Dhaka ১১:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সুবর্ণচরে গভীর রাতে বসতঘরে প্রবেশ করে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ‎বিদেশে চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে ৭লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ,ইকবাল-নার্গিস দম্পতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ‎ কালিয়াকৈরে ব্র্যাক শিখা প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত চমেক হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দালালমুক্ত করা হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত চাঁদপুরে মোশারফ ফাউন্ডেশন ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত শ্যামনগরের গাবুরাতে দুর্যোগে আগাম সতর্কতা ও উদ্ধার অভিযানের জন্য সরঞ্জামাদি বিতরণ কালিয়াকৈরে ব্র্যাক শিখা প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত দিনাজপুর বীরগঞ্জে ‘সবুজ ও পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন ডিমলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ বিপুলসংখ্যক দলিল সম্পাদন হল হরিণাকুণ্ডুতে বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

‎পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সাভারে ব্যাপক অভিযান, গ্রেপ্তার ২৪

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৮ Time View


‎সাভার প্রতিনিধি:



‎ঢাকার সাভারে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় এজাহারভুক্ত ৫ আসামিসহ হত্যা, মাদক, চুরি, হত্যাচেষ্টা এবং আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত মোট ২৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও চলতি দায়িত্বে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বক্তারপুর পোড়াবাড়ি এলাকার মো. আব্দুর রহিমের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (২৮)-কে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালায় সাভার মডেল থানা পুলিশ। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে বক্তারপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ সদস্যরা রফিকুল ইসলামকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে তিনি তার সহযোগীদের ডাকাডাকি করে ঘটনাস্থলে জড়ো করেন। একপর্যায়ে রফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা পুলিশের অভিযানে বাধা সৃষ্টি করে এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলে।

‎জানা গেছে, পুলিশের পরিচয় দেওয়া ও পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা সত্ত্বেও রফিকুল ইসলাম ইট দিয়ে সাভার মডেল থানার এসআই এস এম শামীমের মুখে আঘাত করেন। এতে তিনি মুখ ও ঠোঁটে গুরুতর জখম হন। তাকে উদ্ধার করতে গেলে এএসআই মশিউর রহমানকেও লাঠি, রডসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা তাদের ওপর আরও আক্রমণ চালায় এবং ভবিষ্যতে অত্র এলাকায় আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে পুলিশকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

‎ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা মামলার এজাহারভুক্ত ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎তারা হলেন- সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর এলাকার মো. রতনের ছেলে আরিফ ইসলাম (২০), একই এলাকার মো. মহির উদ্দিনের ছেলে সাগর মিয়া (২৩), বক্তারপুর তিন রাস্তার মোড় এলাকার গোলাম হোসেনের ছেলে মো. মারুফ (২০), পোড়াবাড়ি এলাকার মো. হাসানের ছেলে মো. হুমায়ুন (১৯) এবং বক্তারপুর এলাকার বাবুলের ছেলে মো. রাকেশ মাল (৩০)।

‎অন্যদিকে পৃথক অভিযানে একটি হত্যা মামলার একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার মধুপুর গ্রামের মৃত হাসমত আলীর ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে স্ত্রী নাজমা বেগমকে নিয়ে সাভারের কর্ণপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন মোবারক হোসেন। তার স্ত্রী নাজমা বেগম স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে মঙ্গলবার রাতে স্ত্রীকে পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ২৪ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

‎এছাড়া পৃথক অভিযানে মাদক মামলার ৩ জন, চুরি মামলার এজাহারভুক্ত ২ জন, হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত ২ জন এবং আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ১০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ভোলা জেলার সদর থানার পশ্চিম চরখালী গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান (৩৮), সাভার উপজেলার বেগুনবাড়ি সিকদারপাড়া এলাকার মোহাম্মদ রিপন রহমানের ছেলে মো. তানভীর আহমেদ ওরফে পল্লব (৩৫), দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার এলাইগা গ্রামের মঞ্জিলের ছেলে মো. আশিক ইসলাম (২০), সাভার উপজেলার তেঁতুলঝরা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভরারী এলাকার রতন মিয়ার ছেলে মো. রাব্বি (২৭), লুটেরচর উত্তরপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে মো. ইউসুফ আলী (৪০), একই এলাকার মো. তৈয়ব আলীর ছেলে মো. সোহাগ মিয়া (২৬), পশ্চিম কাউন্দিয়া এলাকার বাছের মিয়ার ছেলে মো. নাজিম উদ্দিন (৫৬), সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর থানার চারগাঁও গ্রামের মো. ইব্রাহিম খলিল (১৯), তেঁতুলঝরা গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে মমিন হোসেন, রাজাশন এলাকার আহসান উল্লাহর ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ, দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকার গৌরাঙ্গ মন্ডলের ছেলে জীবন মন্ডল, রংপুর বাজার এলাকার মুকুল মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান সোহাগ, কমলাপুর চলদার বাড়ি এলাকার গোলাপ রিবেরুর ছেলে বাবুল রিবেরু, রাজাশন এলাকার মোস্তফা, কাউন্দিয়া কুমারবাড়ি এলাকার মো. নাছির, উত্তর রাজাশন এলাকার মো. মিজানুর রহমান মিজানের ছেলে ইমাম হোসেন ইফতি (২২), পশ্চিম রাজাশন এলাকার মুজিবর রহমানের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪১) এবং উত্তর রাজাশন এলাকার সন্টু কুড়াইয়ার ছেলে সংগীতা কুড়াইয়া (৪১)।

‎এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও চলতি দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাভার মডেল থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশের ওপর হামলার মতো ঘটনাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে মাদক, চুরি, হত্যা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

আরও পড়ুনঃ  তাহিরপুরে ৮ বছরের শিশুকে পালাক্রমে ধর্ষণ
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সুবর্ণচরে গভীর রাতে বসতঘরে প্রবেশ করে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

‎পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সাভারে ব্যাপক অভিযান, গ্রেপ্তার ২৪

সময়: ০৮:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


‎সাভার প্রতিনিধি:



‎ঢাকার সাভারে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় এজাহারভুক্ত ৫ আসামিসহ হত্যা, মাদক, চুরি, হত্যাচেষ্টা এবং আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত মোট ২৪ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও চলতি দায়িত্বে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ।

‎পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বক্তারপুর পোড়াবাড়ি এলাকার মো. আব্দুর রহিমের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (২৮)-কে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালায় সাভার মডেল থানা পুলিশ। সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে বক্তারপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় পুলিশ সদস্যরা রফিকুল ইসলামকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে তিনি তার সহযোগীদের ডাকাডাকি করে ঘটনাস্থলে জড়ো করেন। একপর্যায়ে রফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা পুলিশের অভিযানে বাধা সৃষ্টি করে এবং পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলে।

‎জানা গেছে, পুলিশের পরিচয় দেওয়া ও পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা সত্ত্বেও রফিকুল ইসলাম ইট দিয়ে সাভার মডেল থানার এসআই এস এম শামীমের মুখে আঘাত করেন। এতে তিনি মুখ ও ঠোঁটে গুরুতর জখম হন। তাকে উদ্ধার করতে গেলে এএসআই মশিউর রহমানকেও লাঠি, রডসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারীরা তাদের ওপর আরও আক্রমণ চালায় এবং ভবিষ্যতে অত্র এলাকায় আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে পুলিশকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

‎ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের নির্দেশনায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা মামলার এজাহারভুক্ত ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎তারা হলেন- সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর এলাকার মো. রতনের ছেলে আরিফ ইসলাম (২০), একই এলাকার মো. মহির উদ্দিনের ছেলে সাগর মিয়া (২৩), বক্তারপুর তিন রাস্তার মোড় এলাকার গোলাম হোসেনের ছেলে মো. মারুফ (২০), পোড়াবাড়ি এলাকার মো. হাসানের ছেলে মো. হুমায়ুন (১৯) এবং বক্তারপুর এলাকার বাবুলের ছেলে মো. রাকেশ মাল (৩০)।

‎অন্যদিকে পৃথক অভিযানে একটি হত্যা মামলার একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার মধুপুর গ্রামের মৃত হাসমত আলীর ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎পুলিশ জানায়, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে স্ত্রী নাজমা বেগমকে নিয়ে সাভারের কর্ণপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন মোবারক হোসেন। তার স্ত্রী নাজমা বেগম স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে মঙ্গলবার রাতে স্ত্রীকে পাথরের শিল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টা ২৪ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় মোবারক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

‎এছাড়া পৃথক অভিযানে মাদক মামলার ৩ জন, চুরি মামলার এজাহারভুক্ত ২ জন, হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত ২ জন এবং আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ১০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ভোলা জেলার সদর থানার পশ্চিম চরখালী গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান (৩৮), সাভার উপজেলার বেগুনবাড়ি সিকদারপাড়া এলাকার মোহাম্মদ রিপন রহমানের ছেলে মো. তানভীর আহমেদ ওরফে পল্লব (৩৫), দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার এলাইগা গ্রামের মঞ্জিলের ছেলে মো. আশিক ইসলাম (২০), সাভার উপজেলার তেঁতুলঝরা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভরারী এলাকার রতন মিয়ার ছেলে মো. রাব্বি (২৭), লুটেরচর উত্তরপাড়া এলাকার তোতা মিয়ার ছেলে মো. ইউসুফ আলী (৪০), একই এলাকার মো. তৈয়ব আলীর ছেলে মো. সোহাগ মিয়া (২৬), পশ্চিম কাউন্দিয়া এলাকার বাছের মিয়ার ছেলে মো. নাজিম উদ্দিন (৫৬), সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর থানার চারগাঁও গ্রামের মো. ইব্রাহিম খলিল (১৯), তেঁতুলঝরা গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে মমিন হোসেন, রাজাশন এলাকার আহসান উল্লাহর ছেলে মো. ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ, দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকার গৌরাঙ্গ মন্ডলের ছেলে জীবন মন্ডল, রংপুর বাজার এলাকার মুকুল মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান সোহাগ, কমলাপুর চলদার বাড়ি এলাকার গোলাপ রিবেরুর ছেলে বাবুল রিবেরু, রাজাশন এলাকার মোস্তফা, কাউন্দিয়া কুমারবাড়ি এলাকার মো. নাছির, উত্তর রাজাশন এলাকার মো. মিজানুর রহমান মিজানের ছেলে ইমাম হোসেন ইফতি (২২), পশ্চিম রাজাশন এলাকার মুজিবর রহমানের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪১) এবং উত্তর রাজাশন এলাকার সন্টু কুড়াইয়ার ছেলে সংগীতা কুড়াইয়া (৪১)।

‎এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ও চলতি দায়িত্বে থাকা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাভার মডেল থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। পুলিশের ওপর হামলার মতো ঘটনাকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে মাদক, চুরি, হত্যা ও অন্যান্য অপরাধ দমনে আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।”

আরও পড়ুনঃ  প্রতারণার অভিযোগে বিএনপি নেতাকে পিটুনি দিয়ে থানায় সোপর্দ