Dhaka ১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রীর কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে ২১তম ওয়াজ মাহফিল বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করাতে যাওয়ার পথে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় পাওয়াতে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেন অন্ধকল্যাণ চক্ষু হাসপাতালের টিম রংপুরে চার খুন সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে : ত্রাণমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে আধুনিক ছয়তলা ভবন নির্মাণের দাবি নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিল থাইল্যান্ডে পাঠানোর প্রলোভনে প্রতারণার অভিযোগ, অল্প বয়সেই বিপুল সম্পদের মালিক মেহেদী হাসান! ডিমলায় রোগ ছাড়াই হঠাৎ চারটি গরুর মৃত্যু নড়াইলে শিক্ষিকা কৃষ্ণা রানী চৌধুরীর গলার স্বর্ণের চেইন ছিনতাই বগুড়া পুলিশে কোটি টাকার বিল-ভাউচার জালিয়াতির অভিযোগ, সম্পৃক্ততার অভিযোগ ৮ জনের
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ: ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসন শেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বে পথচলা

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৩ Time View

 

লেখক, আবদুল্লাহ আল মামুন,


এক দীর্ঘ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন এক নতুন গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফল সমাপ্তির পর, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্থিতিশীলতার পথে যাত্রা:
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের যে প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপন করেছিল, নবগঠিত সরকার সেই সংস্কারসমূহকে স্থায়ী রূপ দিতে সচেষ্ট রয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার আশা জেগেছে। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এখন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুশাসন ও সংস্কারের অঙ্গীকার:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ‘জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা’ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্নীতি রোধে শূন্য সহিষ্ণুতা (Zero Tolerance) নীতি গ্রহণের বার্তা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কারগুলো পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে নতুন মন্ত্রিসভা।

জনমনে প্রত্যাশা:
রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে তৃণমূলের মানুষের মাঝে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও অধিকাংশের মধ্যে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা প্রবল। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
“জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসা এই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা।”

বাংলাদেশ এখন তাকিয়ে আছে এক নতুন ভোরের দিকে, যেখানে আইনের শাসন আর সামাজিক ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্রের প্রধান স্তম্ভ।

আরও পড়ুনঃ  শাহজালাল বিমানবন্দরে ৪০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ আটক ২
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের পাশে থাকার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ: ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন শাসন শেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বে পথচলা

সময়: ১০:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

লেখক, আবদুল্লাহ আল মামুন,


এক দীর্ঘ রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন এক নতুন গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সফল সমাপ্তির পর, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্থিতিশীলতার পথে যাত্রা:
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের যে প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপন করেছিল, নবগঠিত সরকার সেই সংস্কারসমূহকে স্থায়ী রূপ দিতে সচেষ্ট রয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার আশা জেগেছে। বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এখন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সুশাসন ও সংস্কারের অঙ্গীকার:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ‘জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা’ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং দুর্নীতি রোধে শূন্য সহিষ্ণুতা (Zero Tolerance) নীতি গ্রহণের বার্তা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হওয়া রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কারগুলো পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে নতুন মন্ত্রিসভা।

জনমনে প্রত্যাশা:
রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে তৃণমূলের মানুষের মাঝে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও অধিকাংশের মধ্যে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা প্রবল। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
“জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসা এই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হলো গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা।”

বাংলাদেশ এখন তাকিয়ে আছে এক নতুন ভোরের দিকে, যেখানে আইনের শাসন আর সামাজিক ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্রের প্রধান স্তম্ভ।

আরও পড়ুনঃ  গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য সুখবর, কাগজপত্র হালনাগাদে বাড়ল সময়