Dhaka ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ মধ্যনগরের আমানিপুরে ৮ বছরের শিশু নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে এলএসপি সদস্যদের টানা ১০ দিনের অবস্থান কর্মসূচি নওগাঁর বদলগাছীতে এনসিপির জনসভা, গণভোট, কর্মসংস্থান ও সীমান্ত সুরক্ষার দাবি সুনামগঞ্জে সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাভারে ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আনোয়ার হোসেনের বহরে হামলার অভিযোগ, আহত ৪ বন্যাদুর্গতদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, চকরিয়া-পেকুয়ায় ত্রাণ বিতরণ ভাঙ্গুড়ার খানমরিচ ইউনিয়নে এডিপির অর্থায়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কসবায় ব্যাংকার হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে নবীনগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের শতভাগ নিয়োগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার:


১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ থেকে বঞ্চিত যোগ্য, মেধাবী ও সনদধারী প্রার্থীরা শতভাগ নিয়োগের দাবিতে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

রোববার (১২ জুলাই) আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে ৬ হাজারেরও বেশি যোগ্য প্রার্থী সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এর প্রধান কারণ বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্যপদ যুক্ত না করা। ফলে হাজারো নিবন্ধনধারী প্রার্থী চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও সুপারিশবঞ্চিত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ না দিয়ে নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে তা মেধার প্রতি অবিচার হবে। তাই নতুন কোনো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের শতভাগ নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

সুপারিশবঞ্চিতদের ৩ দফা দাবি:

১/ বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্য পদ যুক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপারিশবঞ্চিতদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। প্রয়োজনে নতুন করে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে শূন্য পদের চাহিদা আবার নিতে হবে।

২/ যে সকল বিষয়ে যোগ্য, নিবন্ধিত ও সনদধারী প্রার্থী রয়েছে, সে সকল বিষয়ে সুপারিশবঞ্চিতদের নিয়োগের আগে নতুন করে কোনো সার্কুলার প্রকাশ করা যাবে না।

৩/ সনদের মেয়াদ এবং বয়সসীমার মধ্যে থাকা সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত সবাইকে নিয়োগের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সহকারী শিক্ষক, স্কুল পর্যায়-২ এবং প্রভাষক পদে শতভাগ নিয়োগের জোর দাবি জানানো হয়।

বক্তারা আরও বলেন, তাদের যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পাশাপাশি আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খোরশেদ আলম, মুনিয়া তাসনিম, মিনু আক্তার, মাসুদ রানা, নিপা আক্তার, শাকিল মিয়া ও অনন্যা রানী। তারা এনটিআরসিএ (NTRCA) কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত বিষয়টি বিবেচনা করে সুপারিশবঞ্চিত নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তারা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারের পাশে ৩৫ বিজিবি, ত্রাণ বিতরণ

বঞ্চিত প্রার্থীরা বলেন, “মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আমাদের নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছিলেন। আমরা সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন চাই।”

খোরশেদ আলম বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে দুইবার বঞ্চিত হয়েছি। বারবার বঞ্চিত হতে চাই না। আমরা নামমাত্র কোনো গণবিজ্ঞপ্তি চাই না; বরং বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্যপদ যুক্ত করে আমাদের শতভাগ নিয়োগ নিশ্চিত করা হোক।”

বর্তমানে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীরা সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং তাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করছেন।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

কালীগঞ্জে নগর মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন প্রকল্পের পরামর্শকরণ সভা অনুষ্ঠিত

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের শতভাগ নিয়োগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

সময়: ১১:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার:


১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ থেকে বঞ্চিত যোগ্য, মেধাবী ও সনদধারী প্রার্থীরা শতভাগ নিয়োগের দাবিতে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

রোববার (১২ জুলাই) আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে ৬ হাজারেরও বেশি যোগ্য প্রার্থী সুপারিশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এর প্রধান কারণ বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্যপদ যুক্ত না করা। ফলে হাজারো নিবন্ধনধারী প্রার্থী চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, শূন্যপদ থাকা সত্ত্বেও সুপারিশবঞ্চিত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ না দিয়ে নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে তা মেধার প্রতি অবিচার হবে। তাই নতুন কোনো গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের শতভাগ নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

সুপারিশবঞ্চিতদের ৩ দফা দাবি:

১/ বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্য পদ যুক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপারিশবঞ্চিতদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। প্রয়োজনে নতুন করে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে শূন্য পদের চাহিদা আবার নিতে হবে।

২/ যে সকল বিষয়ে যোগ্য, নিবন্ধিত ও সনদধারী প্রার্থী রয়েছে, সে সকল বিষয়ে সুপারিশবঞ্চিতদের নিয়োগের আগে নতুন করে কোনো সার্কুলার প্রকাশ করা যাবে না।

৩/ সনদের মেয়াদ এবং বয়সসীমার মধ্যে থাকা সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশবঞ্চিত সবাইকে নিয়োগের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সহকারী শিক্ষক, স্কুল পর্যায়-২ এবং প্রভাষক পদে শতভাগ নিয়োগের জোর দাবি জানানো হয়।

বক্তারা আরও বলেন, তাদের যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পাশাপাশি আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খোরশেদ আলম, মুনিয়া তাসনিম, মিনু আক্তার, মাসুদ রানা, নিপা আক্তার, শাকিল মিয়া ও অনন্যা রানী। তারা এনটিআরসিএ (NTRCA) কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত বিষয়টি বিবেচনা করে সুপারিশবঞ্চিত নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তারা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরও পড়ুনঃ  কবরস্থানের জমি দখলের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

বঞ্চিত প্রার্থীরা বলেন, “মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আমাদের নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছিলেন। আমরা সেই আশ্বাসের বাস্তবায়ন চাই।”

খোরশেদ আলম বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে দুইবার বঞ্চিত হয়েছি। বারবার বঞ্চিত হতে চাই না। আমরা নামমাত্র কোনো গণবিজ্ঞপ্তি চাই না; বরং বিষয়ভিত্তিক পর্যাপ্ত শূন্যপদ যুক্ত করে আমাদের শতভাগ নিয়োগ নিশ্চিত করা হোক।”

বর্তমানে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীরা সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন এবং তাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা করছেন।