
মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাাম প্রতিনিধিঃ
চ্যানেল ওয়ান ও জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি রাশিদুল ইসলাম রাশেদকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালিয়েছেন “nationalist kurigram” নামীয় ফেসবুক আইডি। যেখানে বলা হয়- “কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন সাংবাদিক রাশেদ, যা জেলা বিএনপির ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ করছে।” সেখানে আরো উল্লেখ করা হয়- “তিনি নামে বেনামে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে পোস্ট করে জেলা বিএনপির নাম খারাপ করছে যা এখন তীব্র ভাবে কুড়িগ্রামের মানুষদের মধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।”
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে “Nationalist Kurigram” নামীয় ফেসবুক আইডি থেকে জেলার পরিচ্ছন্ন ও ক্লিন ইমেজের সংবাদ কর্মী চ্যানেল ওয়ান ও জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি রাশিদুল ইসলাম রাশেদ সম্পর্কে জেলা বিএনপির আহবায়ক ও জেলা বিএনপিকে নিয়ে জঘন্য, মিথ্যা ও বানোয়াট বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়।
এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সাংবাদিক রাশিদুল ইসলাম ইসলাম রাশেদকে নিয়ে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় “nationalist kurigram” নামীয় আইডির বিরুদ্ধে জেলাজুড়ে গণমাধ্যম কর্মী, রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
এ ব্যাপারে কথা হলে সাংবাদিক রাশিদুল ইসলাম রাশেদের সাথে কথা হলে তিনি জানান, “জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ভাই কিংবা জেলা বিএনপিকে নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কোন সংবাদ কখনো পরিবেশন করি নাই। বরং যারা আমাকে নিয়ে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা নিজেরাই একই ফেসবুক আইডি থেকে একাধিকবার জেলা বিএনপির আহবায়ককে নিয়ে বিভ্রান্তিকর পোস্ট করেছেন। আমার ক্লিন ইমেজ নিয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমাকে নিয়ে যে আইডি থেকে অপপ্রচার চালানো হয়েছে সেই আইডি থেকে জেলার স্বনামধন্য ব্যক্তিদের ইমেজ নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে ওই চক্রটি।
এছাড়া কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের স্টাফদের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় চক্রটি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো শুরু করেছে। আশা করি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অপপ্রচারকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনবেন।”
এ বিষয়ে কথা হলে জেলা বিএনপির আহবায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, “সাংবাদিক রাশেদকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি, সে কখনোই আমার বিরুদ্ধে বিতর্ক সৃষ্টি করে নাই। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদেরকে সবাই চেনে। রাশেদ বিগত সময়ে জেলা বিএনপির দুর্দিনে কাজ করেছে এখনো করছে। “Nationalist Kurigram” এর অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।”
কুড়িগ্রাাম সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক তামজিদ হাসান তুরাগ বলেন, “এ ধরণের অপপ্রচার মানহানির শামিল, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যেখানে দলের আহবায়ক নিজেই বলছেন-এটি অপপ্রচার, সেখানে এই ফেসবুক প্রচারণা ভিত্তিহীন। একটি চক্র এই পেজটির মাধ্যমে এর আগেও সাংবাদিকদের মানহানির চেষ্টা করা হয়েছে। থানায় জিডিও করা হয়েছে।
সিনিয়র সাংবাদিক ও কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশিদ বলেন, “এই চক্রটি ফেক আইডি ব্যবহার করে কুড়িগ্রামের সম্মানী ব্যক্তিদের হেয় প্রতিপন্ন করছে। যদি সাংবাদিকদের সম্পর্কে এসব অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে তাহলে ফেক আইডিতে কেন, সাহস থাকলে তাদের নিজেদের ফেসবুকে পোস্ট করুক। যারাই কুড়িগ্রামকে নিয়ে ভালো কিছু করতে চায় এরা তাদেরনবিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগে। এদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।”
Reporter Name 

























