্বাচনকে ঘিরে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। ক্রীড়া সংগঠকদের বিশ্বাস, নির্বাচিত নেতৃত্বই পারে স্থবির ক্রীড়াঙ্গনে গতি ফেরাতে এবং হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে।

আরও পড়ুনঃ 

অনেক সংগঠক মনে করছেন, শুধু নির্বাচন করলেই হবে না; শক্তিশালী সাব-কমিটি গঠন করে সেখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা সাবেক ক্রীড়াবিদদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। তাহলেই পরিকল্পিতভাবে ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, অ্যাথলেটিক্স, সাঁতারসহ সব খেলায় নতুন প্রাণ ফিরবে।

দীর্ঘদিনের হতাশা পেরিয়ে এখন চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে একটাই প্রশ্ন-তফসিল কবে? আর সেই উত্তরেই লুকিয়ে আছে মাঠে খেলা ফেরার নতুন স্বপ্ন।

এদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে স্টেডিয়ামপাড়ায় ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। কেউ কেউ প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আবার অনেকে তফসিল ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও অনেকেই এখনো কোন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি। তবু সর্বত্রই এখন নির্বাচনী আলোচনা প্রাধান্য পাচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ সম্পাদক পদ ঘিরে সবচেয়ে বেশি চর্চা চলছে।

এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগ্রহ দেখিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিজেকেএস’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ক্রীড়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম, চট্টগ্রাম জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক ফুটবলার এস এম শহিদুল ইসলাম, ক্রীড়া সংগঠক মো. মশিউল আলম