Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
রংপুরের পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ জন নারী ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন সংসদে : প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম জেলা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন বিয়ের দাবিতে মামাতো ভাইয়ের সোহেলের বাড়িতে অবস্থান, এলাকায় চাঞ্চল্য তেঁতুলিয়ায় ৪৭৭ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড নবীগঞ্জে দুই স্কুল শিক্ষিকার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই: অস্ত্রসহ এক ছিনতাইকারী আটক, পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান ইব্রাহিমপুর মৌজায় জমি দখলের অভিযোগ, এমপির আত্মীয়ও রেহাই পাননি বকশীগঞ্জে তিন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কেএমপি’র কল্যাণ ও মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়া থানার তৎপরতায় কথিত ছিনতাইয়ের রহস্য উদ্ঘাটন, অর্থ উদ্ধার ও একজন গ্রেফতার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

 

তৌফিকুর রহমান তাহের,আবুনাঈম রিপন,স্টাফ রিপোটার:

আজ ২০ আগষ্ট বুধবার ২০২৫খ্রি; বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী ।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটিতে প্রশিক্ষণার্থী রশিদ মিনহাজের কাছ থেকে টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে আসার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ভারতীয় সীমান্তের ৩৫ মাইল দূরে থাট্টায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। পরে তাঁর মৃতদেহ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় অর্ধমাইল দূরে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে ছিলেন।

দেশের এ মহান সন্তানের জন্ম ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর ঢাকার আগাসাদেক রোডের বাড়িতে। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী রায়পুরা উপজেলার রামনগর গ্রামে।
প্রাথমিক পড়ালেখা শুরু হয় ঢাকার কলেজিয়েট স্কুলে। এরপর ভর্তি হন সারগোদায় বিমানবাহিনী পাবলিক স্কুলে। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে যোগ দেন তিনি।

১৯৬৩ সালে রিসালপুর পিএএফ কলেজ থেকে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমিশনপ্রাপ্তির পর তিনি করাচির মৌরিপুর (বর্তমান মাসরুর) এয়ার বেজের দুই নম্বর স্কোয়াড্রনে জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসেবে নিযুক্ত হন। এখানে তিনি টি-৩৩ জেট বিমানের ওপর কনভার্সন কোর্স সম্পন্ন করেন। ইরানের রানী ফারাহ দিবার সম্মানে পেশোয়ারে যে বিমান মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, তাতে তিনিই একমাত্র বাঙালি পাইলট ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে মতিউরের অসম সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ জাতীয় খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করে। পাকিস্তান সরকার মতিউর রহমানের মরদেহ করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণির কবরস্থানে সমাহিত করেছিল। ২০০৬ সালের ২৪ জুন মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ২৫ জুন তাঁর দেহাবশেষ পূর্ণ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ফের দাফন করা হয়।
এ বীরশ্রেষ্ঠের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকিতে রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

আরও পড়ুনঃ  প্রত্যাশার বাংলাদেশ গঠনের পথে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের প্রথম ১০০ দিনের মূল্যায়ন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

রংপুরের পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ৬৬৫ জন নারী

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

সময়: ০৯:১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

 

তৌফিকুর রহমান তাহের,আবুনাঈম রিপন,স্টাফ রিপোটার:

আজ ২০ আগষ্ট বুধবার ২০২৫খ্রি; বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকী ।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটিতে প্রশিক্ষণার্থী রশিদ মিনহাজের কাছ থেকে টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে আসার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় ভারতীয় সীমান্তের ৩৫ মাইল দূরে থাট্টায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। পরে তাঁর মৃতদেহ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় অর্ধমাইল দূরে অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে ছিলেন।

দেশের এ মহান সন্তানের জন্ম ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর ঢাকার আগাসাদেক রোডের বাড়িতে। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী রায়পুরা উপজেলার রামনগর গ্রামে।
প্রাথমিক পড়ালেখা শুরু হয় ঢাকার কলেজিয়েট স্কুলে। এরপর ভর্তি হন সারগোদায় বিমানবাহিনী পাবলিক স্কুলে। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে যোগ দেন তিনি।

১৯৬৩ সালে রিসালপুর পিএএফ কলেজ থেকে পাইলট অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। কমিশনপ্রাপ্তির পর তিনি করাচির মৌরিপুর (বর্তমান মাসরুর) এয়ার বেজের দুই নম্বর স্কোয়াড্রনে জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসেবে নিযুক্ত হন। এখানে তিনি টি-৩৩ জেট বিমানের ওপর কনভার্সন কোর্স সম্পন্ন করেন। ইরানের রানী ফারাহ দিবার সম্মানে পেশোয়ারে যে বিমান মহড়া অনুষ্ঠিত হয়, তাতে তিনিই একমাত্র বাঙালি পাইলট ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে মতিউরের অসম সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ জাতীয় খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করে। পাকিস্তান সরকার মতিউর রহমানের মরদেহ করাচির মাসরুর বেসের চতুর্থ শ্রেণির কবরস্থানে সমাহিত করেছিল। ২০০৬ সালের ২৪ জুন মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ২৫ জুন তাঁর দেহাবশেষ পূর্ণ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ফের দাফন করা হয়।
এ বীরশ্রেষ্ঠের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকিতে রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

আরও পড়ুনঃ  ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে গুমের চেষ্টা, থানার পুলিশ কর্তৃক নির্যাতনের শিকার