
মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠান:
নেত্রকোনা জেলা কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ওয়াই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে ভার্সিটির ছাত্র মোঃ মাইনুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মারামারি মামলা করেন। একই গ্রামের মোঃ সঞ্জু রহমান এর ছেলে মোঃ উমর ফারুক সহ ৪ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪/৫ কে আসামি করে। যাহার কেন্দুয়া থানার মামলা নং ৫।
মামলা সূত্রে জানা যায় গত ১/৬/২৬ ইং তারিখ রোজ সোমবার প্রায় ১২.৩০ মিনিটে ফারুক এর চাচাত ভাই মোঃ এমদাদুল হক তার পৈত্রিক জমি থেকে ৭ শতাংশ জমি বিক্রি করে মামলার বাদী ভাই সেকুল মিয়ার কাছে। উক্ত জমি এমদাদুল ও তার ভাই ফজুল মিয়া মাপ দিয়ে বুঝিয়ে দিবে এমন কথা বলে আমিন সহ গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তিকে দাওয়াত করে।
এক পর্যায় সঞ্জু মিয়া ও ফারুক মিয়া কথার কাটাকাটি লেগে এক পর্যায় দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ করে। এসময় মহিলা সহ ৫ জন গুরুত আহত হয়। আহত লোকজন কে উদ্ধার করে ঈশ্বরগজ্ঞ হাসপাতালে ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান কার কর্মরত ডাঃ রোগীর অবস্থা শোচনীয় দেখে উন্নত চিকিৎসা জন্য এক জন কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
সেখান মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এই খবর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের জুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই দিকে মাইনুল ইসলাম সহ তার আত্মীয়-স্বজন আহত রোগীদের নিয়ে চিকিৎসার জন্য ব্যস্ত থাকায় এই দুর্বলতার সুযোগে প্রতিপক্ষের সঞ্জু মিয়ার মেয়ে মোছাঃ কাকলী আক্তার বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানার একটি মামলা দায়ের করেন প্রতিপক্ষ ভার্সিটির ছাত্র মোঃ মাইনুল ইসলাম সহ কয়েকজন কে আসামি করেন।
এই নিয়ে পুরো এলাকায় জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ লোকজন সত্যতা স্বীকার করে বলেন আমরা ভাই সেকুল মিয়ার উচিত টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করছে এটাকি তার অপরাধ।
এর জের ধরে আমার ভাই সহ মহিলাদের উপর অতর্কিত হামলা করে প্রতিপক্ষ ফারুক ও তার লোকজন। তাছাড়া সঞ্জু মিয়ার মেয়ে কাকলী বাদী হয়ে যে প্রতিপক্ষ নামে মামলা করেছেন সে নিয়ে অনেক বিতর্কিত রয়েছে, অনেকেই ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত না। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে খুব/বিতর্কিত দেখা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে।ভুক্তভোগী ভার্সিটির ছাত্র মাইনুল ইসলাম পরিবারবর্গ লোকজন সহ গ্রামের সাধারণ জনগণ। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে
Reporter Name 



























