
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা আলেখারচর ডা. যুবেদা হান্নানের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতাল, কুমিল্লা অন্ধকল্যান চক্ষু হাসপাতালের প্যারামেডিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। কুমিল্লা সদর ৬ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের একান্ত নেতা আঃ ছালাম খায়ের। কুমিল্লা সদর, চানপুর ০৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আঃ ছালাম খায়ের এখন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা হওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করেছেন। টাকা ছিটানোরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় ও আওয়ামী নেতা কর্মীদের অভিযোগ, আওয়ামীলীগের আমলে এমপি বাহারের খাস লোক ও যুবলীগের নেতা হওয়া সত্ত্বেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি। কিন্তু জুলাই আন্দোলনে এমপি বাহারের সাথে শান্তি মিছিল সহ আওয়ামী সরকারের পক্ষে নানান কর্মসূচিতে নিজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন বিএনপির নেতাদের সাথে একান্তভাবে সাক্ষাৎ করা। বিভিন্ন সময় তাদের জন্য উপহার পাঠানো সহ বিএনপিতে পদ নেওয়ার জন্য এক নেতাকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন বলেও জানতে পেরেছি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাজনীতি সুবিধাবাদীদের জন্যই।
অনুসন্ধানে জানা যায় যে, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতির প্যারামেডিক আঃ ছালাম খায়ের ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল ২/৩/৪ আগস্ট ২০২৪ কুমিল্লা নগরীর পুলিশ লাইনস, আদালত চত্বর ও রাজগঞ্জ ট্রাফিক মোড়ে সাবেক আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের এমপি আ.ক.ম বাহার উদ্দীন বাহার ও বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতির নির্দেশে যৌথ ভাবে জুলাই বিপ্লবীদের উপর হামলা চালালেও তারাই এখন বড় বিএনপি। তবে, জুলাই আন্দোলনে ছাত্রদের উপরে হামলার প্রতিবাদে আওয়ামী সরকারের পক্ষে আঃ ছালাম খায়ের সহ বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতির সভাপতি আ.হ.ম তাইফুর আলমকেও দেখা গেলেও তাইফুর এখন বিএনপির কুমিল্লা জেলা কপিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে পদ পেয়েছেন। আবারও বলি, সুবিধাবাদীদের জন্যই রাজনীতি।
বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতির কর্মীদের সাথে কথা বললে জানা যায়, প্যারামেডিক আঃ ছালাম খায়ের আওয়ামী লীগের আমলে আওয়ামী এমপি বাহারের প্রভাব খাটিয়ে বেড়াতেন। এখনো সে বিএনপির নেতাদের প্রভাব খাটিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতির হাসপাতালটি অবৈধভাবে দখল করে আছেন আওয়ামী লীগের এমপি হাজী আ ক ম বাহার উদ্দীন বাহারের সাথে ৪ আগস্ট ২০২৪ এর শান্তি মিছিলে অংশগ্রহণ কারী এড. আ. হ. ম তাইফুর আলমের নেতৃত্বে, বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে। এড. আ. হ. ম তাইফুর আলম বিএনপির নেতা হলে শান্তি মিছিলে কেন অংশগ্রহণ করেছিলেন? এ কোন বিএনপি? অর্থ লুটপাট থেমেই নেই বিভিন্ন ফান্ডের নামে হাসপাতালের তহবিল থেকে।
বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যান সমিতির পাতানো কমিটি তৈরি করে অবৈধ ভাবে দখল করে রাখা, দুর্নীতি, লুটপাট ও শান্তি মিছিলে অংশগ্রহণের বিষয়ে কুমিল্লা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের এক তদন্তের সময় তদন্তু কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলামের সামনেই বলতে দেখা যায় যে, আমি শান্তি মিছিলে উপস্থিত ছিলাম, এতে কি হয়েছে? এমন একটি গোপন ভিডিও রেকর্ড আমাদের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।
আঃ ছালাম খায়ের, মূল বাড়ি ০৫নং পাঁচথুবী ইউনিয়নের জালুয়াপাড়ার মৃত-পিতাঃ মনিরুল ইসলাম এর ছেলে বলে জানা যায়। বর্তমানে সে চানপুর ০৯নং ওয়ার্ড এতে নানার বাড়ির অংশ পেয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি এখনো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি হিসেবে বহাল আছেন। যেহেতু আওয়ামী লীগ এখনো পর্যন্ত কোনো কমিটি বিলুপ্ত করেনি এবং তিনিও পদত্যাগ করেনি। প্যারামেডিক আঃ ছালাম খায়ের এর বিষয়ে জানতে তাকে ফোন করলে তিনি বলেন অভিযোগ থাকতেই পারে তবে এ বিষয় আমি কিছু জানি না বলে তিনি জানান।
Reporter Name 
























