Dhaka ০১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ময়মনসিংহ মেডিকেলে র‍্যাব-১৪-এর অভিযান দালাল চক্রের ১৪ সদস্য আটক সৌদি আরবে মেশিনে কাটা পড়ে বুড়িচংয়ের এক যুবক নিহত বিশ্বম্ভরপুরে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে কোস্ট গার্ড, ৬৭৬ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ রথযাত্রা ঘিরে কচুয়ার সাচার বাজারে যানজট নিরসন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের বিশেষ অভিযান রামু উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রা বি তে সেমিনার  সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা আর্জেন্টিনার জয়ের মুহূর্ত ভিডিও করতে গিয়ে প্রাণ গেল কলেজছাত্রের অমাবস্যার জোয়ারে ফুলে উঠেছে নদী, বরিশালে ৮ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

মেসি পারে, আর্জেন্টিনা পারবে

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার

টুখেলের নিখুঁত পরিকল্পনাকে শেষ পর্যন্ত হার মানাল স্কালোনির সাহসী সিদ্ধান্ত ও মেসির জাদু। গর্ডন ও রিস জেমসকে তুলে নেওয়ার ভুলই কি বদলে দিল বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ইংল্যান্ড ভাগ্য?

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াই ছিল এক অসাধারণ ট্যাকটিক্যাল ম্যাচ। প্রথম ৩০ মিনিটে কোনো শটই হয়নি, প্রথমার্ধে ছিল ১৯টি ফাউল, কিন্তু একটিও শট অন টার্গেটে যায়নি। এতে পরিষ্কার বোঝা যায় দুই কোচই শুরুতে ঝুঁকি না নিয়ে প্রতিপক্ষের শক্তি নিষ্ক্রিয় করাকেই প্রধান লক্ষ্য মনে করেছিলো।

টমাস টুখেলের পরিকল্পনা শুরুতে প্রায় নিখুঁত ছিল। ইংল্যান্ড মাঝমাঠকে অত্যন্ত কমপ্যাক্ট রেখে মেসিকে বল পাওয়ার জায়গা দেয়নি। ডিক্লান রাইস ও জুড বেলিংহাম নিয়মিতভাবে পাসিং লেন বন্ধ করেছেন, আর অ্যান্থনি গর্ডন ও রিস জেমস ডান প্রান্তে নাহুয়েল মোলিনা ও জুলিয়ানো সিমেওনেকে চাপে রেখেছেন। বিশেষ করে গর্ডনের গতি এবং রিস জেমসের শারীরিক শক্তি আর্জেন্টিনার বাম দিকের আক্রমণকে প্রায় অকার্যকর করে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সেই চাপে গোল আসে থ্রী লায়ন্সদের। মোলিনার ভুলের সুযোগ নিয়ে গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন।

লিওনেল স্কালোনি বুঝে যান, এই ছকে খেললে ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙা যাবে না। তাই প্রথমে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে তুলে নিকোলাস গনসালেসকে নামিয়ে এনজো ফার্নান্দেজকে আরও গভীরে ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডর পজিশন শিফট করিয়ে দেন। এতে বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়ে এবং আর্জেন্টিনা দুই প্রান্ত ব্যবহার করে আক্রমণ গড়তে শুরু করে।

৭২ মিনিটে স্কালোনি একসঙ্গে একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচের গতিপথই বদলে দেন। রদ্রিগো ডি পল মাঠে নেমে প্রেসিংয়ের তীব্রতা বাড়ান, ওতামেন্দি এনে রক্ষণকে স্থিতিশীল করেন এবং মন্টিয়েলকে নামিয়ে নতুন এনার্জি যোগ করেন। এরপর ৮১ মিনিটে তাগলিয়াফিকোর বদলে লাউতারো মার্টিনেজকে নামিয়ে স্কালোনি একপ্রকার ঘোষণা দেন এখন শুধু আক্রমণ করার সময়।

আরও পড়ুনঃ  ফাইনালে উঠে যা বললেন মেসি: ‘আমরা জানতাম, এই দল শিরোপার জন্য লড়বে’

অন্যদিকে টুখেল এখানে ভূল করে ম্যাচের গতি না বুঝে নিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে তুলে নেয়া। গর্ডনকে তুলে অতিরিক্ত সেন্টার-ব্যাক নামানোয় ইংল্যান্ডের কাউন্টার অ্যাটাকের সবচেয়ে বড় অস্ত্রটি হারিয়ে যায়। গর্ডন মাঠে থাকলে আর্জেন্টিনার ফুল-ব্যাকরা এতটা ওপরে উঠতে পারত না। সে উঠে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনা আরও বেশি খেলোয়াড় নিয়ে সামনে উঠে আসে।

এরপর রিস জেমসকেও তুলে ড্যান বার্নকে নামানো হয়। উদ্দেশ্য ছিল বক্সে আসা ক্রস ঠেকানো। কিন্তু এই পরিবর্তনের ফলে ইংল্যান্ডের ডান প্রান্তের গতি ও বল এগিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। স্কালোনি যে মুহূর্তেই ইংল্যান্ডের এই দুর্বলতা বুঝে যান। তিনি মাঠ চওড়া করে উইং থেকে একের পর এক আক্রমণ করায় এবং ইংল্যান্ডকে নিজেদের বক্সে আটকে ফেলে। তারপর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় আর্জেন্টিনার হাতে।

ঠিক তখনই শুরু হয় মেসির জাদু।

পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাঁকে ঘিরে রেখেছিল। কিন্তু মেসির মতো খেলোয়াড়কে ৯০ মিনিট আটকে রাখা প্রায় অসম্ভব। তিনি ধীরে ধীরে নিচে নেমে বল নেওয়া শুরু করেন, ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে জায়গা তৈরি করেন এবং প্রতিপক্ষের ডিফেন্সের ভারসাম্য নষ্ট করতে থাকেন।

৮৫ মিনিটে তাঁর তৈরি করা আক্রমণ থেকেই বল পেয়ে এনজো ফার্নান্দেজ ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত কার্লিং শটে সমতা ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে বলটি সংগ্রহ করেন মেসি। এক মুহূর্তও দেরি না করে তিনি নিখুঁত চিপ ক্রস ভাসিয়ে দেন লাউতারো মার্টিনেজের মাথায়। লাউতারোর হেডে জড়িয়ে যায় জালের ভেতর। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আবারও আর্জেন্টিনার নায়ক হয়ে ওঠেন মেসি।

টমাস টুখেল শুরুতে এগিয়ে ছিলো কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়েছে, স্কালোনি তত দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বদলেছেন। আর টুখেল যখন গর্ডন ও রিস জেমসকে তুলে ইংল্যান্ডকে রক্ষণাত্মক করে ফেললেন, তখনই স্কালোনি বুঝে গেলেন এটাই আঘাত করার সময়। তাঁর সাহসী পরিবর্তন, আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং মেসির অতিমানবীয় সৃজনশীলতা মিলিয়েই ইংল্যান্ডের সুসংগঠিত রক্ষণ ভেঙে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ  বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন অধ্যায়: আইসিসির গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান তামিম ইকবাল

ফুটবল ক্যারিয়ারে শেষ সময় এসে লিওনেল মেসি প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পৌঁছে গেলো ব্যাক টু ব্যাক ফাইনালের মঞ্চে। আর একটা ম্যাচ তারপর হয়তো মেসি ফুটবল ইতিহাসের পাতায় চিরকাল বিচরণ করবে একক আধিপত্য নিয়ে। আর্জেন্টাইন সাপোর্টারদের হৃদয়ে যে বহমান সুখ ধারা বইছে, তার শেষটা হোক আনন্দের, তৃপ্তির আর উচ্ছ্বাসের।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ময়মনসিংহ মেডিকেলে র‍্যাব-১৪-এর অভিযান দালাল চক্রের ১৪ সদস্য আটক

মেসি পারে, আর্জেন্টিনা পারবে

সময়: ১২:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

 

মো: মারুফ, চট্টগ্রাম সিটি রির্পোটার

টুখেলের নিখুঁত পরিকল্পনাকে শেষ পর্যন্ত হার মানাল স্কালোনির সাহসী সিদ্ধান্ত ও মেসির জাদু। গর্ডন ও রিস জেমসকে তুলে নেওয়ার ভুলই কি বদলে দিল বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ইংল্যান্ড ভাগ্য?

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াই ছিল এক অসাধারণ ট্যাকটিক্যাল ম্যাচ। প্রথম ৩০ মিনিটে কোনো শটই হয়নি, প্রথমার্ধে ছিল ১৯টি ফাউল, কিন্তু একটিও শট অন টার্গেটে যায়নি। এতে পরিষ্কার বোঝা যায় দুই কোচই শুরুতে ঝুঁকি না নিয়ে প্রতিপক্ষের শক্তি নিষ্ক্রিয় করাকেই প্রধান লক্ষ্য মনে করেছিলো।

টমাস টুখেলের পরিকল্পনা শুরুতে প্রায় নিখুঁত ছিল। ইংল্যান্ড মাঝমাঠকে অত্যন্ত কমপ্যাক্ট রেখে মেসিকে বল পাওয়ার জায়গা দেয়নি। ডিক্লান রাইস ও জুড বেলিংহাম নিয়মিতভাবে পাসিং লেন বন্ধ করেছেন, আর অ্যান্থনি গর্ডন ও রিস জেমস ডান প্রান্তে নাহুয়েল মোলিনা ও জুলিয়ানো সিমেওনেকে চাপে রেখেছেন। বিশেষ করে গর্ডনের গতি এবং রিস জেমসের শারীরিক শক্তি আর্জেন্টিনার বাম দিকের আক্রমণকে প্রায় অকার্যকর করে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সেই চাপে গোল আসে থ্রী লায়ন্সদের। মোলিনার ভুলের সুযোগ নিয়ে গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন।

লিওনেল স্কালোনি বুঝে যান, এই ছকে খেললে ইংল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙা যাবে না। তাই প্রথমে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে তুলে নিকোলাস গনসালেসকে নামিয়ে এনজো ফার্নান্দেজকে আরও গভীরে ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডর পজিশন শিফট করিয়ে দেন। এতে বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়ে এবং আর্জেন্টিনা দুই প্রান্ত ব্যবহার করে আক্রমণ গড়তে শুরু করে।

৭২ মিনিটে স্কালোনি একসঙ্গে একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচের গতিপথই বদলে দেন। রদ্রিগো ডি পল মাঠে নেমে প্রেসিংয়ের তীব্রতা বাড়ান, ওতামেন্দি এনে রক্ষণকে স্থিতিশীল করেন এবং মন্টিয়েলকে নামিয়ে নতুন এনার্জি যোগ করেন। এরপর ৮১ মিনিটে তাগলিয়াফিকোর বদলে লাউতারো মার্টিনেজকে নামিয়ে স্কালোনি একপ্রকার ঘোষণা দেন এখন শুধু আক্রমণ করার সময়।

আরও পড়ুনঃ  ৫ মিনিটে ২ গোল! সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা! আর্জেন্টিনা খেলেই লাস্ট ১০ মিনিট?

অন্যদিকে টুখেল এখানে ভূল করে ম্যাচের গতি না বুঝে নিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে তুলে নেয়া। গর্ডনকে তুলে অতিরিক্ত সেন্টার-ব্যাক নামানোয় ইংল্যান্ডের কাউন্টার অ্যাটাকের সবচেয়ে বড় অস্ত্রটি হারিয়ে যায়। গর্ডন মাঠে থাকলে আর্জেন্টিনার ফুল-ব্যাকরা এতটা ওপরে উঠতে পারত না। সে উঠে যাওয়ার পর আর্জেন্টিনা আরও বেশি খেলোয়াড় নিয়ে সামনে উঠে আসে।

এরপর রিস জেমসকেও তুলে ড্যান বার্নকে নামানো হয়। উদ্দেশ্য ছিল বক্সে আসা ক্রস ঠেকানো। কিন্তু এই পরিবর্তনের ফলে ইংল্যান্ডের ডান প্রান্তের গতি ও বল এগিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা একেবারেই কমে যায়। স্কালোনি যে মুহূর্তেই ইংল্যান্ডের এই দুর্বলতা বুঝে যান। তিনি মাঠ চওড়া করে উইং থেকে একের পর এক আক্রমণ করায় এবং ইংল্যান্ডকে নিজেদের বক্সে আটকে ফেলে। তারপর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় আর্জেন্টিনার হাতে।

ঠিক তখনই শুরু হয় মেসির জাদু।

পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা তাঁকে ঘিরে রেখেছিল। কিন্তু মেসির মতো খেলোয়াড়কে ৯০ মিনিট আটকে রাখা প্রায় অসম্ভব। তিনি ধীরে ধীরে নিচে নেমে বল নেওয়া শুরু করেন, ডান দিক থেকে ভেতরে ঢুকে জায়গা তৈরি করেন এবং প্রতিপক্ষের ডিফেন্সের ভারসাম্য নষ্ট করতে থাকেন।

৮৫ মিনিটে তাঁর তৈরি করা আক্রমণ থেকেই বল পেয়ে এনজো ফার্নান্দেজ ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত কার্লিং শটে সমতা ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে বলটি সংগ্রহ করেন মেসি। এক মুহূর্তও দেরি না করে তিনি নিখুঁত চিপ ক্রস ভাসিয়ে দেন লাউতারো মার্টিনেজের মাথায়। লাউতারোর হেডে জড়িয়ে যায় জালের ভেতর। বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আবারও আর্জেন্টিনার নায়ক হয়ে ওঠেন মেসি।

টমাস টুখেল শুরুতে এগিয়ে ছিলো কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়েছে, স্কালোনি তত দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা বদলেছেন। আর টুখেল যখন গর্ডন ও রিস জেমসকে তুলে ইংল্যান্ডকে রক্ষণাত্মক করে ফেললেন, তখনই স্কালোনি বুঝে গেলেন এটাই আঘাত করার সময়। তাঁর সাহসী পরিবর্তন, আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং মেসির অতিমানবীয় সৃজনশীলতা মিলিয়েই ইংল্যান্ডের সুসংগঠিত রক্ষণ ভেঙে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ  ফাইনালে উঠে যা বললেন মেসি: ‘আমরা জানতাম, এই দল শিরোপার জন্য লড়বে’

ফুটবল ক্যারিয়ারে শেষ সময় এসে লিওনেল মেসি প্রথমবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে পৌঁছে গেলো ব্যাক টু ব্যাক ফাইনালের মঞ্চে। আর একটা ম্যাচ তারপর হয়তো মেসি ফুটবল ইতিহাসের পাতায় চিরকাল বিচরণ করবে একক আধিপত্য নিয়ে। আর্জেন্টাইন সাপোর্টারদের হৃদয়ে যে বহমান সুখ ধারা বইছে, তার শেষটা হোক আনন্দের, তৃপ্তির আর উচ্ছ্বাসের।