Dhaka ০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা সামরিক স্থাপনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান, হামলার ছবি-ভিডিও ধারণ ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশে নিষেধ পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আসছে রোববার, জানা গেল বিলম্বের কারণ দুবাইয়ে ৭৩ বাংলাদেশির সম্পদের তথ্য চাবে দুদক ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা-মস্কো সংসদীয় সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ, রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক কক্সবাজারে দীঘির নতুন লুক, ছবি প্রকাশের পর ভক্তদের প্রশংসা সরকারি হাসপাতাল থেকে দালালচক্র নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০ নিজ বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, ৩ বছরের কন্যাসহ জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খুন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

কুয়েত ও আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪ Time View

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ও বিদেশি বাহিনীর সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এদিকে কুয়েতের ভূখণ্ডে ইরানের ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ কাতার।

কুয়েতের বিমানঘাঁটিতে বড় হামলার দাবি

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ‘সাইকা’ বা ‘বজ্রপাত’ নামে চলমান সামরিক অভিযানের ৩১তম ধাপে কুয়েতের আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় বিমানঘাঁটির স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা, রসদ ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণাগার এবং যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি বাহিনী আরও দাবি করেছে, ওই বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন বাহিনী আকাশপথে নজরদারি ও সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল।

আল মিনহাদ ঘাঁটিতেও হামলার দাবি

একই অভিযানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত বিদেশি সেনা ও রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্য করেও হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।

ইরানের দাবি, বিদেশি সামরিক শক্তিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে ইরানের ওপর আগের হামলা ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতির প্রতিশোধ হিসেবে।

তেহরান আরও সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার জবাব আরও কঠোর ও ভয়াবহ হতে পারে।

কুয়েতে হামলার নিন্দা কাতারের

এদিকে কুয়েতের ওপর ইরানের নতুন দফার হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কুয়েতের ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলা দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের ধারাবাহিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

আরও পড়ুনঃ  কম্বোডিয়ার স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে উদ্ধার ৩৮ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

কাতার আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এসব হামলার সার্বিক দায় ইরানকেই বহন করতে হবে।

কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান

সংকটের এই পরিস্থিতিতে কুয়েতের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে কাতার।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে দোহা। আগের সমঝোতা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

কাতারের মতে, সামরিক সংঘাত আরও বাড়তে থাকলে এর প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাও গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ছয় বছর ধরে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ই-মেল, পরিচিতদের কাছে নানা অভিযোগ ও টাকা চাওয়ার বার্তা

কুয়েত ও আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

সময়: ০৬:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ও বিদেশি বাহিনীর সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। এদিকে কুয়েতের ভূখণ্ডে ইরানের ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ কাতার।

কুয়েতের বিমানঘাঁটিতে বড় হামলার দাবি

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ‘সাইকা’ বা ‘বজ্রপাত’ নামে চলমান সামরিক অভিযানের ৩১তম ধাপে কুয়েতের আহমদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।

ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় বিমানঘাঁটির স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা, রসদ ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণাগার এবং যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানি বাহিনী আরও দাবি করেছে, ওই বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন বাহিনী আকাশপথে নজরদারি ও সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল।

আল মিনহাদ ঘাঁটিতেও হামলার দাবি

একই অভিযানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল মিনহাদ বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত বিদেশি সেনা ও রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্য করেও হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।

ইরানের দাবি, বিদেশি সামরিক শক্তিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে ইরানের ওপর আগের হামলা ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতির প্রতিশোধ হিসেবে।

তেহরান আরও সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার জবাব আরও কঠোর ও ভয়াবহ হতে পারে।

কুয়েতে হামলার নিন্দা কাতারের

এদিকে কুয়েতের ওপর ইরানের নতুন দফার হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কুয়েতের ভূখণ্ডে এ ধরনের হামলা দেশটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের ধারাবাহিক হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

আরও পড়ুনঃ  লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে সারাদেশে বিশেষ অভিযান: র‌্যাব মহাপরিচালক

কাতার আরও সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এসব হামলার সার্বিক দায় ইরানকেই বহন করতে হবে।

কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান

সংকটের এই পরিস্থিতিতে কুয়েতের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে কাতার।

একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে দোহা। আগের সমঝোতা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

কাতারের মতে, সামরিক সংঘাত আরও বাড়তে থাকলে এর প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাও গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।