Dhaka ০১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
গোদাগাড়ীর ওসি সুজন মিঞা পেলেন বিশেষ পুরস্কার মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয়: একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা From Local 6 Business Agent to SAG-AFTRA Executive Director: The Remarkable Career of Brian Lysell লোকাল ৬-এর বিজনেস এজেন্ট থেকে SAG-AFTRA-এর নির্বাহী পরিচালক: ব্রায়ান লাইসেলের অসাধারণ কর্মজীবন জার্সি সিটির কোরাই কিচেন: ঘরোয়া বাংলাদেশি স্বাদের জাতীয় স্বীকৃতি কোনাবাড়ীতে নাসির উদ্দীন পালোয়ান হত্যা মামলার পলাতক আসামি শিহাব গ্রেপ্তার মানিকপুরে কালভার্ট বড় পরিসরে পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ কাউখালীতে সওজের জমি দখলমুক্ত, উচ্ছেদ অভিযান টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৬ এপিবিএনের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ১৫ ডিমলায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

জার্সি সিটির কোরাই কিচেন: ঘরোয়া বাংলাদেশি স্বাদের জাতীয় স্বীকৃতি

  • Reporter Name
  • সময়: ১১:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ Time View

হাকিকুল ইসলাম খোকন, মো. নাসির,
বাপসনিউজ, জার্সি সিটি:


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির জার্সি সিটির সামিট অ্যাভিনিউতে অবস্থিত ছোট্ট বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ কোরাই কিচেন ঘরোয়া স্বাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য স্থানীয়দের কাছে বেশ পরিচিত। এবার রেস্তোরাঁটির বিশেষ পদ ‘লাউ চিংড়ি’ ২০২৫ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর বছরের সেরা খাবারের তালিকায় স্থান পাওয়ায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জার্সি সিটিতে বসবাসকারী সাংবাদিক মো. নাসির এ তথ্য জানিয়েছেন।

কোরাই কিচেনের প্রাণ হলেন প্রধান শেফ ও মালিক নূর-ই গুলশান রহমান। সবার কাছে স্নেহের ‘আম্মা’ নামে পরিচিত এই শেফ নিজ হাতে রেস্তোরাঁর পেছনের পার্কিং লটের বাগান থেকে লাউ সংগ্রহ করেন। সেই দেশীয় উপকরণ দিয়েই তিনি রান্না করেন ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি নানা পদ। মেয়ে নূর-ই ফারহানা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে মা-মেয়ে মিলে পরিচালনা করছেন এই পারিবারিক রেস্তোরাঁটি।

রেস্তোরাঁটির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, কোরাই কিচেন মূলত ঘরোয়া স্বাদের হালাল বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করে। জেমস বিয়ার্ড পুরস্কারের জন্য মনোনীত শেফ নূর-ই গুলশান রহমান নিজেই এখানকার খাবার রান্না করেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরুর পর থেকে মা-মেয়ে মিলে এমন সব ঐতিহ্যবাহী পদ পরিবেশন করে আসছেন, যেগুলোর স্বাদ বাংলাদেশের সাধারণ পরিবারের রান্নাঘরের সঙ্গে পরিচিত।

কোরাই কিচেনের বিশেষত্ব শুধু খাবারে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পারিবারিক উষ্ণতা ও বাংলাদেশি আতিথেয়তার সংস্কৃতি। ধীরে রান্না করা ঘরোয়া খাবার, দেশীয় স্বাদ এবং আন্তরিক পরিবেশের কারণে রেস্তোরাঁটি জার্সি সিটির স্থানীয় খাদ্যপ্রেমীদের মধ্যেও আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছে।

ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি পদ ‘লাউ চিংড়ি’ যখন দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতো প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খাদ্যবিষয়ক তালিকায় জায়গা করে নেয়, তখন তা শুধু একটি রেস্তোরাঁর পরিচিতি বাড়ানোর ঘটনা নয়; বরং প্রবাসে বাংলাদেশের খাবার ও রন্ধন ঐতিহ্যের পরিচিতি বিস্তারেরও একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

আরও পড়ুনঃ  মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ কাগজপত্র

কোরাই কিচেনের এই স্বীকৃতি নিউ জার্সির বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও আনন্দ ও গর্বের বিষয়। মা-মেয়ের পরিশ্রম, দেশীয় রান্নার প্রতি ভালোবাসা এবং ঘরোয়া স্বাদ ধরে রাখার প্রচেষ্টা এখন জার্সি সিটির গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচিতি পাচ্ছে।

আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

কোরাই কিচেনের মা-মেয়ে—শেফ নূর-ই গুলশান রহমান ও নূর-ই ফারহানা রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাঁদের পরিশ্রম, ভালোবাসা এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া স্বাদকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এই যাত্রা আরও সফল হোক—এমন প্রত্যাশা সবার।

মা-মেয়ের এই সুন্দর পথচলা আরও বহুদূর এগিয়ে যাক এবং তাঁদের জন্য অপেক্ষা করুক আরও বড় সাফল্য, সম্মান ও স্বীকৃতি—এই কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

গোদাগাড়ীর ওসি সুজন মিঞা পেলেন বিশেষ পুরস্কার

জার্সি সিটির কোরাই কিচেন: ঘরোয়া বাংলাদেশি স্বাদের জাতীয় স্বীকৃতি

সময়: ১১:১৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন, মো. নাসির,
বাপসনিউজ, জার্সি সিটি:


যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির জার্সি সিটির সামিট অ্যাভিনিউতে অবস্থিত ছোট্ট বাংলাদেশি রেস্তোরাঁ কোরাই কিচেন ঘরোয়া স্বাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য স্থানীয়দের কাছে বেশ পরিচিত। এবার রেস্তোরাঁটির বিশেষ পদ ‘লাউ চিংড়ি’ ২০২৫ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর বছরের সেরা খাবারের তালিকায় স্থান পাওয়ায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রতিষ্ঠানটি।

জার্সি সিটিতে বসবাসকারী সাংবাদিক মো. নাসির এ তথ্য জানিয়েছেন।

কোরাই কিচেনের প্রাণ হলেন প্রধান শেফ ও মালিক নূর-ই গুলশান রহমান। সবার কাছে স্নেহের ‘আম্মা’ নামে পরিচিত এই শেফ নিজ হাতে রেস্তোরাঁর পেছনের পার্কিং লটের বাগান থেকে লাউ সংগ্রহ করেন। সেই দেশীয় উপকরণ দিয়েই তিনি রান্না করেন ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি নানা পদ। মেয়ে নূর-ই ফারহানা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে মা-মেয়ে মিলে পরিচালনা করছেন এই পারিবারিক রেস্তোরাঁটি।

রেস্তোরাঁটির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, কোরাই কিচেন মূলত ঘরোয়া স্বাদের হালাল বাংলাদেশি খাবার পরিবেশন করে। জেমস বিয়ার্ড পুরস্কারের জন্য মনোনীত শেফ নূর-ই গুলশান রহমান নিজেই এখানকার খাবার রান্না করেন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরুর পর থেকে মা-মেয়ে মিলে এমন সব ঐতিহ্যবাহী পদ পরিবেশন করে আসছেন, যেগুলোর স্বাদ বাংলাদেশের সাধারণ পরিবারের রান্নাঘরের সঙ্গে পরিচিত।

কোরাই কিচেনের বিশেষত্ব শুধু খাবারে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পারিবারিক উষ্ণতা ও বাংলাদেশি আতিথেয়তার সংস্কৃতি। ধীরে রান্না করা ঘরোয়া খাবার, দেশীয় স্বাদ এবং আন্তরিক পরিবেশের কারণে রেস্তোরাঁটি জার্সি সিটির স্থানীয় খাদ্যপ্রেমীদের মধ্যেও আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছে।

ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি পদ ‘লাউ চিংড়ি’ যখন দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর মতো প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খাদ্যবিষয়ক তালিকায় জায়গা করে নেয়, তখন তা শুধু একটি রেস্তোরাঁর পরিচিতি বাড়ানোর ঘটনা নয়; বরং প্রবাসে বাংলাদেশের খাবার ও রন্ধন ঐতিহ্যের পরিচিতি বিস্তারেরও একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।

আরও পড়ুনঃ  মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা, সঙ্গে রাখতে হবে বৈধ কাগজপত্র

কোরাই কিচেনের এই স্বীকৃতি নিউ জার্সির বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও আনন্দ ও গর্বের বিষয়। মা-মেয়ের পরিশ্রম, দেশীয় রান্নার প্রতি ভালোবাসা এবং ঘরোয়া স্বাদ ধরে রাখার প্রচেষ্টা এখন জার্সি সিটির গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত পরিসরে পরিচিতি পাচ্ছে।

আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

কোরাই কিচেনের মা-মেয়ে—শেফ নূর-ই গুলশান রহমান ও নূর-ই ফারহানা রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তাঁদের পরিশ্রম, ভালোবাসা এবং বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া স্বাদকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এই যাত্রা আরও সফল হোক—এমন প্রত্যাশা সবার।

মা-মেয়ের এই সুন্দর পথচলা আরও বহুদূর এগিয়ে যাক এবং তাঁদের জন্য অপেক্ষা করুক আরও বড় সাফল্য, সম্মান ও স্বীকৃতি—এই কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।