Dhaka ০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বুড়িচংয়ে কিশোর কণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে দশানী নদীর ভাঙন রোধ ও স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন মেম্বারদের অনাস্থা, চেয়ারম্যানের দাবি সামনের নির্বাচনকে ঘিরে অপপ্রচার মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে আবারও ভাসল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী ডুমুরিয়ার টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান: নতুন ভবন তালাবদ্ধ । পূর্ব চৌরাস্তা দখলমুক্ত; দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে স্বস্তি ফিরছে পীরগঞ্জে কালিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক ইনকিলাব এর ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন আদমদীঘিতে বিএনপি দুই নেতার বিরুদ্ধে স্কুলের অর্থ আত্মসাৎ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে জনমনে প্রশ্ন নিরাপত্তাহীনতায় সনাতনীরা: জ্বলছে সম্প্রীতির বাংলাদেশ– দায় কার নেত্রকোনা কেন্দুয়া থানার মামলার বাদী মাইনুল ইসলাম কে প্রতিপক্ষের হুমকি।
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

জাদুকাটায় নৌপথে ভয়াবহ চাঁদাবাজি

  • Reporter Name
  • সময়: ১২:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৬ Time View

 

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার


সুনামগঞ্জ তাহিরপুর রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর আগে যেখানে নদীটির প্রস্থ ছিল মাত্র ৫৭ ফুট, সেখানে ড্রেজার ও স্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে বর্তমানে এর প্রস্থ বেড়ে আট থেকে দশগুণ হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিমুল বাগানসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম। পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে নদীটির এই পরিবর্তনের আড়ালে গড়ে উঠেছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। দীর্ঘ ১৭ বছর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সরাসরি না থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে বিএনপির একটি প্রভাবশালী চক্র আড়াল থেকে পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে দল পরিবর্তন হলেও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি।

সরকার নির্ধারিত ইজারা বা টোল দেওয়ার পরও শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত টাকার বাইরে টাকা দিতে না চাইলে নৌকা বা বাল্কহেড আটকে রাখা হয়, এমনকি শ্রমিকদের মারধরও করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেঁধে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সীমান্ত নদী জাদুকাটায় টোল ট্যাক্সের নামে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিটি নৌকা বা বাল্কহেড থেকে নির্ধারিত ৩০ পয়সার পরিবর্তে ১ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ফাজিলপুর এলাকায় প্রায় ২০০ মিটারজুড়ে চারটি স্থানে ঘর নির্মাণ করে ‘জাদুকাটা-১’ ও ‘জাদুকাটা-২’ নামে রয়্যালটি আদায় করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর নামে টোল, উপজেলা প্রশাসনের ‘ক্যাশ কালেকশন’ এবং ইজারাদারের টোল—সব মিলিয়ে একাধিক স্তরে অর্থ আদায় চলছে।

আরও পড়ুনঃ  লালমনিরহাটের আদিতমারীতে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার ১

অভিযোগ রয়েছে, ইজারাদার জবা মিয়া ও তার ভাই সারোয়ার আলম স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় শ্রমিকদের ওপর জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকা আটকে রাখা ও মারধরের ঘটনাও ঘটছে। অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার (বাল্কহেড) নৌ-শ্রমিক ইউনিয়ন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানায় একাধিক অভিযোগ দিয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ইজারাদারের লোকজন সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে তাদের লাঞ্ছিত করার চেষ্টা এবং জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। নৌকা মালিক আবুল হোসেন বলেন, চাঁদা না দেওয়ায় দুইদিন নৌকা আটকে রাখা হয়। পরে বাধ্য হয়ে নির্ধারিত টাকার বেশি দিয়ে নৌকা ছাড়াতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় নেতা বলেন, ইজারাদার থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ প্রভাবশালী একটি চক্রের হাতে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের নির্যাতন করা হয়। জেলা ট্রলার নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা বলেন, চাঁদাবাজি এখন আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। চাঁদা না দিলে মারধর ও নৌকা আটকে রাখা হচ্ছে। তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার রুহুল আমিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৩০ পয়সা নেওয়ার কথা থাকলেও বেশি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অনিয়ম।

জাদুকাটায় চাঁদাবাজি আর নির্যাতনের বিষয়টিও স্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহরুখ আলম শান্তনু। তিনি বলেন, জাদুকাটা নদীতে মাঝে মধ্যে এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার খবর পাই। অতিরিক্ত টাকা আদায়ের খবর পেলে আমরা ব্যবস্থা নিই। তবে ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে আপনারা ইউএনও এবং ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র স্যাররাই ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে গত ১৭ এপ্রিল শুক্রবার মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের ফাঁসানোর চেষ্টার ঘটনায় তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এ রকম আর কখনও ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন ইজারাদার।

আরও পড়ুনঃ  সেপ্টেম্বর-অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

অরিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, এসব বিষয় নিয়ে অসংখ্যবার মিটিং এ কথা হয়েছে। চাঁদাবাজির বিষয়ে বেশ কিছু অভিযোগও পেয়েছি। এসবের সঙ্গে প্রভাবশালী গ্রুপ জড়িত। সব সময় তো আর ইউএনও আর এসিল্যান্ডরা সেখানে অবস্থান করতে পারে না। আমরা অভিযানে গেলে সেখানে কোনো লোকই মুখ খুলে বলে না। এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হলে সামাজিকভাব…

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বুড়িচংয়ে কিশোর কণ্ঠ পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

জাদুকাটায় নৌপথে ভয়াবহ চাঁদাবাজি

সময়: ১২:২৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

আমির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার


সুনামগঞ্জ তাহিরপুর রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২০ বছর আগে যেখানে নদীটির প্রস্থ ছিল মাত্র ৫৭ ফুট, সেখানে ড্রেজার ও স্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে বর্তমানে এর প্রস্থ বেড়ে আট থেকে দশগুণ হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিমুল বাগানসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম। পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখজনক বিষয় হলো, গত কয়েক বছরে নদীটির এই পরিবর্তনের আড়ালে গড়ে উঠেছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। দীর্ঘ ১৭ বছর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণে ছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সরাসরি না থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে বিএনপির একটি প্রভাবশালী চক্র আড়াল থেকে পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে দল পরিবর্তন হলেও চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়নি।

সরকার নির্ধারিত ইজারা বা টোল দেওয়ার পরও শ্রমিকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত টাকার বাইরে টাকা দিতে না চাইলে নৌকা বা বাল্কহেড আটকে রাখা হয়, এমনকি শ্রমিকদের মারধরও করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের বেঁধে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তাহিরপুর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সীমান্ত নদী জাদুকাটায় টোল ট্যাক্সের নামে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিটি নৌকা বা বাল্কহেড থেকে নির্ধারিত ৩০ পয়সার পরিবর্তে ১ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ফাজিলপুর এলাকায় প্রায় ২০০ মিটারজুড়ে চারটি স্থানে ঘর নির্মাণ করে ‘জাদুকাটা-১’ ও ‘জাদুকাটা-২’ নামে রয়্যালটি আদায় করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর নামে টোল, উপজেলা প্রশাসনের ‘ক্যাশ কালেকশন’ এবং ইজারাদারের টোল—সব মিলিয়ে একাধিক স্তরে অর্থ আদায় চলছে।

আরও পড়ুনঃ  রেকর্ডের অপেক্ষায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পর্তুগালের মুখোমুখি হবে ডিআর কঙ্গো

অভিযোগ রয়েছে, ইজারাদার জবা মিয়া ও তার ভাই সারোয়ার আলম স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় শ্রমিকদের ওপর জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকা আটকে রাখা ও মারধরের ঘটনাও ঘটছে। অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার (বাল্কহেড) নৌ-শ্রমিক ইউনিয়ন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানায় একাধিক অভিযোগ দিয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ইজারাদারের লোকজন সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা করেন। ব্যর্থ হলে তাদের লাঞ্ছিত করার চেষ্টা এবং জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। নৌকা মালিক আবুল হোসেন বলেন, চাঁদা না দেওয়ায় দুইদিন নৌকা আটকে রাখা হয়। পরে বাধ্য হয়ে নির্ধারিত টাকার বেশি দিয়ে নৌকা ছাড়াতে হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় নেতা বলেন, ইজারাদার থাকলেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ প্রভাবশালী একটি চক্রের হাতে। চাঁদা না দিলে শ্রমিকদের নির্যাতন করা হয়। জেলা ট্রলার নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা বলেন, চাঁদাবাজি এখন আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। চাঁদা না দিলে মারধর ও নৌকা আটকে রাখা হচ্ছে। তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার রুহুল আমিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ৩০ পয়সা নেওয়ার কথা থাকলেও বেশি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অনিয়ম।

জাদুকাটায় চাঁদাবাজি আর নির্যাতনের বিষয়টিও স্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শাহরুখ আলম শান্তনু। তিনি বলেন, জাদুকাটা নদীতে মাঝে মধ্যে এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার খবর পাই। অতিরিক্ত টাকা আদায়ের খবর পেলে আমরা ব্যবস্থা নিই। তবে ইউএনও স্যার না থাকায় আমরা ব্যবস্থা নিতে পারছি না। চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে আপনারা ইউএনও এবং ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাদের বিরুদ্ধে একমাত্র স্যাররাই ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে গত ১৭ এপ্রিল শুক্রবার মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের ফাঁসানোর চেষ্টার ঘটনায় তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এ রকম আর কখনও ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন ইজারাদার।

আরও পড়ুনঃ  পবিপ্রবিতে হিট প্রজেক্টের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অরিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) সমর কুমার পাল বলেন, এসব বিষয় নিয়ে অসংখ্যবার মিটিং এ কথা হয়েছে। চাঁদাবাজির বিষয়ে বেশ কিছু অভিযোগও পেয়েছি। এসবের সঙ্গে প্রভাবশালী গ্রুপ জড়িত। সব সময় তো আর ইউএনও আর এসিল্যান্ডরা সেখানে অবস্থান করতে পারে না। আমরা অভিযানে গেলে সেখানে কোনো লোকই মুখ খুলে বলে না। এসব চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হলে সামাজিকভাব…