Dhaka ০১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ত্রিশালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার শরিফাতুন্নিছা মহিলা মাদরাসায় অভিভাবক সম্মেলন ও বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে গ্রীন রোড শো মানুষকে পরিবেশ সচেতন করে তুলবে ভালো বেতনের চাকুরির দেওয়ার প্রলোভন দেকিয়ে নোয়াখালীর যুবক কে কালীগঞ্জে ডেকে এনে অপহরণ করে মুক্তি পনের জন্য নির্যাতন চার যুবক আটক বুড়িচংয়ে ৩ হাজার ৩৩০ কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন মরিচ ক্ষেতে ১০ ফুট লম্বা গাঁজা গাছ উদ্ধার, কৃষকের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি জামালপুর বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত- জুলাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে জুলাই যোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন। আদর্শিক ও সাংগঠনিক উন্নয়নে মণিরামপুরে ইসলামী আন্দোলনের তালিম কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ‎সুপার ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন করে পুরাইকলা সবুজ বাংলা একাডেমির মুখ উজ্জ্বল করল সিদরাতুল মুনতাহা লামিয়া
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

লালমনিরহাট রেলওয়ে তে রাজস্ব আদায়ের অন্তরালে ঘুষ বানিজ্য

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ১২৫ Time View

 

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:


রাজস্ব আদায় ও লাইসেন্স প্রদানের নামে অনিয়ম ও উৎকোচ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর লালমনিরহাট বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মনজুর হোসেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রথমে স্টেশনসংলগ্ন দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া হয়। পরে দলীয় পরিচয়ধারী কিছু ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হয় দরবার। একপর্যায়ে অফিসের বাইরে নির্ধারিত নয় এমন স্থানে লেনদেন সম্পন্ন হয়। রংপুর বিভাগের আট জেলার ৮৪টি স্টেশন এলাকা লালমনিরহাট রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের আওতায়। এসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা শত শত দোকানকে নিয়মিত অভিযানের কথা বলে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, অফিসে ডেকে বানিজ্যিক ভাড়া ও অন্যান্য ফি বাবদ একটি কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে উল্লেখিত টাকার দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ পর্যন্ত আদায় করা হয়। সরকারি কোষাগারে জমার রশিদ চাইলে তা দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ তাদের।

হাতীবান্ধা উপজেলার রনিউল ইসলাম ও ফজলে রহমান নামের দুই ব্যবসায়ী দাবি করেন, তাদের কাছ থেকে যথাক্রমে ১ লাখ ২৫ হাজার এবং ৮৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়। তবে সরকারি চালানে জমা দেখানো হয়েছে ৫৩ হাজার ও ৩৬ হাজার টাকা। বাকি অর্থের কোনো হিসাব তারা পাননি। তাদের হাতে যে লাইসেন্স কপি দেওয়া হয়েছে, তা মূলত সফটওয়্যার থেকে প্রিন্ট করা কাগজ মাত্র বলেও অভিযোগ করেন তারা।

রেলের সর্বশেষ ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী, মাষ্টারপ্ল্যানভুক্ত করে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বাণিজ্যিক লিজ বা লাইসেন্স দেওয়ার কথা। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। বরং লাইসেন্স বাতিল, উচ্ছেদ কিংবা মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মনজুর হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে।

আরও পড়ুনঃ  ঢাকা-সিলেট মহা সড়কের নবীগঞ্জের রুস্তমপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৫৮ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ত্রিশালে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার

লালমনিরহাট রেলওয়ে তে রাজস্ব আদায়ের অন্তরালে ঘুষ বানিজ্য

সময়: ১১:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

 

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:


রাজস্ব আদায় ও লাইসেন্স প্রদানের নামে অনিয়ম ও উৎকোচ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে-এর লালমনিরহাট বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মনজুর হোসেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রথমে স্টেশনসংলগ্ন দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা দেওয়া হয়। পরে দলীয় পরিচয়ধারী কিছু ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হয় দরবার। একপর্যায়ে অফিসের বাইরে নির্ধারিত নয় এমন স্থানে লেনদেন সম্পন্ন হয়। রংপুর বিভাগের আট জেলার ৮৪টি স্টেশন এলাকা লালমনিরহাট রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগের আওতায়। এসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা শত শত দোকানকে নিয়মিত অভিযানের কথা বলে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, অফিসে ডেকে বানিজ্যিক ভাড়া ও অন্যান্য ফি বাবদ একটি কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে উল্লেখিত টাকার দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ পর্যন্ত আদায় করা হয়। সরকারি কোষাগারে জমার রশিদ চাইলে তা দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ তাদের।

হাতীবান্ধা উপজেলার রনিউল ইসলাম ও ফজলে রহমান নামের দুই ব্যবসায়ী দাবি করেন, তাদের কাছ থেকে যথাক্রমে ১ লাখ ২৫ হাজার এবং ৮৪ হাজার টাকা নেওয়া হয়। তবে সরকারি চালানে জমা দেখানো হয়েছে ৫৩ হাজার ও ৩৬ হাজার টাকা। বাকি অর্থের কোনো হিসাব তারা পাননি। তাদের হাতে যে লাইসেন্স কপি দেওয়া হয়েছে, তা মূলত সফটওয়্যার থেকে প্রিন্ট করা কাগজ মাত্র বলেও অভিযোগ করেন তারা।

রেলের সর্বশেষ ভূমি ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী, মাষ্টারপ্ল্যানভুক্ত করে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে বাণিজ্যিক লিজ বা লাইসেন্স দেওয়ার কথা। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। বরং লাইসেন্স বাতিল, উচ্ছেদ কিংবা মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মনজুর হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে।

আরও পড়ুনঃ  'লা পুলগা' থেকে 'দ্য গোট'

অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি স্থানীয়দের।