Dhaka ০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪০০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ চলে গেলেন প্রিয় সহকর্মী গোলাম বারী ইউনুস মাদরাসা আবু হুরায়রায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডেমরা থানার ওসি, শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য বৃষ্টির মধ্যেও থেমে নেই বৃষ্টি। ৬ ঘণ্টায় ঢাকায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে প্রাণহানি বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় নদী খননের বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত: পাশে দাঁড়িয়ে প্রশংসনীয় উপজেলা প্রশাসন ঝিনাইদহের মহেশপুরে র‍্যাবের অভিযান, ৬৬৪ বোতল মাদকসহ যুবক গ্রেফতার হামলার ক্ষতিপূরণ চায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেল রাঙ্গামাটির ফারুয়া বাজার, বিচ্ছিন্ন যোগাযোগে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

নীলারাম স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল

  • Reporter Name
  • সময়: ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৬ Time View

 

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম সদরে অবস্থিত নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজ জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নে অসংখ্য ভুল বানান নিয়ে চলছে সমালোচনা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে।

গত ২৪ ও ২৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেই ভুল বানানের প্রশ্ন দিয়েই পরপর দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা নিয়ে ছাত্র ও অভিভাবক মাঝে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক বলেন, নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজে আগের মতো শিক্ষাব্যবস্থা নেই। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা অমার্জনীয় অপরাধ। একটা প্রশ্নে এত ভুল হলে ছাত্রছাত্রীরা কী শিখবে? এখানকার শিক্ষকরা নিজেদের স্বার্থ দেখেন, মনোযোগ সহকারে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন না। এর ফলে প্রশ্নে ভুল থেকে যায়। শিক্ষকরা এখন শ্রেণিকক্ষে পড়ালেখা বাদ দিয়ে নিজেদের বাসায় প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এত বড় স্কুলে প্রশ্নপত্রে এত ভুল আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

একাধিক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রশ্নে বানানগুলো বুঝতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রশ্নে এমনভাবে বানান ভুল যা আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ পরমেস্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুইটি পরীক্ষার পরে ভুলগুলো আমাদের চোখে পড়ে। প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। আমি দেখার পর তিন সদস্য বিশিষ্ট পরীক্ষা কমিটির সাথে রাগারাগি করেছি। দুইটি পরীক্ষায় এই মিসটেক হয়েছে। পরবর্তীতে আর হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুর রব জানান, এটা আমার জানা নেই। আর আমরা তো প্রশ্ন তৈরি করি না। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেয়। দায়িত্বের যারা ছিল তাদের এটা গাফিলতি। এটা কাঙ্খিত নয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের বানান ভুল তাহলে শিক্ষার্থীরা শিখবে কি? এটা দুঃখজনক বিষয়। আমি হেড স্যারকে বলবো সতর্ক থাকার জন্য। যাতে অন্য পরীক্ষায় আর এধরনের ভুল না হয়।

আরও পড়ুনঃ   উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত ৮, সবাই কন্যাশিশু

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, বিষযটি আমার জানা নাই, প্রশ্নের কোন কপি থাকলে আমার হোয়াটসঅ্যাপে দেন, আমি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪০০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ

নীলারাম স্কুল অ্যান্ড কলেজে বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল

সময়: ০৭:৫৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

 

মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম সদরে অবস্থিত নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজ জেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নে অসংখ্য ভুল বানান নিয়ে চলছে সমালোচনা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে।

গত ২৪ ও ২৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেই ভুল বানানের প্রশ্ন দিয়েই পরপর দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা নিয়ে ছাত্র ও অভিভাবক মাঝে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক বলেন, নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজে আগের মতো শিক্ষাব্যবস্থা নেই। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা অমার্জনীয় অপরাধ। একটা প্রশ্নে এত ভুল হলে ছাত্রছাত্রীরা কী শিখবে? এখানকার শিক্ষকরা নিজেদের স্বার্থ দেখেন, মনোযোগ সহকারে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন না। এর ফলে প্রশ্নে ভুল থেকে যায়। শিক্ষকরা এখন শ্রেণিকক্ষে পড়ালেখা বাদ দিয়ে নিজেদের বাসায় প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এত বড় স্কুলে প্রশ্নপত্রে এত ভুল আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

একাধিক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রশ্নে বানানগুলো বুঝতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রশ্নে এমনভাবে বানান ভুল যা আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ পরমেস্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুইটি পরীক্ষার পরে ভুলগুলো আমাদের চোখে পড়ে। প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। আমি দেখার পর তিন সদস্য বিশিষ্ট পরীক্ষা কমিটির সাথে রাগারাগি করেছি। দুইটি পরীক্ষায় এই মিসটেক হয়েছে। পরবর্তীতে আর হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুর রব জানান, এটা আমার জানা নেই। আর আমরা তো প্রশ্ন তৈরি করি না। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেয়। দায়িত্বের যারা ছিল তাদের এটা গাফিলতি। এটা কাঙ্খিত নয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের বানান ভুল তাহলে শিক্ষার্থীরা শিখবে কি? এটা দুঃখজনক বিষয়। আমি হেড স্যারকে বলবো সতর্ক থাকার জন্য। যাতে অন্য পরীক্ষায় আর এধরনের ভুল না হয়।

আরও পড়ুনঃ  পণ্য পরিবহন ও রাজস্বে ইতিহাস গড়ল চট্টগ্রাম বন্দর

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, বিষযটি আমার জানা নাই, প্রশ্নের কোন কপি থাকলে আমার হোয়াটসঅ্যাপে দেন, আমি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।