Dhaka ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
মৌলভীবাজারে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত সাপাহারে রিকশা ও ভ্যান চালক ইউনিয়নের দিঘীরহাট বাজার শাখার কমিটি গঠন, সভাপতি সাদ্দাম, সম্পাদক মামুন নোয়াখালীর হাতিয়ায় পরিচয় মেলার আগেই বৃদ্ধের মৃত্যু পদ্মার তীব্র ভাঙনে গোদাগাড়ী কুঠিপাড়ায় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক, বাঁধ নির্মাণের আকুল দাবি কালীগঞ্জের জামালপুরে জামাইয়ের হাতে শ্বশুর খুন শংকরপুরে মাদকের আস্তানা, ১৮৫ বোতল সিরাপসহ নারী-পুরুষ গ্রেফতার ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত সেই চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন সারের লুটপাট রোধে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সফল অভিযান সুনামগঞ্জ সীমান্তে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল, তাহিরপুর-মধ্যনগরে উত্তেজনা বুড়িচংয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির গাছ ধ্বংসের অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

দুর্নীতির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামি খালাস

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৯ Time View

 

 

রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলাগুলোর অভিযোগ ছিল, রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউকের মাধ্যমে বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্রে কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের বাড়িগুলো পাইয়ে দেওয়া হয়। এতে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে দুদক।

এ অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদক। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রত্যেক মামলায় আসামি করা হয়।

অন্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলম।

এ ছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও আহমেদ আকবর সোবহানকে দুটি করে মামলায় এবং মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়। তারাও আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন।

মামলাগুলোর তদন্ত শেষে দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২০০৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

প্রায় ১৯ বছর ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার এসব মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ‘টুকু আসে, টুকু যায়—কতক্ষণ থাকে বোঝা যায় না’: লোডশেডিং নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানা
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

মৌলভীবাজারে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত

দুর্নীতির ১৫ মামলায় মির্জা আব্বাসসহ সব আসামি খালাস

সময়: ১০:০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

 

রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি বিক্রিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা ১৫ মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলাগুলোর অভিযোগ ছিল, রাজধানীর ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউকের মাধ্যমে বিক্রির ক্ষেত্রে দরপত্রে কারচুপি ও অনিয়মের মাধ্যমে পছন্দের ব্যক্তিদের বাড়িগুলো পাইয়ে দেওয়া হয়। এতে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে দুদক।

এ অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ মির্জা আব্বাসসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদক। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রত্যেক মামলায় আসামি করা হয়।

অন্য আসামিদের মধ্যে ছিলেন এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলম।

এ ছাড়া আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও আহমেদ আকবর সোবহানকে দুটি করে মামলায় এবং মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়। তারাও আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন।

মামলাগুলোর তদন্ত শেষে দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২০০৭ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

প্রায় ১৯ বছর ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার এসব মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে মির্জা আব্বাসসহ সব আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য