২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে গোলের দেখা পেয়েছে স্পেন। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে স্প্যানিশরা।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। তবে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের দৃঢ়তায় একের পর এক সুযোগ নষ্ট হয়। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
ম্যাচের শুরুতেই লামিন ইয়ামাল ও দানি ওলমোর সমন্বয়ে দারুণ একটি সুযোগ তৈরি হলেও লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রতিরোধে রক্ষা পায় আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে বলের দখল, পাস ও আক্রমণ—সব বিভাগেই এগিয়ে ছিল স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও স্পেন ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চালিয়ে গেলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না। ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্প্যানিশ খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক ট্যাকল করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
অতিরিক্ত সময়ের ৯৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে হতাশ হতে হয়নি স্পেনকে। ১০৬তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের বাড়ানো বল থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন ফেরান তোরেস, যা স্পেনকে এনে দেয় গুরুত্বপূর্ণ লিড।
ফাইনালের শেষ মুহূর্তে এই গোলে শিরোপার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় স্পেন, আর ১০ জনের আর্জেন্টিনার সামনে দাঁড়িয়ে যায় সমতায় ফেরার কঠিন চ্যালেঞ্জ।
Reporter Name 




























