Dhaka ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা সান্তাহারে শিশু রাখার হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন তিন মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক এমপি মমতাজ বেগম লালমনিরহাট সদরে স্বপ্নসারথি কিশোরীদের ১ম পর্ব সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশনের বার্ষিক কমিউনিটি পর্যালোচনা ও পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎সাভারে শ্রমিক ছাঁটাই-নির্যাতন বন্ধের দাবিতে শ্রমিকদের মানববন্ধন বালিয়াডাঙ্গীতে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সাচার রথযাত্রা উপলক্ষে আহ্বায়ক কমিটি গঠন আহব্বায়ক সুকদেব গোস্বামী সদস্য সচিব দীপক দাস। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গুলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১ যুবককে অপহরণের অভিযোগ চট্টগ্রামে মেট্রোরেল-মনোরেল বিতর্ক: কোনোটিই এখন বাস্তবসম্মত নয়, বলছেন বিশেষজ্ঞরা
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রিকশা চালক নকির চ/র/ম অসহায়

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৩৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ২৬ Time View

 

মো: গোলাম কিবরিয়া,
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:


রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর এলাকায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এক পা ও এক হাত প্যারালাইসিস হয়ে বিছানায় শুয়ে দিনযাপন করছেন ৭৫ বছর বয়সী রিকশাচালক নকির। জীবনের প্রায় ৫০ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন। মানুষ করেছেন দুই সন্তানকে। অথচ বার্ধক্য ও অসুস্থতার এই সময়ে একটি হুইলচেয়ারের অভাবে চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়েছেন তিনি। আর প্রশ্ন করছেন রাজশাহীতে কি কেউ নেই যে তাকে একটা হুইল চেয়ার কিনে দিবে?

স্থানীয়রা বলেন, নকির ও তার স্ত্রী হাসনা বানু প্রায় ৩০ বছর ধরে অন্যের জায়গায় একটি ছোট ঘরে বসবাস করছেন। বয়সের ভার ও অসুস্থতার কারণে নকির এখন পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে সংসারের একমাত্র ভরসা তার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এক বেলা খেয়ে না খেয়ে স্বামীর ওষুধের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন স্ত্রী। স্থানীয়দের দাবি, একটি হুইলচেয়ার পেলে অন্তত বিছানাবন্দি জীবন থেকে কিছুটা মুক্তি পেতেন নকির। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা পেলে পরিবারটি বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো খুঁজে
পাবে।

হাসনা বানু জানান, দুই সন্তান আলাদা সংসার নিয়ে বসবাস করেন। স্বল্প আয়ের কারণে তারা নিয়মিতভাবে বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেন না। একটি হুইলচেয়ারের জন্য অনেকের কাছে গেছেন। অনেককে বলেছেন। কিন্তু কেউ সহযোগিতার হাত বাড়াননি।
তিনি মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে প্রায় চার হাজার টাকা আয় করেন। সেই টাকার বেশির ভাগই স্বামীর ওষুধ কিনতে ব্যয় হয়ে যায়। বাকি টাকায় কোনোমতে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তার দাবি স্বামীর জন্য কেউ একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিবেন। সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে, নকির কিছুটা বেচে থাকার জন্য আশার আলো দেখতে পারেন ।

আরও পড়ুনঃ  জামালপুর সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা নো-ম্যানস ল্যান্ডে থাকার পর সেই বৃদ্ধ এখন থানায়
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূরুঙ্গামারীতে বিতর্ক প্রতিযোগিতা

রিকশা চালক নকির চ/র/ম অসহায়

সময়: ০৭:৩৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

 

মো: গোলাম কিবরিয়া,
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:


রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর এলাকায় দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এক পা ও এক হাত প্যারালাইসিস হয়ে বিছানায় শুয়ে দিনযাপন করছেন ৭৫ বছর বয়সী রিকশাচালক নকির। জীবনের প্রায় ৫০ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়েছেন। মানুষ করেছেন দুই সন্তানকে। অথচ বার্ধক্য ও অসুস্থতার এই সময়ে একটি হুইলচেয়ারের অভাবে চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি হয়ে পড়েছেন তিনি। আর প্রশ্ন করছেন রাজশাহীতে কি কেউ নেই যে তাকে একটা হুইল চেয়ার কিনে দিবে?

স্থানীয়রা বলেন, নকির ও তার স্ত্রী হাসনা বানু প্রায় ৩০ বছর ধরে অন্যের জায়গায় একটি ছোট ঘরে বসবাস করছেন। বয়সের ভার ও অসুস্থতার কারণে নকির এখন পুরোপুরি কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। ফলে সংসারের একমাত্র ভরসা তার স্ত্রী। স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছেন। এক বেলা খেয়ে না খেয়ে স্বামীর ওষুধের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেন স্ত্রী। স্থানীয়দের দাবি, একটি হুইলচেয়ার পেলে অন্তত বিছানাবন্দি জীবন থেকে কিছুটা মুক্তি পেতেন নকির। পাশাপাশি নিয়মিত চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা পেলে পরিবারটি বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো খুঁজে
পাবে।

হাসনা বানু জানান, দুই সন্তান আলাদা সংসার নিয়ে বসবাস করেন। স্বল্প আয়ের কারণে তারা নিয়মিতভাবে বাবা-মায়ের দায়িত্ব নিতে পারেন না। একটি হুইলচেয়ারের জন্য অনেকের কাছে গেছেন। অনেককে বলেছেন। কিন্তু কেউ সহযোগিতার হাত বাড়াননি।
তিনি মানুষের বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে মাসে প্রায় চার হাজার টাকা আয় করেন। সেই টাকার বেশির ভাগই স্বামীর ওষুধ কিনতে ব্যয় হয়ে যায়। বাকি টাকায় কোনোমতে দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তার দাবি স্বামীর জন্য কেউ একটি হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করে দিবেন। সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে, নকির কিছুটা বেচে থাকার জন্য আশার আলো দেখতে পারেন ।

আরও পড়ুনঃ  চমেক হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দালালমুক্ত করা হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত