Dhaka ১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চট্টগ্রামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের দালালের হাতে জিন্মি 🌙 মানব জীবন পত্রিকার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক 🌙 সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান সমাজ ও মানবসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে “ইসলামিক সেবক সম্মাননা” পেলেন মাওলানা মুহাম্মদ রজীবুল হক প্রবর্তক মোড়ে ছিনতাই, জনতার হাতে আটক সিএনজি চালক শোক সংবাদ কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, তরুণীকে ধাক্কা দিয়ে হত্যা রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ গাজা উদ্ধার আত্মহত্যার চেষ্টার পর মারা গেলেন বগুড়ার এএসআই রবিউল ইসলাম
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

নাবিল গ্রুপের ১৭৮ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ আদালতের

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৪৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫
  • ২৮৬ Time View

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, তার স্ত্রী ইসরাত জাহান ও তাদের ৪ প্রতিষ্ঠানের ১৭৮ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদ রাজশাহীর পবা উপজেলার তেকাটাপাড়ায় রয়েছে।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের আবেদন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ থাকায় এদিন তাদের সম্পদসমূহ জব্দের আবেদন করে দুদক। পরে বিচারক সেটি মঞ্জুর করেন।

সম্পদ সমূহের মধ্যে, আমিনুল ইসলামের নামে ১৩২ বিঘা, তার স্ত্রী ইসরাত জাহানের নামে ২৩ বিঘা, নাবিল ফার্মা লিমিটেডের নামে ১৩ বিঘা, আনোয়ার ফিড মিলস লিমিটেডের নামে প্রায় ১ বিঘা, নাবিল গ্রেট হোমস লিমিটেডের নামে প্রায় ৯ বিঘা এবং নাবিল নাবা ফুডসের নামে ৮ শতক জমি রয়েছে।

জব্দের আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, তার পরিবারের সদস্য ও সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ঘুস-দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে কিছু স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব স্থাবর সম্পদসমূহ বিক্রয় বা হস্তান্তর হয়ে যেতে পারে। অনুসন্ধানের শেষ পর্যন্ত ওই সম্পদের কোনরূপ হস্তান্তর, রূপান্তর বা স্থানান্তর বন্ধ করা প্রয়োজন।

অন্যথায় অনুসন্ধান পরবর্তী আইনি কার্যধারা গ্রহণসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অপরাধলব্ধ অর্থ পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিধায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে উল্লিখিত স্থাবর সম্পত্তিসমূহ জব্দ করা আবশ্যক।

আরও পড়ুনঃ  সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চট্টগ্রামে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাবিল গ্রুপের ১৭৮ বিঘা জমি জব্দের নির্দেশ আদালতের

সময়: ১০:৪৯:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:

নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, তার স্ত্রী ইসরাত জাহান ও তাদের ৪ প্রতিষ্ঠানের ১৭৮ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব সম্পদ রাজশাহীর পবা উপজেলার তেকাটাপাড়ায় রয়েছে।

ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে উপ-পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান জব্দ চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের আবেদন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ থাকায় এদিন তাদের সম্পদসমূহ জব্দের আবেদন করে দুদক। পরে বিচারক সেটি মঞ্জুর করেন।

সম্পদ সমূহের মধ্যে, আমিনুল ইসলামের নামে ১৩২ বিঘা, তার স্ত্রী ইসরাত জাহানের নামে ২৩ বিঘা, নাবিল ফার্মা লিমিটেডের নামে ১৩ বিঘা, আনোয়ার ফিড মিলস লিমিটেডের নামে প্রায় ১ বিঘা, নাবিল গ্রেট হোমস লিমিটেডের নামে প্রায় ৯ বিঘা এবং নাবিল নাবা ফুডসের নামে ৮ শতক জমি রয়েছে।

জব্দের আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নাবিল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, তার পরিবারের সদস্য ও সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ঘুস-দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণপূর্বক আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে কিছু স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব স্থাবর সম্পদসমূহ বিক্রয় বা হস্তান্তর হয়ে যেতে পারে। অনুসন্ধানের শেষ পর্যন্ত ওই সম্পদের কোনরূপ হস্তান্তর, রূপান্তর বা স্থানান্তর বন্ধ করা প্রয়োজন।

অন্যথায় অনুসন্ধান পরবর্তী আইনি কার্যধারা গ্রহণসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অপরাধলব্ধ অর্থ পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। বিধায় অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে উল্লিখিত স্থাবর সম্পত্তিসমূহ জব্দ করা আবশ্যক।

আরও পড়ুনঃ  সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অপরাজয়ের সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান