Dhaka ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
আলমখালী নইছড়া খাল দখল ও ভরাটে কৃত্রিম বন্যা, শতাধিক পরিবার পানিবন্দি বালিয়াকান্দিতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ ও পথসভা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ গোবিন্দগঞ্জে ৫৪ লাখ টাকার সড়ক সংস্কার, বছর না যেতেই ধস চট্টগ্রাম নগরীর খাল-ছড়া দখল না ছাড়লে আইনানুগ ব্যবস্থা : চসিক মেয়র কে এই সারওয়ার আলম? দক্ষিণ রাউজানে শ্রীশ্রী মা গঙ্গা পূজা অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের ভারতীয় স্বজনদের সহযোগিতায় কুমিল্লার চিওড়া থানার চৌধুরী পরিবারের ব্যাভিচারী মা ও হ্যাকার ছেলেদের বিকৃত যৌনাচার
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৯:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১৩ Time View

মো: গোলাম কিবরিয়া,

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

 

 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর ইজারার টাকা ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। আহত আবদুল মতিন (৪৮) বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

আহত আবদুল মতিন উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে এবং হামিরকুৎসা বাজারের একজন ব্যবসায়ী। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদপাড়া গ্রামের ওসমান আলী ও তাঁর ভাতিজা আবদুল মতিনের মধ্যে একটি পুকুরের ইজারার অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে হামিরকুৎসা বাজারে আবদুল মতিনের দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওসমান আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল খলিলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পান।

 

এরপর আবদুল মতিনকে প্রধান আসামি করে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও আবদুল মতিন পালিয়ে যান। স্বজনদের দাবি, পুলিশ চলে যাওয়ার পর রাত ১১টার দিকে তিনি বাড়িতে ফিরলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ধরতে বাড়িতে আসে। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে উদপাড়া এলাকায় তাকে ধরে ফেলা হয়।

 

আহতের স্বজনদের অভিযোগ, এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  ভূরুঙ্গামারীতে বিজিবির অভিযানে ৫৩ কেজি ভারতীয় গাঁজা জব্দ

 

আহত ব্যবসায়ীর শ্যালক লিটন হোসেন দাবি করেন, প্রতিপক্ষের হামলায় তার ভগ্নিপতি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল খলিল বলেন, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন, তবে গুলি বা হামলার বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

আলমখালী নইছড়া খাল দখল ও ভরাটে কৃত্রিম বন্যা, শতাধিক পরিবার পানিবন্দি

বাগমারায় ব্যবসায়ীকে হামলার অভিযোগ

সময়: ০৯:১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মো: গোলাম কিবরিয়া,

রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

 

 

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় পুকুর ইজারার টাকা ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা ও গুলির অভিযোগ উঠেছে। আহত আবদুল মতিন (৪৮) বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

আহত আবদুল মতিন উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে এবং হামিরকুৎসা বাজারের একজন ব্যবসায়ী। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদপাড়া গ্রামের ওসমান আলী ও তাঁর ভাতিজা আবদুল মতিনের মধ্যে একটি পুকুরের ইজারার অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ মে হামিরকুৎসা বাজারে আবদুল মতিনের দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ওসমান আলী ও তাঁর ছেলে আবদুল খলিলকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পান।

 

এরপর আবদুল মতিনকে প্রধান আসামি করে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গেছে।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করলেও আবদুল মতিন পালিয়ে যান। স্বজনদের দাবি, পুলিশ চলে যাওয়ার পর রাত ১১টার দিকে তিনি বাড়িতে ফিরলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে ধরতে বাড়িতে আসে। তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে উদপাড়া এলাকায় তাকে ধরে ফেলা হয়।

 

আহতের স্বজনদের অভিযোগ, এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  গোদাগাড়ীতে অভিনব কায়দায় রাখা ১৮৮ গ্রাম হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

 

আহত ব্যবসায়ীর শ্যালক লিটন হোসেন দাবি করেন, প্রতিপক্ষের হামলায় তার ভগ্নিপতি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আবদুল খলিল বলেন, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, মারামারির ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন, তবে গুলি বা হামলার বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।