Dhaka ০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
স্টার্কের তোপে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়, ম্যাকাই টেস্টে চাপে বাংলাদেশ রংপুরে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সম্মেলন অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার সুসুয়া চরে এইচসিআই -এর অর্থায়নে চাইল্ড স্পনসরশিপ প্রোগ্রামের সহায়তা সামগ্রী বিতরণ পেট্রোল ঢেলে শ্রমিক সর্দারকে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি এবং রিজভী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ায় কুড়িগ্রামে আনন্দ মিছিল লালমনিরহাট জেলা ও এখন ধর্ষণের দীক থেকে এগিয়ে প্রতিবেশী দাদা গ্রে-প্তার দৌলতপুর বিয়ের কয়েক ঘণ্টা পর রাতে নিজ বাড়ির অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউসবোট থেকে পড়ে ১০ বছরের শিশু নিখোঁজ, উদ্ধার অভিযান চলছে জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামের ৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ; উৎপাদন কমেছে আরো ৭টিতে
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

‘আজই দেশে ফেরার কথা ছিল বাবুর, দুপুরেই এলো মৃত্যুর খবর’

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২২ Time View

কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাভারের ব্যবসায়ী আহম্মেদ বাবুর বাড়িতে এখন শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তার আকস্মিক মৃত্যু।

আহম্মেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার ভাই কসমেটিকসের ব্যবসা করত। প্রায়ই কলকাতায় কসমেটিকস আনতে যেত। এবারও সোমবার রাতে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। আজই তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু দুপুরে খবর এলো, হোটেলের আগুনে সে মারা গেছে।’

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বেগুনবাড়ি সিকদারপাড়া এলাকায় আহম্মেদ বাবুর বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যদের আহাজারি করতে দেখা যায়।

আহম্মেদ বাবু ওই এলাকার আদম আলীর ছেলে। তিনি আমিনবাজার বাসস্ট্যান্ডের শাহীন সুপার মার্কেটে ‘কিউট কসমেটিক’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করতেন।

মোহাম্মদ আলী জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন বাবু। পরদিন সকালে সেখানে পৌঁছে কসমেটিকস কেনাকাটা করেন। বুধবার দেশে ফেরার কথা ছিল তার। তবে দুপুর ২টার দিকে কলকাতা থেকে পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর খবর আসে।

চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন আহম্মেদ বাবু। তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে রোজা এবং ছয় বছর বয়সী ছেলে সোয়াত রয়েছে। বাবুর মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ।

প্রতিবেশী হাজী নাজিম উদ্দিন বলেন, আহম্মেদ বাবু দীর্ঘদিন ধরে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার পণ্য আনতে তিনি নিয়মিত কলকাতায় যেতেন। কয়েক দিন অবস্থান করে আবার দেশে ফিরে আসতেন। এবারও স্বাভাবিকভাবেই গিয়েছিলেন, কিন্তু এমন মর্মান্তিক পরিণতি হবে তা কেউ ভাবেননি।

বাবুর দোকানের কর্মচারী লাভলু বলেন, তাদের দোকানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস বিক্রি করা হয়। পণ্য আনতে বাবু প্রায়ই কলকাতায় যেতেন এবং দু-এক দিন পর দেশে ফিরে আসতেন। হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে তার মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

আরও পড়ুনঃ  হরিনাকুন্ডুতে বাল্যবিবাহ, মাদক ও ইভটিজিং বিষয়ক সচেতনমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

স্টার্কের তোপে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়, ম্যাকাই টেস্টে চাপে বাংলাদেশ

‘আজই দেশে ফেরার কথা ছিল বাবুর, দুপুরেই এলো মৃত্যুর খবর’

সময়: ০৬:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাভারের ব্যবসায়ী আহম্মেদ বাবুর বাড়িতে এখন শোকের মাতম। পরিবারের সদস্যরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তার আকস্মিক মৃত্যু।

আহম্মেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার ভাই কসমেটিকসের ব্যবসা করত। প্রায়ই কলকাতায় কসমেটিকস আনতে যেত। এবারও সোমবার রাতে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। আজই তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু দুপুরে খবর এলো, হোটেলের আগুনে সে মারা গেছে।’

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সাভারের আমিনবাজার ইউনিয়নের বেগুনবাড়ি সিকদারপাড়া এলাকায় আহম্মেদ বাবুর বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যদের আহাজারি করতে দেখা যায়।

আহম্মেদ বাবু ওই এলাকার আদম আলীর ছেলে। তিনি আমিনবাজার বাসস্ট্যান্ডের শাহীন সুপার মার্কেটে ‘কিউট কসমেটিক’ নামে একটি দোকান পরিচালনা করতেন।

মোহাম্মদ আলী জানান, সোমবার রাত ১০টার দিকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন বাবু। পরদিন সকালে সেখানে পৌঁছে কসমেটিকস কেনাকাটা করেন। বুধবার দেশে ফেরার কথা ছিল তার। তবে দুপুর ২টার দিকে কলকাতা থেকে পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর খবর আসে।

চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন আহম্মেদ বাবু। তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে রোজা এবং ছয় বছর বয়সী ছেলে সোয়াত রয়েছে। বাবুর মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে বাড়ির পরিবেশ।

প্রতিবেশী হাজী নাজিম উদ্দিন বলেন, আহম্মেদ বাবু দীর্ঘদিন ধরে কসমেটিকসের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার পণ্য আনতে তিনি নিয়মিত কলকাতায় যেতেন। কয়েক দিন অবস্থান করে আবার দেশে ফিরে আসতেন। এবারও স্বাভাবিকভাবেই গিয়েছিলেন, কিন্তু এমন মর্মান্তিক পরিণতি হবে তা কেউ ভাবেননি।

বাবুর দোকানের কর্মচারী লাভলু বলেন, তাদের দোকানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিকস বিক্রি করা হয়। পণ্য আনতে বাবু প্রায়ই কলকাতায় যেতেন এবং দু-এক দিন পর দেশে ফিরে আসতেন। হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে তার মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

আরও পড়ুনঃ  বিআরটিসির ‘পিংক বাসে’ প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা কেমন