Dhaka ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ মাত্র এক রাতের বৃষ্টিতে নওগাঁর বদলগাছীতে ২৬০ মিমি বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ১৫ মিনিটে ৩ গোল দিয়ে আর্জেন্টিনার বিজয় বারুইপুর কাণ্ডে মোমবাতি হাতে শত শত মানুষের প্রতিবাদ, রাজনীতি নয়- দোষীর ফাঁসি চাই। দিনাজপুর বীরগঞ্জে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জাল হোসেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ছিলেন সহজ-সরল, কৃষক-শ্রমিক, মজলুম এবং মেহনতি মানুষের মুক্তির কণ্ঠস্বর ও আলোকবর্তিকা নরসিংদীর গ্রীন লাইফ (প্রা:)হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট। অর্থ দন্ড,এক্সরে কক্ষটি সিলগালা নবীনগরে স্কুলকক্ষে অভিযান, মাদক সেবনের অভিযোগে আটক ১ দেশকে বাঁচাতে প্রগতিশীল সাংবাদিকদের লেখনী গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে-মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও গান পাউডার উদ্ধার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

শাল্লায় ঐতিহ্যবাহী গ্রামটি ঝুঁকিরমূখে

 

তৌফিকুর রহমান তাহের ,সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নং শাল্লা ইউনিয়নের গ্রামশাল্লায় বয়ে যাওয়া কালনী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে এক চরম মানবিক বিপর্যয় ও অর্থনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে গ্রামটিতে।গত কয়েক মাসের তীব্র ভাঙনে নদীর তীরবর্তী ঐতিহ্যবাহী এই গ্রামটি এখন চরম ঝুঁকিরমূখে।

 

ইতিমধ্যে অন্তত অনেক গুলো পরিবার তাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এবং গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার মুখে বলে জানিয়ে গ্রামের স্হানীয়লোকজন।বৃহস্পতিবার ৬ অক্টোবর সরজমিন পরিদর্শন গেলে দেখা যায় ভাঙনের তীব্রতায় গ্রামের নৌকা ঘাট সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গেছে এবং বহু মানুষের ভিটা জমি, এমনকি শাল্লা মাদরসা পুকুর পর্যন্ত নদীর স্রোতে বিলীন হয়ে গেছে।

 

​গ্রামবাসীদের আশঙ্কা যে গতিতে নদী ভাঙছে, তাতে আর কিছুদিন এভাবে চললে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মাদরাসা এবং এলাকার বহু মানুষের জীবন-জীবিকার কেন্দ্র শাল্লা বাজারটিও নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে এমনটাই বলছেন স্হানীয় গণ্যমান্যব্যক্তি তফসির চৌধুরীসহ আরো অনেকেই।

 

​শাল্লা গ্রামের একজন উদ্বিগ্ন বাসিন্দা বলেন, নদী আমাদের সব নিয়ে গেল!এখন আমরা কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা। মাদ্রাসা পুকুরও ভেঙে গেছে। যেভাবে ভাঙছে, তাতে আমাদের বাজার আর মাদ্রাসাটাও রক্ষা করা কঠিন হবে। আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না, কখন আমাদের ঘরটাও ভেঙে যায় সেই ভয়ে আছি।”

 

​ক্ষতিগ্রস্তরা আরও বলেন দীর্ঘদিনের এই ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পরিস্থিতি আজ এমন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।​বাজার মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম জানান”মেইন নদীর পাড় বর্তমান ভাঙনের প্রায় ২৫০ ফুট ভেতরে ছিল। এই ২৫০ ফুটের ভিতরে অনেক পরিবার ছিল। নদী ভাঙতে ভাঙতে এখন মাদ্রাসা পুকুরে চলে আসছে।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে ভাঙন রোধ করা না গেলে শাল্লা গ্রামের জনবসতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।একদিন হয়তোবা গ্রামেরচিন্নভিন্ন থাকবেনা।

আরও পড়ুনঃ  ইসলামি ঐতিহ্য ও সমকালীন শিক্ষা, কামরাঙ্গীরচরে দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে দারুল উলুম ইসলামনগর মাদ্রাসা: এক অনন্য বাতিঘর

 

এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলি (সুনামগঞ্জ ২) এমদাদুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন পূর্বে আমরা ভাঙন এলাকায় বস্তুায় মাটি ভর্তি করে ভাঙন রোধে পেলেছিলাম শিগ্রী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিগত বর্ষার মাঝা মাঝির সময়ে এরকম একটা অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল আমরা সরেজমিন পরিদর্শন করে ইমারজেন্সি সাপোর্টের একটি ব্যবস্থা করেছি, আবার ভাঙন শুরু হয়েছে এই ভাঙন শুরু হওয়া আমাদের কাছে খবর এসেছে আমরা যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট লিখত ভাবে জানিয়েছি।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ

শাল্লায় ঐতিহ্যবাহী গ্রামটি ঝুঁকিরমূখে

সময়: ১০:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

 

তৌফিকুর রহমান তাহের ,সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নং শাল্লা ইউনিয়নের গ্রামশাল্লায় বয়ে যাওয়া কালনী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে এক চরম মানবিক বিপর্যয় ও অর্থনৈতিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে গ্রামটিতে।গত কয়েক মাসের তীব্র ভাঙনে নদীর তীরবর্তী ঐতিহ্যবাহী এই গ্রামটি এখন চরম ঝুঁকিরমূখে।

 

ইতিমধ্যে অন্তত অনেক গুলো পরিবার তাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এবং গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার মুখে বলে জানিয়ে গ্রামের স্হানীয়লোকজন।বৃহস্পতিবার ৬ অক্টোবর সরজমিন পরিদর্শন গেলে দেখা যায় ভাঙনের তীব্রতায় গ্রামের নৌকা ঘাট সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গেছে এবং বহু মানুষের ভিটা জমি, এমনকি শাল্লা মাদরসা পুকুর পর্যন্ত নদীর স্রোতে বিলীন হয়ে গেছে।

 

​গ্রামবাসীদের আশঙ্কা যে গতিতে নদী ভাঙছে, তাতে আর কিছুদিন এভাবে চললে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মাদরাসা এবং এলাকার বহু মানুষের জীবন-জীবিকার কেন্দ্র শাল্লা বাজারটিও নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে এমনটাই বলছেন স্হানীয় গণ্যমান্যব্যক্তি তফসির চৌধুরীসহ আরো অনেকেই।

 

​শাল্লা গ্রামের একজন উদ্বিগ্ন বাসিন্দা বলেন, নদী আমাদের সব নিয়ে গেল!এখন আমরা কি করবো বুঝে উঠতে পারছিনা। মাদ্রাসা পুকুরও ভেঙে গেছে। যেভাবে ভাঙছে, তাতে আমাদের বাজার আর মাদ্রাসাটাও রক্ষা করা কঠিন হবে। আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না, কখন আমাদের ঘরটাও ভেঙে যায় সেই ভয়ে আছি।”

 

​ক্ষতিগ্রস্তরা আরও বলেন দীর্ঘদিনের এই ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পরিস্থিতি আজ এমন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।​বাজার মসজিদের ইমাম আশরাফুল ইসলাম জানান”মেইন নদীর পাড় বর্তমান ভাঙনের প্রায় ২৫০ ফুট ভেতরে ছিল। এই ২৫০ ফুটের ভিতরে অনেক পরিবার ছিল। নদী ভাঙতে ভাঙতে এখন মাদ্রাসা পুকুরে চলে আসছে।” তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে ভাঙন রোধ করা না গেলে শাল্লা গ্রামের জনবসতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।একদিন হয়তোবা গ্রামেরচিন্নভিন্ন থাকবেনা।

আরও পড়ুনঃ  কুমারখালীতে ব্রাজিল সমর্থকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলি (সুনামগঞ্জ ২) এমদাদুল হকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন পূর্বে আমরা ভাঙন এলাকায় বস্তুায় মাটি ভর্তি করে ভাঙন রোধে পেলেছিলাম শিগ্রী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন বিগত বর্ষার মাঝা মাঝির সময়ে এরকম একটা অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল আমরা সরেজমিন পরিদর্শন করে ইমারজেন্সি সাপোর্টের একটি ব্যবস্থা করেছি, আবার ভাঙন শুরু হয়েছে এই ভাঙন শুরু হওয়া আমাদের কাছে খবর এসেছে আমরা যথাযথ কতৃপক্ষের নিকট লিখত ভাবে জানিয়েছি।