Dhaka ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাড়ে ৫লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস ১৫ বছরে রেলপথে ১ হাজার ৩৩৪ দুর্ঘটনা, সংসদে জানালেন রেলমন্ত্রী বুড়িচংয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার, গাছ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিউইয়র্কের কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরিতে ‘লেখকের অঙ্গন-এর ২৭তম গ্রন্থালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৬ হাজার পিস ইয়াবা সহ আটক জামালপুর জেলা পুলিশ সুপারের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত- হাড়দ্দহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন,আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান সভাপতি,ইমরান সহ-সভাপতি,মোঃআঃ সবুর সদস্য সচিব নির্বাচিত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা রাজনৈতিকভাবে করা হয়েছিল, নির্ভুল তালিকা তৈরির কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী তাহিরপুরে বালু লুট সম্পত্তি দখল চেষ্টা ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী ধর্মপাশা থানার এসআই শরীফুল ইসলাম
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

বুড়িচংয়ে সরকারি হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৪৫ Time View

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং:

শীতের আমেজ পুরোপুরি নেমে আসাতেই কুমিল্লার বুড়িচং সরকারি হাসপাতালে হঠাৎ বেড়ে গেছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। গত ১০ দিনে শিশু ও পুরুষ – মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৪৪ রোগী। শিশু -১৭৭ ও পুরুষ – মহিলা – ১৬৭ জন, অধিকাংশই ও প্রবীন নাগরিক।

বাড়তে চাপের কারণে চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের সার্বিক তৎপরতা জোরদার করা হলেও রোগীর চল সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালের শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে
সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক রোগী বেড না পেয়ে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।

শিশু ওয়ার্ডে কান্নার শব্দ,হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তারদের একজন জানান, গত ১০ দিনে হঠাৎ রোগীর চাপ বেড়েছে। মূলত ঠান্ডাজনিত জ্বর,কাশি,সর্দি, শ্বাসকষ্ট সহ নানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেশি। প্রবীণদের ক্ষেত্রে দেখা দিচ্ছে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা। বৃদ্ধ ফরিদ (৬৫)শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর পাশে বসে থাকা ছেলে বলেন,বাবার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। গ্রামে ডাক্তার দেখালাম, কিন্তু কাজ হলো না।

শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে আনতেই হলো। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন,শীতের শুরুতে সাধারণত ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা বাড়ে। কিন্তু এবার রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে অভিভাবকরা একটু অসচেতন থাকলে জটিলতা বৃদ্ধি পায়।

চিকিৎসকদের মতে, শীতের সময় শিশুকে অতিরিক্ত ঠান্ডা অথবা অতিরিক্ত গরম পরিবেশে না রাখা, পরিস্কার – পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ধূলোবালি থেকে দূরে রাখা এবং হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট ভুগছেন এমন প্রবীনদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি।কোনো উপসর্গ দেখা দিলে সময়ক্ষেপন না করে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়াই উত্তম।

স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আগ্রহ আগের তুলনায় বেড়েছে। নিয়মিত সেবা পাওয়া গেলে জনগণের আস্থা আরও মজবুত হবে বলে তারা মত দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মালেকুল আফতাব ভূইয়া বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি যেন কোনো রোগী সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়। প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম সচল রাখা হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, “জনবল ও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও আমরা ধাপে ধাপে সেবার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করছি।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সাড়ে ৫লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস

বুড়িচংয়ে সরকারি হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ

সময়: ০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

মোঃ আবদুল্লাহ, বুড়িচং:

শীতের আমেজ পুরোপুরি নেমে আসাতেই কুমিল্লার বুড়িচং সরকারি হাসপাতালে হঠাৎ বেড়ে গেছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। গত ১০ দিনে শিশু ও পুরুষ – মহিলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৪৪ রোগী। শিশু -১৭৭ ও পুরুষ – মহিলা – ১৬৭ জন, অধিকাংশই ও প্রবীন নাগরিক।

বাড়তে চাপের কারণে চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের সার্বিক তৎপরতা জোরদার করা হলেও রোগীর চল সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে। হাসপাতালের শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে
সরেজমিনে দেখা যায়, অনেক রোগী বেড না পেয়ে মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।

শিশু ওয়ার্ডে কান্নার শব্দ,হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তারদের একজন জানান, গত ১০ দিনে হঠাৎ রোগীর চাপ বেড়েছে। মূলত ঠান্ডাজনিত জ্বর,কাশি,সর্দি, শ্বাসকষ্ট সহ নানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বেশি। প্রবীণদের ক্ষেত্রে দেখা দিচ্ছে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা। বৃদ্ধ ফরিদ (৬৫)শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর পাশে বসে থাকা ছেলে বলেন,বাবার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। গ্রামে ডাক্তার দেখালাম, কিন্তু কাজ হলো না।

শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে আনতেই হলো। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন,শীতের শুরুতে সাধারণত ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা বাড়ে। কিন্তু এবার রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নবজাতক ও শিশুদের ক্ষেত্রে অভিভাবকরা একটু অসচেতন থাকলে জটিলতা বৃদ্ধি পায়।

চিকিৎসকদের মতে, শীতের সময় শিশুকে অতিরিক্ত ঠান্ডা অথবা অতিরিক্ত গরম পরিবেশে না রাখা, পরিস্কার – পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ধূলোবালি থেকে দূরে রাখা এবং হাঁপানি ও শ্বাসকষ্ট ভুগছেন এমন প্রবীনদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি।কোনো উপসর্গ দেখা দিলে সময়ক্ষেপন না করে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়াই উত্তম।

স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আগ্রহ আগের তুলনায় বেড়েছে। নিয়মিত সেবা পাওয়া গেলে জনগণের আস্থা আরও মজবুত হবে বলে তারা মত দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মালেকুল আফতাব ভূইয়া বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি যেন কোনো রোগী সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়। প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম সচল রাখা হয়েছে।”

আরও পড়ুনঃ  বিনা প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি রোধে কঠোর অভিযান চলবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, “জনবল ও অবকাঠামোগত কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও আমরা ধাপে ধাপে সেবার মান উন্নয়নের জন্য কাজ করছি।