Dhaka ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ভূরুঙ্গামারীতে জমির বিরোধে গোডাউন ভেঙে ২০ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে চরভদ্রাসন উপজেলার দুর্গম চর ঝাউকান্দার উন্নয়নে একগুচ্ছ দাবি, নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগের আশ্বাস এমপি বাবুলের শিবপুরে ১৪৮ বোতল কাশির সিরাপসহ আটক ১, ডাকাতি মামলার আসামিও গ্রেপ্তার দোহাজারীকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন, মহাসড়ক অবরোধ কালীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ফুটবল ফাইনাল অনুষ্ঠিত, ৪-২ গোলে লাল দলের জয় ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর-ফরিদপুরের সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রুমার মতবিনিময় নবীনগরে মিরপুর স্বপ্নযাত্রা ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষা, অংশ নিল ৪৮২ শিক্ষার্থী বুড়িচংয়ে ৪৩ পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুলিশের মতবিনিময় সভা সুনামগঞ্জে রাকেশ রঞ্জন চৌধুরীর স্মরণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ রাজগোবিন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদযাপনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

ধর্মপাশায় নিখোঁজের তিন দিন পর গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় কাজলের মরদেহ উদ্ধার

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৫১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ Time View

সাইফ উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য ফজলুর রহিম কাজল মিয়ার (৫০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরীবাড়ির পেছনে গোরস্তানের পাশে একটি গাছের ডাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।

নিহত ফজলুর রহিম কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি ধর্মপাশা উপজেলার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরীবাড়ির পেছনে গোরস্তানের পাশে একটি গাছের ডালে কাজলের মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাঁর গলায় দড়ি লাগানো ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের বড় ভাই বুলবুল মাস্টার জানান, গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে সর্বশেষ তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল। এরপর রাতে তিনি থানায় নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শুক্রবার সকালে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের ডালে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান।

বুলবুল মাস্টার অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমি সরকারের কাছে এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  নড়াইলের নড়াগাতীতে দশ মামলার আসামিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে খুন
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ভূরুঙ্গামারীতে জমির বিরোধে গোডাউন ভেঙে ২০ লাখ টাকা লুটপাটের অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে

ধর্মপাশায় নিখোঁজের তিন দিন পর গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় কাজলের মরদেহ উদ্ধার

সময়: ০৮:৫১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সাইফ উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য ফজলুর রহিম কাজল মিয়ার (৫০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরীবাড়ির পেছনে গোরস্তানের পাশে একটি গাছের ডাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।

নিহত ফজলুর রহিম কাজল মিয়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি ধর্মপাশা উপজেলার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর উত্তরপাড়া চৌধুরীবাড়ির পেছনে গোরস্তানের পাশে একটি গাছের ডালে কাজলের মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তাঁর গলায় দড়ি লাগানো ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের বড় ভাই বুলবুল মাস্টার জানান, গত বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে সর্বশেষ তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল। এরপর রাতে তিনি থানায় নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শুক্রবার সকালে মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের ডালে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান।

বুলবুল মাস্টার অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমি সরকারের কাছে এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।”

এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর ইসলাম হারুন জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুনঃ  স্বর্ণের লোভে ড্রিল মেশিনে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন