Dhaka ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহাদী আমিন নরসিংদীর শিবপুরে ৩ দিনব্যাপী বেকারি শিল্পবিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন সান্তাহারে ইটিপি ছাড়াই চলছে চালকল, দূষিত হচ্ছে খাল ও ফসলি জমি দৌলতপুরে মাঠ থেকে এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার তাহিরপুরের যাদুকাটা-১ ও ২ বালুমহালে বালু উত্তোলন তিন মাস স্থগিত রামপালে মৎস্য খামারে কর্মরত নারী শ্রমিকদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে অবহিতকরণ সভা কন্যাশিশু দিবস আজ: বোঝা নয়, সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি ও দেশের সম্পদ পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বারসিকের পরিবেশ ক্যাম্পেইন গাইবান্ধায় সার উদ্ধার অভিযানে হামলা, কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করার অভিযোগ বিএনপির নির্বাচিত আসনগুলোতে সারের সংকট হয়নি: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বিএনপির নির্বাচিত আসনগুলোতে সারের সংকট হয়নি: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

  • Reporter Name
  • সময়: ০৪:২০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি:


বিএনপির সংসদ সদস্যরা যেসব আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, সেসব এলাকায় সারের কোনো সংকট হয়নি এবং সার নিয়ে কোনো আন্দোলনও হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর দাবি, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতেই কৃত্রিম সারসংকট দেখা দিয়েছিল।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো কুড়িগ্রাম সফরে এসে জেলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সার্কিট হাউসে পৌঁছালে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

মীর শাহে আলম বর্তমানে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী। গত ২৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে এসব জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্বের মধ্যে জেলা পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রমের সমন্বয়, সুশাসন, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকি রয়েছে।

কুড়িগ্রামসহ সারা দেশে সারের সংকট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কুড়িগ্রাম জেলায় সারের সংকট নিয়ে বহু নিউজ আমরা দেখেছি। কিন্তু সারের সংকট যে সময় বলা হয়েছিল, সে সময় কোথাও কোনো সারের সংকট ছিল না।”

তিনি দাবি করেন, কৃত্রিম সারসংকট সৃষ্টির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল ও পূর্ববর্তী সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত কিছু ডিলার যুক্ত ছিলেন। একই ধরনের বক্তব্য তিনি ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুরে দেওয়া বক্তব্যেও দিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও দুর্নীতি রোধে সরকার নতুন করে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে একজন করে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি দেশে সারের চাহিদার তুলনায় দেড়গুণ বেশি সার আমদানির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করা হবে। এ নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি সরকার নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও একই সময়সীমার কথা এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  মহাধুমধামে হবে শারদীয় দুর্গাপূজা

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল নিয়ে বিরোধী দলের কর্মসূচির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব কর্মসূচির নাম ‘রোড মার্চ’ হওয়া উচিত ছিল। কারণ ‘লং মার্চ’ পায়ে হেঁটে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের নেতা নিজেও স্বীকার করেছেন যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার বিষয়টি বিএনপি সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। সাময়িক বিদ্যুৎ ঘাটতির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হক চৌধুরী ডন এবং লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মমিনুল ইসলাম।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহাদী আমিন

বিএনপির নির্বাচিত আসনগুলোতে সারের সংকট হয়নি: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

সময়: ০৪:২০:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি:


বিএনপির সংসদ সদস্যরা যেসব আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, সেসব এলাকায় সারের কোনো সংকট হয়নি এবং সার নিয়ে কোনো আন্দোলনও হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর দাবি, জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনগুলোতেই কৃত্রিম সারসংকট দেখা দিয়েছিল।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো কুড়িগ্রাম সফরে এসে জেলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সার্কিট হাউসে পৌঁছালে পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

মীর শাহে আলম বর্তমানে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী। গত ২৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁকে এসব জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্বের মধ্যে জেলা পর্যায়ে সরকারি কার্যক্রমের সমন্বয়, সুশাসন, আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকি রয়েছে।

কুড়িগ্রামসহ সারা দেশে সারের সংকট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কুড়িগ্রাম জেলায় সারের সংকট নিয়ে বহু নিউজ আমরা দেখেছি। কিন্তু সারের সংকট যে সময় বলা হয়েছিল, সে সময় কোথাও কোনো সারের সংকট ছিল না।”

তিনি দাবি করেন, কৃত্রিম সারসংকট সৃষ্টির সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল ও পূর্ববর্তী সরকারের সময় নিয়োগপ্রাপ্ত কিছু ডিলার যুক্ত ছিলেন। একই ধরনের বক্তব্য তিনি ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুরে দেওয়া বক্তব্যেও দিয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও দুর্নীতি রোধে সরকার নতুন করে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে একজন করে সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি দেশে সারের চাহিদার তুলনায় দেড়গুণ বেশি সার আমদানির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শেষ করা হবে। এ নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি সরকার নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনেও একই সময়সীমার কথা এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  গাইবান্ধায় সার উদ্ধার অভিযানে হামলা, কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের অবরুদ্ধ করার অভিযোগ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেল নিয়ে বিরোধী দলের কর্মসূচির সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব কর্মসূচির নাম ‘রোড মার্চ’ হওয়া উচিত ছিল। কারণ ‘লং মার্চ’ পায়ে হেঁটে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের নেতা নিজেও স্বীকার করেছেন যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যার বিষয়টি বিএনপি সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। সাময়িক বিদ্যুৎ ঘাটতির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হক চৌধুরী ডন এবং লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মমিনুল ইসলাম।