Dhaka ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে ভালো বেতনের চাকুরির দেওয়ার প্রলোভন দেকিয়ে নোয়াখালীর যুবক কে কালীগঞ্জে ডেকে এনে অপহরণ করে মুক্তি পনের জন্য নির্যাতন চার যুবক আটক বুড়িচংয়ে ৩ হাজার ৩৩০ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মরিচ ক্ষেতে ১০ ফুট লম্বা গাঁজা গাছ উদ্ধার, কৃষকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি জামালপুর বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত- জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে জুলাই যোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন। আদর্শিক ও সাংগঠনিক উন্নয়নে মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলনের তালিম কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ‎সুপার ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করে পুরাইকলা সবুজ বাংলা একাডেমির মুখ উজ্জ্বল করল সিদরাতুল মুনতাহা লামিয়া আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে কাজের প্রত্যয় কালিগঞ্জ থানায় নতুন ওসি শহিদুল ইসলাম বিশ্বম্ভরপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ভূট্টা উদ্ধার, গ্রেফতার ৫
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেল রাজশাহীর টুলি বেগম

 

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি:


রাজশাহীর এক কোণে, বড়গাছি মালপাড়া আশ্রয় কেন্দ্রের পাশেই প্রতিদিন জীবনের সঙ্গে লড়াই করেন মেয়ে মানুষ টুলি বেগম। বয়সের ভার, সংসারের কষ্ট আর আপনজনের অবহেলা-সবকিছুকে সঙ্গী করে তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অটোরিকশা। সন্তানরা খোঁজ নেয় না, তবুও থেমে থাকেননি তিনি। নিজের ঘামেই বাঁচিয়ে রেখেছেন সংসারের চাকা।

এই সংগ্রামী মায়ের গল্প যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়, তা পৌঁছে যায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ পর্যায়েও। মানবিক সেই আবেদন স্পর্শ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় টুলি বেগমের জীবনে এক নতুন অধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল ছুটে আসে তার দরজায়। ছোট্ট সেই আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় যেন নেমে আসে এক ভিন্ন আবহাওয়া। প্রতিনিধি দল শুধু খোঁজখবরই নেয়নি, সঙ্গে নিয়ে এসেছে সহমর্মিতা, ভালোবাসা আর নতুন করে বাঁচার আশ্বাস।

টুলি বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং নগদ আর্থিক সহায়তা। দীর্ঘদিনের কষ্ট আর অনিশ্চয়তার ভেতর এই উপহার যেন তার জীবনে এক নতুন আলোর রেখা।

আবেগে আপ্লুত টুলি বেগম বলেন,
“আমি ভাষায় বোঝাতে পারবো না কতটা খুশি হয়েছি। এই রিকশাটা আমার জীবনে অনেক বড় সহায়তা। আমি প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন।”

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, টুলি বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের লক্ষ্য। তারা শুধু একটি পরিবার নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দও জানান, এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। একজন অসহায় মায়ের জীবনে এই সহায়তা শুধু আর্থিক নয়, এটি মানসিক শক্তিরও উৎস।

টুলি বেগমের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়-অবহেলার অন্ধকার যতই গভীর হোক, সহমর্মিতার একটি হাতই পারে সেই অন্ধকার ভেদ করে আলো পৌঁছে দিতে। আর সেই আলোয় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন টুলি বেগমের মতো অসংখ্য মানুষ। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের এমন উদ্যোগ, সকল মহলে ব্যাপক প্রশংসা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  নিরাপত্তাহীনতায় সনাতনীরা: জ্বলছে সম্প্রীতির বাংলাদেশ-- দায় কার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেল রাজশাহীর টুলি বেগম

সময়: ০৬:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

 

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহীর জেলা প্রতিনিধি:


রাজশাহীর এক কোণে, বড়গাছি মালপাড়া আশ্রয় কেন্দ্রের পাশেই প্রতিদিন জীবনের সঙ্গে লড়াই করেন মেয়ে মানুষ টুলি বেগম। বয়সের ভার, সংসারের কষ্ট আর আপনজনের অবহেলা-সবকিছুকে সঙ্গী করে তিনি চালিয়ে যাচ্ছিলেন অটোরিকশা। সন্তানরা খোঁজ নেয় না, তবুও থেমে থাকেননি তিনি। নিজের ঘামেই বাঁচিয়ে রেখেছেন সংসারের চাকা।

এই সংগ্রামী মায়ের গল্প যখন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়, তা পৌঁছে যায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ পর্যায়েও। মানবিক সেই আবেদন স্পর্শ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। আর সেখান থেকেই শুরু হয় টুলি বেগমের জীবনে এক নতুন অধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল ছুটে আসে তার দরজায়। ছোট্ট সেই আশ্রয়কেন্দ্র এলাকায় যেন নেমে আসে এক ভিন্ন আবহাওয়া। প্রতিনিধি দল শুধু খোঁজখবরই নেয়নি, সঙ্গে নিয়ে এসেছে সহমর্মিতা, ভালোবাসা আর নতুন করে বাঁচার আশ্বাস।

টুলি বেগমের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি নতুন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এবং নগদ আর্থিক সহায়তা। দীর্ঘদিনের কষ্ট আর অনিশ্চয়তার ভেতর এই উপহার যেন তার জীবনে এক নতুন আলোর রেখা।

আবেগে আপ্লুত টুলি বেগম বলেন,
“আমি ভাষায় বোঝাতে পারবো না কতটা খুশি হয়েছি। এই রিকশাটা আমার জীবনে অনেক বড় সহায়তা। আমি প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন।”

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা জানান, টুলি বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের লক্ষ্য। তারা শুধু একটি পরিবার নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নির্যাতিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দও জানান, এমন উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। একজন অসহায় মায়ের জীবনে এই সহায়তা শুধু আর্থিক নয়, এটি মানসিক শক্তিরও উৎস।

টুলি বেগমের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়-অবহেলার অন্ধকার যতই গভীর হোক, সহমর্মিতার একটি হাতই পারে সেই অন্ধকার ভেদ করে আলো পৌঁছে দিতে। আর সেই আলোয় নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন টুলি বেগমের মতো অসংখ্য মানুষ। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের এমন উদ্যোগ, সকল মহলে ব্যাপক প্রশংসা করেছেন।

আরও পড়ুনঃ  রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো