Dhaka ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল বৈঠক চট্টগ্রাম নগরীর সিআরবি পুলিশ ফাঁড়ি এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্য,পুলিশকে চাঁদা দিয়ে দৈনিক কোটি টাকার মাদক বাণিজ্য ঈশ্বরগঞ্জে ধর্ষণ মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বালিতে দুর্ঘটনায় আহত নুসরাত, মুম্বাইয়ে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি জাহিদ হাসানকে ‘বাবা’ ডেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা সুনেরাহর এলপিজির পর অটোগ্যাসের দামও বাড়ল, লিটারপ্রতি ১০ টাকা ৯১ পয়সা সংকটের মধ্যেই আবারও বাড়ল এলপিজির দাম আইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিতে তাঞ্জানিয়া গেলেন স্পিকার রোহিঙ্গা পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতায় ৮০ স্বর্ণের বার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ছাত্র হত্যা মামলায় দুই চাচাতো ভাই আসামি, জমি বিরোধের দাবি পরিবারের

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ Time View

সাভার প্রতিনিধি


সাভারে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের দুই চাচাতো ভাই মোহাম্মাদ সাব্বির হোসেন (২৮) ও সৈকত (২৭) আসামি হয়েছেন। মামলার এজাহারে সাব্বিরকে ১৭ নম্বর এবং সৈকতকে ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ‘সাভার পৌর ছাত্রলীগ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে দুই যুবকের পরিবারের সদস্যরা এ রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাঁদের দাবি, সাব্বির ও সৈকত কেউই আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় পরিবারের সদস্যরা এসব দাবি করেন।

মামলার এজাহারে ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে সৈকত (২৭), পিতা—লুৎফর, সাং—কর্ণপাড়া, থানা—সাভার, জেলা—ঢাকার ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে। ১৭ নম্বর আসামি হিসেবে মোহাম্মাদ সাব্বির হোসেনের নাম রয়েছে। এজাহারে তাঁদের দুজনের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ‘সাভার পৌর ছাত্রলীগ’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, দুই চাচাতো ভাইয়ের কারও কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি ছিল না এবং তাঁরা আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তাঁদের দাবি, স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার কারণেই তাঁদের দুজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

সাব্বিরের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাব্বিরের বাবা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক মামলায় প্রায় ছয় মাস কারাভোগ করেছিলেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অন্যদিকে সৈকতের মা বলেন, তাঁর স্বামী মারা যাওয়ার ১৬ মাস হয়েছে। তাঁর দাবি, তাঁর ছেলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাঁর ছেলেকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ  বাসুদেবপুর চন্দ্র কিশোর স্কুল অ্যান্ড কলেজে মৃত্যু ও অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা

পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, একই জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সূত্র ধরে দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। তাঁরা মামলার তদন্তে এজাহারে উল্লেখ করা রাজনৈতিক পরিচয় এবং দুই যুবকের মামলায় সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।

তবে পরিবারের এসব বক্তব্য তাঁদের নিজস্ব দাবি। এসব দাবির সত্যতা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি। মামলার অভিযোগ, আসামিদের সম্পৃক্ততা এবং পরিবারের দাবির সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলম বলেন, মামলাটিতে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে মোট ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল বৈঠক

ছাত্র হত্যা মামলায় দুই চাচাতো ভাই আসামি, জমি বিরোধের দাবি পরিবারের

সময়: ০৭:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

সাভার প্রতিনিধি


সাভারে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের দুই চাচাতো ভাই মোহাম্মাদ সাব্বির হোসেন (২৮) ও সৈকত (২৭) আসামি হয়েছেন। মামলার এজাহারে সাব্বিরকে ১৭ নম্বর এবং সৈকতকে ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ‘সাভার পৌর ছাত্রলীগ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে দুই যুবকের পরিবারের সদস্যরা এ রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাঁদের দাবি, সাব্বির ও সৈকত কেউই আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় পরিবারের সদস্যরা এসব দাবি করেন।

মামলার এজাহারে ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে সৈকত (২৭), পিতা—লুৎফর, সাং—কর্ণপাড়া, থানা—সাভার, জেলা—ঢাকার ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে। ১৭ নম্বর আসামি হিসেবে মোহাম্মাদ সাব্বির হোসেনের নাম রয়েছে। এজাহারে তাঁদের দুজনের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ‘সাভার পৌর ছাত্রলীগ’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, দুই চাচাতো ভাইয়ের কারও কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি ছিল না এবং তাঁরা আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তাঁদের দাবি, স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার কারণেই তাঁদের দুজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

সাব্বিরের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাব্বিরের বাবা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক মামলায় প্রায় ছয় মাস কারাভোগ করেছিলেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অন্যদিকে সৈকতের মা বলেন, তাঁর স্বামী মারা যাওয়ার ১৬ মাস হয়েছে। তাঁর দাবি, তাঁর ছেলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাঁর ছেলেকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুনঃ  ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন, সভাপতি আবু তাহের সোনা

পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, একই জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সূত্র ধরে দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। তাঁরা মামলার তদন্তে এজাহারে উল্লেখ করা রাজনৈতিক পরিচয় এবং দুই যুবকের মামলায় সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।

তবে পরিবারের এসব বক্তব্য তাঁদের নিজস্ব দাবি। এসব দাবির সত্যতা সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি। মামলার অভিযোগ, আসামিদের সম্পৃক্ততা এবং পরিবারের দাবির সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলম বলেন, মামলাটিতে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে মোট ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।