
সাব্বির কাজী,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি,
কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণে কৃষকদের আরও দক্ষ ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার সময় রাঙ্গাবালী উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর বাস্তবায়নে এবং প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এই পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপম মজুমদার,
বিশেষ অতিথি সিনিয়র মনিটরিং অফিসার পার্টনার প্রোগ্রাম, বরিশাল অঞ্চল মোঃ রিয়াজউদ্দিন,
উপজেলা প্রকল্প বাস্তব কর্মকর্তা অজিত দেবনাথ, উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার হাবিবুর রহমান, ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: কামাল পাশা, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান টিটু, উপজেলা জামাত ইসলামের আমির মাওলানা কবির হোসেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত শতাধিক কৃষক ও কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কৃষক ও কৃষাণীরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি ও আয় উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিরুপম মজুমদার বলেন, দেশের টেকসই কৃষি উন্নয়নের জন্য পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ এবং কৃষকদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। কৃষিকে লাভজনক ও যুগোপযোগী খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে কৃষকদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে আরও মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, পুষ্টিবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, পুষ্টিকর ফসল উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা গড়ে তোলা। পার্টনার ফিল্ড স্কুল কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকরা হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন এবং আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করছেন। পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা একদিকে যেমন উৎপাদন ব্যয় কমায়, অন্যদিকে মাটির উর্বরতা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব প্রযুক্তি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে কৃষি বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
Reporter Name 






















