Dhaka ১২:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন পঞ্চবটি-মুক্তারপুর সড়কে সৌরবিদ্যুৎ, বছরে সাশ্রয় ৪৮ লাখ টাকা নকল সিগারেটে সাড়ে ৭২ কোটি ভ্যাট ফাঁকি, গোয়েন্দা জালে ভারগো টোব্যাকো পবিত্র মক্কা নগরীতে হামলা চালানো হলে সোচ্চার হওয়া ঈমানি দায়িত্ব ৫০তম পর্বে মোশাররফ-জুঁই-হাসানদের ‘এক পাতিলের সংসার’ কলেজে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ, ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ১১৪ ভেন্যুতে পুলিশের প্রশিক্ষণ শুরু বদলগাছীতে ভিপি সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষ, ৫ দিন পর আহত মাসুদের রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ডিমলায় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রামক চর্মরোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩১ Time View

মোঃ বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:


নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক চর্মরোগ ইমপেটিগো কনটাজিওসা (Impetigo Contagiosa)। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকটি পরিবারের ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ইমপেটিগো কনটাজিওসা একটি অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাকটেরিয়াজনিত চর্মরোগ। শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। আক্রান্তদের মুখ, নাক ও মুখের চারপাশে লালচে দানা বা ফোসকার মতো ক্ষত দেখা দেয়। পরে তা শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। আক্রান্ত স্থান থেকে রস বের হয়ে শুকিয়ে আঠালো আবরণ তৈরি হতে পারে।

এ রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শের পাশাপাশি ব্যবহৃত কাপড়-চোপড়, তোয়ালে, বিছানাপত্র ও বিভিন্ন জিনিসপত্রের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। শিশুদের খেলনা ভাগাভাগি করলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। ফলে পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যদের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আতিকুর রহমান খান বলেন, ‘ইমপেটিগো অত্যন্ত সংক্রামক। তবে যথাসময়ে অ্যান্টিবায়োটিকসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা হলে সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।’

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা না করালে রোগটি শরীরের বিভিন্ন অংশে এবং অন্যদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই আক্রান্ত শিশুকে অবহেলা না করে দ্রুত নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আক্রান্ত শিশুদের কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে কবিরাজি ও অন্যান্য অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো কোনো শিশুর রোগের প্রকোপ বেড়েছে বলে তারা জানান। এ অবস্থায় আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এ রোগ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন, রোগীদের চিকিৎসা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের দাবি উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  বুড়িচং পৌরসভাকে আধুনিক ও জনবান্ধব করা হবে: মেয়র প্রার্থী কামাল হোসেন

চিকিৎসকদের পরামর্শ, আক্রান্ত শিশুর ব্যবহৃত কাপড়, তোয়ালে ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী আলাদা রাখতে হবে। নিয়মিত হাত পরিষ্কার করতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ বা অনানুষ্ঠানিক চিকিৎসা গ্রহণ না করারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প অনুমোদন

ডিমলায় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রামক চর্মরোগ

সময়: ০৯:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মোঃ বাদশা সেকেন্দার ভুট্টো, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:


নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক চর্মরোগ ইমপেটিগো কনটাজিওসা (Impetigo Contagiosa)। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকটি পরিবারের ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এতে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ইমপেটিগো কনটাজিওসা একটি অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাকটেরিয়াজনিত চর্মরোগ। শিশুদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। আক্রান্তদের মুখ, নাক ও মুখের চারপাশে লালচে দানা বা ফোসকার মতো ক্ষত দেখা দেয়। পরে তা শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। আক্রান্ত স্থান থেকে রস বের হয়ে শুকিয়ে আঠালো আবরণ তৈরি হতে পারে।

এ রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শের পাশাপাশি ব্যবহৃত কাপড়-চোপড়, তোয়ালে, বিছানাপত্র ও বিভিন্ন জিনিসপত্রের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। শিশুদের খেলনা ভাগাভাগি করলেও সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। ফলে পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্য সদস্যদের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আতিকুর রহমান খান বলেন, ‘ইমপেটিগো অত্যন্ত সংক্রামক। তবে যথাসময়ে অ্যান্টিবায়োটিকসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা হলে সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে।’

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা না করালে রোগটি শরীরের বিভিন্ন অংশে এবং অন্যদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই আক্রান্ত শিশুকে অবহেলা না করে দ্রুত নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আক্রান্ত শিশুদের কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে কবিরাজি ও অন্যান্য অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো কোনো শিশুর রোগের প্রকোপ বেড়েছে বলে তারা জানান। এ অবস্থায় আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এ রোগ আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন, রোগীদের চিকিৎসা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের দাবি উঠেছে।

আরও পড়ুনঃ  সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শাহ আব্দুল করিমের স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চিকিৎসকদের পরামর্শ, আক্রান্ত শিশুর ব্যবহৃত কাপড়, তোয়ালে ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী আলাদা রাখতে হবে। নিয়মিত হাত পরিষ্কার করতে হবে এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ বা অনানুষ্ঠানিক চিকিৎসা গ্রহণ না করারও পরামর্শ দিয়েছেন তারা।