Dhaka ০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, সাংবাদিকদের ব্যঙ্গ করে চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্ট,’ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ গঙ্গা চুক্তি শুধু নবায়ন নয়, নতুন করে করতে হবে: নাহিদ ইসলাম মধুপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুইজনের যাবজ্জীবন মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে ভাসমান দোকান উচ্ছেদ, জব্দ সরঞ্জাম দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না: রিজভী সড়ক, রেল ও বিদ্যুৎ খাতসহ ১৩ প্রকল্পে ১৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা বাড়াতে ডিসিএইচ ট্রাস্টকে আহ্বান রাষ্ট্রপতির আপসনামার ভিত্তিতে গাজী নজরুলকে জামিন দিলে ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন উঠবে: আদালত লালমনিরহাট সদরে প্রকল্পের রক্ষক যখন ভক্ষক, পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রোহিঙ্গা সংকট ছাড়িয়েছে মানবিকতার গণ্ডি, যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তা ও অভিবাসন উদ্বেগ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

হয়রানি ও দুর্নীতির আরেক নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মানষ চন্দ্র দাস

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৩৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪৩ Time View

 

বিশেষ প্রতিনিধি : মোঃ শাকিল হাসান


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ পেতে ভুক্তভোগীদের হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে আবেদন থেকে শুরু করে ফাইল নিষ্পত্তির বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ দাবির অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।

জানা গেছে, ঢাকা–সিলেট–তামাবিল মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড থেকে সাতবর্গ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে এলএ কেস নং ০৮-২০২১/২০২২-এর ৮ ধারার নোটিশ জারির পর কয়েক বছর পার হলেও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এখনো তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের জন্য অনেকের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে নেওয়া হলেও ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতা হচ্ছে। কেউ কেউ দাবি করছেন, ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় আবেদন ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ক্ষতিপূরণের টাকা দ্রুত পাওয়ার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ, ১০ শতাংশ এমনকি ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দাবি করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ কমিশন দিতে রাজি হলে তুলনামূলক দ্রুত ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে কমিশন দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন

ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে তাদের দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফাইল প্রস্তুত হওয়ার পর এলএ শাখার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মানষ চন্দ্র দাসের টেবিলে দীর্ঘদিন পড়ে ছিল।

ভুক্তভোগীদের দাবি, তিনি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেও ফাইল নিষ্পত্তি করাতে পারেননি। পরে তাকে এলএ শাখার সাব্বির নামের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয় বলে তারা জানান।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত

তাদের অভিযোগ, সাব্বিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়। পরে মানষ চন্দ্র দাস এর সঙ্গে দেখা করলে তাকেও একই ধরনের অর্থ প্রদানের কথা বলা হয় বলে দাবি করেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, মানষ চন্দ্র দাস দায়িত্ব নেওয়ার পর ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় হয়রানি ও অনিয়ম বেড়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের বক্তব্য পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, এলএ কেসের ফাইল, ক্ষতিপূরণ প্রদানের রেকর্ড এবং ভুক্তভোগীদের বক্তব্য পর্যালোচনা করা জরুরি।
(প্রথম পর্ব)

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, সাংবাদিকদের ব্যঙ্গ করে চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্ট,’ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’

হয়রানি ও দুর্নীতির আরেক নাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভূমি অধিগ্রহণ শাখার মানষ চন্দ্র দাস

সময়: ১১:৩৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

 

বিশেষ প্রতিনিধি : মোঃ শাকিল হাসান


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ পেতে ভুক্তভোগীদের হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে আবেদন থেকে শুরু করে ফাইল নিষ্পত্তির বিভিন্ন পর্যায়ে অর্থ দাবির অভিযোগ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।

জানা গেছে, ঢাকা–সিলেট–তামাবিল মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্বরোড থেকে সাতবর্গ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে এলএ কেস নং ০৮-২০২১/২০২২-এর ৮ ধারার নোটিশ জারির পর কয়েক বছর পার হলেও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি এখনো তাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের জন্য অনেকের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙে নেওয়া হলেও ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতা হচ্ছে। কেউ কেউ দাবি করছেন, ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় আবেদন ও পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, ক্ষতিপূরণের টাকা দ্রুত পাওয়ার ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ, ১০ শতাংশ এমনকি ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন দাবি করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ কমিশন দিতে রাজি হলে তুলনামূলক দ্রুত ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে কমিশন দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাইল দীর্ঘদিন আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন

ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে তাদের দীর্ঘদিন হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ফাইল প্রস্তুত হওয়ার পর এলএ শাখার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা মানষ চন্দ্র দাসের টেবিলে দীর্ঘদিন পড়ে ছিল।

ভুক্তভোগীদের দাবি, তিনি একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেও ফাইল নিষ্পত্তি করাতে পারেননি। পরে তাকে এলএ শাখার সাব্বির নামের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয় বলে তারা জানান।

আরও পড়ুনঃ  কালিয়াকৈরে ১৩তম জাতীয় গাইড ক্যাম্পের উদ্বোধন

তাদের অভিযোগ, সাব্বিরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে ৫ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়। পরে মানষ চন্দ্র দাস এর সঙ্গে দেখা করলে তাকেও একই ধরনের অর্থ প্রদানের কথা বলা হয় বলে দাবি করেন কয়েকজন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগীরা আরও অভিযোগ করেন, মানষ চন্দ্র দাস দায়িত্ব নেওয়ার পর ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় হয়রানি ও অনিয়ম বেড়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসনের বক্তব্য পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, এলএ কেসের ফাইল, ক্ষতিপূরণ প্রদানের রেকর্ড এবং ভুক্তভোগীদের বক্তব্য পর্যালোচনা করা জরুরি।
(প্রথম পর্ব)